প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

‘অপহরণ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিতে নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া উচিত’

আশিক রহমান : আওয়ামী লীগ নেতার অপহরণের ঘটনার সত্যতা নিশ্চিন্তে নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া উচিত বলে মনে করেন নিরাপত্তা বিশ্লেষক এয়ার কমোডর (অব.) ইসফাক ইলাহি চৌধুরী।

এ প্রতিবেদকের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ নেতার অপহরণ ঘটনা সম্পর্কে আমার যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে। সাজানো নাটক মনে হচ্ছে। অতীতে আমরা অপহরণের সাজানো নাটক দেখেছি। এটা নানা উদ্দেশ্যে করে। ফরহাদ মজহার থেকে যেটা শুরু হয়েছিল তা অনেকের ক্ষেত্রেই দেখা গেছে। তবে ঘটনার সত্যতা সম্পর্কে পুলিশের তদন্ত করা উচিত। ঘটনা যদি সত্যি হয়ে থাকে, অপরাধীদের শনাক্ত করতে হবে। সাজানো নাটক হলে বিভ্রান্তি ছড়ানোর জন্য নাটকারীরও শাস্তি হওয়া উচিত।

তিনি আরও বলেন, ফরহাদ মজহারের মামলায় পরিষ্কার প্রমাণিত হয়েছে যে, অপহরণের নাটক করেছিলেন তিনি। তার এই সাজানোর নাটকের কোনো ধরনের সাজা হয়েছে বলে আমরা জানি না। কিন্তু এ ধরনের ঘটনা ঘটতে থাকলে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কোনো বিশেষ শাখা যদি অপহরণ করে থাকে, প্রমাণ হলে অপরাধীর বিরুদ্ধেও অত্যন্ত কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা উচিত। ঘটনাটি হালকা করে দেখার কোনো সুযোগ নেই। কারণ এ ধরনের ঘটনা জনমনে বিভ্রান্তি, বহু প্রশ্নের সৃষ্টি করে। কিন্তু আমরা বারবার দেখছি, ঘটনা ঘটছে। পত্রিকায় আসছে। কিন্তু ঘটনাগুলো কেন ঘটছে তা তদন্তের মাধ্যমে বের করা উচিত। মিডিয়ারও এখানে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব রয়েছে। চাইলে তারাও এ বিষয়ে তদন্ত করতে পারে। তথ্যভিত্তিক, অনুসন্ধানমূলক প্রতিবেদন তৈরি করতে পারে। সত্য উদ্ঘাটনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।

এক প্রশ্নের জবাবে ইসফাক ইলাহি চৌধুরী বলেন, অপহরণের (?) পর ফিরে আসা আওয়ামী লীগ নেতা পারভেজ হোসেনের স্ট্যাম্প পেপারে সাইন করার ঘটনাও অবিশ্বাস্য। পারভেজ হোসেনের কি কারও সঙ্গে কোনো বিরোধ আছে? পারিবারিক সম্পত্তি বিরোধ ছিল? রাজনৈতিক কোনো বিরোধ, শত্রুতা কি আছে? এসব নিয়ে তদন্ত করা উচিত বলে মনে করি আমি। জমিজমা নিয়ে পারিবারিক বিরোধ থাকতে পারে। তবে মূল কথা সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া উচিত। এসব ঘটনার পেছনে দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অ্যাকশন নেওয়া উচিত। সাজানো নাটক হলে ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ