প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

৭১ এর গেরিলা, বাঙালির রুচি বিনির্মাণের কারিগর বিচিত্রা সম্পাদক

গোলাম মোর্তোজা: ১৯৪৩ সালের ২৮ জুলাই মুক্তিযোদ্ধা সম্পাদক শাহাদত চৌধুরী পৃথিবীতে এসেছিলেন। চলে গেছেন ২৯ নভেম্বর ২০০৫ সালে।

’৭১’র গেরিলা, স্বাধীন বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রভাবশালী, বাঙালির রুচি বিনির্মাণের কারিগর বিচিত্রা সম্পাদক শাহাদত চৌধুরী।

৫ বছর আগে শাহাদত চৌধুরীকে নিয়ে যা লিখেছিলাম,জন্মদিন উপলক্ষে সেই লেখাটিই আবার পোস্ট দিয়েছিলাম।সেই লেখায় আক্ষেপ করে বলেছিলাম, শাহাদত চৌধুরীর এত এত বন্ধু- সহকর্মী তারা কেউ কোনো উদ্যোগ নেননি-তার প্রতি সম্মান দেখানোর।এবছর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেকে স্মৃতিচারণ করেছেন। আমরা শুধু স্মৃতিচারণই করার যোগ্যতা রাখি।
আসলে শাহাদত চৌধুরীর চারপাশে আমরা(সবাই) যারা ছিলাম, তারা সবাই অতি ক্ষুদ্র।
শাহাদত চৌধুরীর তুলনায় অতি অতি ক্ষুদ্র।
শাহাদত চৌধুরীর বিশালত্ব ধারণ করার ক্ষমতাই রাখেন না তাদের কেউ।তাদের কাছে প্রত্যাশা করাটাই ভুল। সুতরাং প্রত্যাশা বা আক্ষেপ করে আর কখনও কিছু লিখব না।এই উপলদ্ধিতে পৌঁছতে বেশ কিছু বছর লেগে গেল, এই যন্ত্রণাটা ভেতরে কাজ করছে।

আমরা ক্ষুদ্র মানুষ হিসেবে ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা নিয়েছিলাম। এই সমাজের প্রায় সবাইকে দিয়ে লেখানোর উদ্যোগ নিয়েছিলাম। এবং সবাই লিখেছিলেন। লেখাগুলো ছিল তাৎক্ষণিক আবেগের।আবেগ ছাড়া লেখাগুলোতে আরও বহু মূল্যবান বক্তব্য আছে।সেই সব লেখা নিয়ে একটি স্মারক গ্রন্থ (নিয়ম মাফিক অটো প্রকাশিত হয়নি) প্রকাশ করেছিলাম। শিল্পী শেখ আফজাল দু’টি ছবি এঁকে দিয়েছিলেন। সেই ছবি অবলম্বণে স্মারক গ্রন্থের প্রচ্ছদ করেছিলেন শিল্পী ধ্রুব এষ।
কেউ যদি কোনো কালে ‘শাহাদত চৌধুরী ও বিচিত্রা’ নিয়ে গবেষণা করেন, ৪৫৪ পৃষ্ঠার স্মারক গ্রন্থটি মূল্যবান দলিল হিসেবে কাজ করবে।একথা সত্যি যে, স্মারক গ্রন্থটি থেকে পূর্ণাঙ্গ শাহাদত চৌধুরীকে পাওয়া যাবে না। আবার অনেক কিছু পাওয়া যাবে, সেটাও সত্যি।যাদের সূচিপত্রের পৃষ্ঠাগুলো পড়ার সময় হবে,তারা হয়ত কিছুটা অনুধাবন করতে পারবেন।

– “সাপ্তাহিক” পত্রিকার সম্পাদক গোলাম মোর্তোজার ফেসবুক থেকে সংগ্রহীত।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ