প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

একনেকে ৯ প্রকল্প অনুমোদন

সাইদ রিপন: জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় সাত হাজার ৫৩৯ কোটি টাকায় নয়টি প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে। এগুলো বাস্তবায়নে সরকারি তহবিল থেকে ছয় হাজার ৭৫২ কোটি টাকা বাস্তবায়নকারী সংস্থা থেকে ২৫৯ কোটি টাকা এবং বৈদেশিক সহায়তা থেকে ৫২১ কোটি টাকা ব্যয় করা হবে। রোববার রাজধানীর শেরে বাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে প্রকল্পগুলো অনুমোদন দেয়া হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন শেখ হাসিনা। বৈঠক শেষে পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল সংবাদ সম্মেলন করেন।

পরিকল্পনামন্ত্রী জানান, সরকারি কলেজসমূহে বিজ্ঞান শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণ প্রকল্পের অনুমোদনের সময় প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, শিক্ষাখাতে ব্যয় করা হলো বিনিয়োগ। বর্তমানে দেশে শিক্ষার্থীর অভাব নেই, তবে অভাব আছে সৃজনশীল শিক্ষার। এ খাতে বিনিয়োগ হলে ভবিষ্যতে এখান থেকে দেশ উন্নয়নের মুনাফা পাওয়া যাবে। এজন্য শিক্ষার প্রকল্পগুলো গুরুত্বের সাথে বাস্তবায়নের নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। প্রকল্পটির জন্য ব্যয় হবে ২ হাজার ৫১১ কোটি ৫১ লাখ টাকা।

মন্ত্রী বলেন, এছাড়াও যে সমস্ত উপজেলায় পৌরসভা নেই সেই সমস্ত উপজেলাগুলোকে অবকাঠামো উন্নয়নের বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এজন্য ‘উপজেলা শহর (নন-মিউনিসিপ্যাল) মাস্টার প্ল্যান প্রণয়ন ও মৌলিক অবকাঠমো উন্নয়ন’ নামের একটি বৃহৎ প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। দেশে বর্তমানে ৪৯২টি উপজেলার মধ্যে ৩০৪টি উপজেলা শহরকে বিভিন্ন ক্যাটাগরির পৌরসভায় উন্নীত করা হয়েছে। তবে এর বাইরে অবশিষ্ট ১৮৮টি নন-মিউনিসিপ্যাল উপজেলা শহরের অপরিহার্য অবকাঠামো উন্নয়নে এখন পর্যন্ত কোন একক বৃহৎ প্রকল্প গ্রহণ না করায় শহরগুলোতে মৌলিক নাগরিক সুবিধার ঘাটতি রয়েছে। এসব উপজেলাগুলোর মৌলিক অবকাঠামো উন্নয়ন স্থানীয় সরকার বিভাগকে জরুরি ভিত্তিতে উদ্যোগ নিতে বলা হয়েছে। এ প্রকল্পটির জন্য ব্যয় হবে এক হাজার ৩৮০ কোটি টাকায় চলতি বছরের জুলাই থেকে ২০২২ সালের জুনে বাস্তবায়ন করা হবে।

অনুমোদিত প্রকল্পগুলো হচ্ছে, ঢাকার বেইলি রোডে পার্বত্য চট্টগ্রাম কমপ্লেক্স নির্মাণ প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে ১৯৪ কোটি ৪৩ লাখ টাকা। বিআইডব্লিউটিসির জন্য ৩৫টি বাণিজ্যিক ও ৮টি সহায়ক জলযান সংগ্রহ এবং ২টি নতুন স্লিপওয়ে নির্মাণ প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে ১ হাজার ৩১৯ কোটি ৭১ লাখ টাকা। বাংলাদেশ রেলওয়ের ৫৭৫ কিলোমিটার সেকেন্ডারি লাইনে অপটিক্যাল ফাইবার ভিত্তিক টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা স্থাপন এবং চালুকরণ প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে ৬৮ কোটি ৭২ লাখ টাকা। গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন এর ভৌত অবকাঠামো উন্নয়ন (রাস্তা ও ড্রেন) প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে ৬৬১ কোটি টাকা। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের আওতাধীন পরিচ্ছন্নকর্মী নিবাস নির্মাণ প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে ২৩১ কোটি ৪৩ লাখ টাকা। অবকাঠামোগত দক্ষতা উন্নয়ন ও তথ্যের মাধ্যমে দুঃস্থ জনগোষ্ঠির সহনশীলতা বৃদ্ধি (প্রভাতি) প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে ৭৫৮ কোটি টাকা। নর্দান ইলকট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানী লিমিটেড এলকায় পাঁচ লাখ স্মার্ট প্রি-পেমেন্ট মিটার স্থাপন প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে ৪১৫ কোটি টাকা।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ