প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

মুক্তিযোদ্ধারা জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান

আবু সায়িদ আবদুল্লাহ: মুক্তিযোদ্ধারা জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান। তাদের সন্তানরাও পিতার আদর্শে বলিয়ান। মুক্তিযোদ্ধারা বৈষম্য দূর করতেই হাতে অস্ত্র তুলে নিয়েছিলেন, নতুন কোন বৈষম্য তৈরী করতে নয়। তারা এদেশকে স্বাধীন করেছেন কোন ব্যক্তিস্বার্থে নয়, কোন বাড়তি সুবিধা ভোগের আশায় নয়। তার ফল¯্রুতিতেই আপনারা দেখেছেন এই কোটা সংস্কার আন্দোলনে সামনের সারিতে ছিলেন মুক্তিযোদ্ধার সন্তানেরা। তারা দৃঢ়চিত্তে¡ ৫৬% কোটার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন। মুক্তিযোদ্ধার সন্তানরাই এ আন্দোলনকে ত্বরান্বিত করেছেন। তারা বলেছেন, কোন সুবিধা ভোগের আশায় তারা পিতা দেশ স্বাধীন করেন নি। তারা বলেছেন জাতির পিতা সুবিধা বঞ্চিত মানুষের জন্য নির্দিষ্ট সময় বিবেচনা করে কোটা পদ্ধতি চালু করেছিলেন, এটা কোন চিরস্থায়ী পন্থা নয় এবং এও বলেছেন মুক্তিযোদ্ধাদের পুরষ্কৃত করতে নয়, এটা পিছিয়ে পরা জনগোষ্ঠীদের গতিশীল করতেই এই ব্যবস্থা। মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে পুরষ্কার কেবল স্বাধীন বাংলাদেশ, যার জন্য তারা তাজা রক্ত ঢেলে দিয়েছেন বাংলা মায়ের কোলে। সুবিধা বঞ্চিত মানুষ তার জীবনোদ্বশায় কতবার সুবিধা নিবে। এক জেনারেশন সুযোগ পেলেই তো আর সুবিধা বঞ্চিত রইলো না, আপনি তাকে বারবার সকল সদস্যদের দু /তিন জেনারেশন পর্যন্ত সুবিধা দিতে পারে না। এটা ১৬ কোটি মানুষের অধিকার হরণ হয় । মুক্তিযোদ্ধারা যে প্রাপ্য সম্মানটুকু পান, সেটা যেন কোন ভাবেই ভ‚লুন্ঠিত না হয়, তার জন্যই তাদের এই দৃঢ় অবস্থান। তারা সাধারণ ছাত্রদের অধিকার ক্ষ্ন্যু করে কোন সুবিধা ভোগ করতে চান না । একমাত্র ভুয়া মুক্তিযোদ্ধারাই কোটা সংস্কারের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে। কোটা সংস্কারের আন্দোলনকারীদের ওপরে যত হামলা হয়েছে খোঁজ নিয়ে দেখেন সবগুলা কুলাঙ্গার নির্লজ্জ ভুয়া মুক্তিযোদ্ধাদের কোটাধারী কুসন্তান, সুবিধাবাদী চাটা হাতুরীলীগ। এরা কখনোই বঙ্গবন্ধুর আদর্শের ছাত্রলীগ নয়, সুবিধালোভী অনুপ্রবেশকারী কুলাঙ্গার, এবং ভুয়া মুক্তিযোদ্ধাদের প্রজন্ম ও চেতন ব্যবসায়ী । কোটার যৌক্তিক সংস্কার হলে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হিসেবে তোমাদের মাথা আর একবার উঁচু হবে, তোমরা তোমার পিতার জন্য আবারো গর্বিত হবে।
দ্রæত প্রজ্ঞাপন চাই। -ফেসবুক থেকে

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত