প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

‘ব্যাংকগুলোতে অতিরিক্ত খেলাপি ঋণের কারণে প্রভিশন বেড়ে যায়’

মেহেদী হাসান: বাংলাদেশের ব্যাংকগুলোতে খেলাপি ঋণ অতিরিক্ত, এতো খেলাপি ঋণ অন্য কোন দেশের কোন ব্যাংকেই নাই। যার ফলে ঋণ কমে যায় এবং প্রভিশন বেড়ে যায়। তবে বেতন ভাতার পাশাপাশি ব্যাংকে অদক্ষ লোকের সংখ্যা ও অপচয় অনেক বেশি।

ব্যাংকের পরিচালন ব্যয় নিয়ে আলাপকালে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভনর ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ আমাদের অর্থনীতিকে এসব কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, উন্নত দেশে গ্রাহকদের ব্যাংকিং সেবা নিতে ব্যাংকে যেতে হয় না। ঘরে বসেই ইন্টারনেট ব্যবহার করে গ্রাহকরা যাবতীয় কাজ করেন। কিন্তু বাংলাদেশে কিছু হলেই গ্রাহকদের ব্যাংকে ছুটে যেতে হয়। আমাদের দেশের ব্যাংকগুলো তাদের দৈনন্দিন পরিচালনার জন্য বিপুল পরিমাণ অর্থের অপব্যয় করে। এসব কারণে ব্যাংকের পরিচালন ব্যয় অনেক বেড়ে যায়। ব্যয়কৃত অর্থ গ্রাহকদের কাছ থেকে আদায় করতে গিয়ে ব্যাংক আমানতকারীদের সুদহার কমিয়ে ঋণ গ্রহণকারীদের সুদ বাড়িয়ে দেয়।

তিনি বলেন, খেলাপি ঋণের কারণে আয় তেমন আসে না, ফলে মুনাফা কমে যায়। দক্ষ জনশক্তি থাকলে যে কোন প্রতিষ্ঠানেরই অপচয় কমে এবং ব্যয়ও কমে যায়। যদি খেলাপি ঋণ কমানো যায় তাহলে সুদহার ৯ শতাংশে রাখা সম্ভব হবে। এটি জাতীয় পযার্য়ের সিদ্ধান্তে বাস্তবায়ন করতে হবে। তবে আমাদের তারল্য জোগান দিতে হবে। সরকারি আমানত ৫০ শতাংশ বেসরকারি ব্যাংকগুলোতে রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে। সেটি এখনো পুরোপুরি বাস্তবায়ন হয়নি। এই আমানত ৫ থেকে ৬ শতাংশ সুদে দেয়ার দাবি জানানো হয়েছে। এর বেশি সুদ যাতে সরকারি ব্যাংক ও সরকারি প্রতিষ্ঠান তহবিল জোগান দিতে না চায় সেটি সরকারিভাবে জানিয়ে দিতে হবে। তাছাড়া সরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর কাছে তারল্য রয়েছে। এসব তারল্যের অংশ বেসরকারি ব্যাংকগুলোতে আসতে হবে কিন্তু এটা খুবই কষ্ট সাধ্য।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ