প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

পেরেজের সাথে দ্বন্দ্বের কারণে রিয়াল ছেড়েছেন রোনালদো !

স্পোর্টস ডেস্ক: স্বপ্নের রিয়াল মাদ্রিদ ছেড়ে ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো জুভেন্টাসে যোগ দিলেন কেন? বেতন-ভাতার বৃদ্ধির বিষয়ে ক্লাব কর্তাদের সঙ্গে বনিবনা না হওয়া, কর ফাঁকির অভিযোগে স্পেনের আয়কর কর্তৃপক্ষের মামলা-জরিমানার হয়রানি, গণমাধ্যমের সঙ্গে তিক্ত সম্পর্ক-উত্তর খুঁজতে গিয়ে বেশ কিছু কারণই আবিষ্কার করেছে গণমাধ্যম। কিন্তু প্রেড্রাগ মিয়াতোভিচ বললেন শুধুই একটি কারণের কথা। সার্বিয়ার (সাবেক যুগোস্লাভিয়া) সাবেক এই তারকার মতে, রিয়াল সভাপতি ফ্লোরেন্তিনো পেরেজের সঙ্গে দ্বন্দ্বের কারণেই রিয়াল ছেড়েছেন রোনালদো।
বেতন-ভাতা বৃদ্ধি নিয়ে সভাপতি পেরেজের সঙ্গে রোনালদোর সম্পর্কের অবনতির কথা অনেক দিন আগে থেকেই শোনা গেছে। কিন্তু মিয়াতোভিচ ফুটিয়ে তুলতে চাইলেন, আসলে পেরেজের সঙ্গে রোনালদোর বড় কোন দ্বন্দ্ব ছিল। সেই দ্বন্দ্ব এতোটাই প্রকট ছিল যে, দিনে দিনে দুজনের সম্পর্কের অবনতিই ঘটেছে শুধু। এই দলবদল তাই কোনো কাকতালীয় ঘটনা নয়। বরং সেই দ্বন্দ্বেরই ফসল।
মিয়াতোভিচ খেলোয়াড়ী জীবনে ৩টি বছর খেলেছেন রিয়াল মাদ্রিদে। সেই ৩ বছরেই আপন করে নিয়েছিলেন রিয়ালকে। ১৯৯৮ সালে রিয়ালকে জিতিয়েছিলেন উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ শিরোপা। জুভেন্টাসের বিপক্ষে ফাইনালে একমাত্র গোলটি করেছিলেন তিনিই। ৪৯ বছর বয়সী সাবেক এই সার্বিয়ান তারকা রিয়াল ছাড়ার পরও দুটি ক্লাবে খেলেছেন। কিন্তু রিয়ালের প্রতি তার ভালোবাসায় ছেদ পড়েনি। অবসরের ১৪ বছর পরও বার্নাব্যুর প্রতি তার ভালোবাসাটা আগের মতোই আছে।
সেই ভালোবাসার সম্পর্কের কারণেই রোনালদোর মতো একজনের চলে যাওয়ার বিষয়টি পুড়াচ্ছে তাকে। রিয়ালের আর সব সমর্থকদের মতো তার কাছেও রোনালদোর বিদায়টা হতাশার। আর এই হতাশার জন্য সভাপতি পেরেজকেই কাঠগড়ায় তুলেছেন তিনি।
পর্তুগালের জনপ্রিয় পত্রিকা ‘আ বোলা’কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে স্পষ্ট করেই বলেছেন, ‘আমি মনে করি না, যা কিছু হয়েছে, তা মুহূর্তের উত্তেজনায় হয়েছে। আমচকা এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। বরং দীর্ঘ প্রক্রিয়ারই ফসল এটা। অনেক আগে থেকেই রোনালদোর রিয়াল ছাড়ার প্রক্রিয়াটা শুরু হয়েছিল। সেই প্রক্রিয়ারই সমাপ্তি এটা।’

এরপরই বলেছেন আসল কথাটা, আমার বিশ্বাস, ‘ক্রিস্তিয়ানো ও সভাপতির দ্বন্দ্ব বা তিক্ততার সম্পর্কের কারণেই এটা ঘটেছে। আমি জানি না, তাদের দ্বন্দ্ব-তিক্ততার কারণটা ঠিক কি। কিন্তু ক্লাবের বাইরের একজন হিসেবে আমি বুঝতে পারছি, তাদের মধ্যে অবশ্যই বড় কোনো ঝামেলা ছিল। এতে কোনো সন্দেহ নেই। সেই ঝামেলাটা তাদের দুজনের সম্পর্কটাকে খুবই কঠিন করে তুলেছিল।’