প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

‘অ্যাসাঞ্জ যুদ্ধ সম্পর্কে গোপনীয় তথ্য ফাঁস করে দিয়েছেন’

শাহিদ সাদরুদ্দিন: ২০১২ সাল লন্ডনে ইকুয়েডর দূতাবাসে আশ্রয় নেয়া জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ কে হাতে পাবার জন্য মরিয়া উঠেছে যুক্তরাষ্ট্র। এ্যাসান্জ কে আশ্রয় দেয়া ইকুয়েডর এর উপর নিজেরা চাপ দিচ্ছে সরাসরি ও চাপ দিচ্ছে যুক্তরাজ্যর মাধ্যমেও।ঘটনার প্রোগেস দেখে মনে হচ্ছে অ্যাসাঞ্জ শীঘ্রই এ্যারেস্ট হবেন এবং যুক্তরাজ্য যুক্তরাষ্ট্রের কাছে উইকিলিকসের এই এডিটর ইন চিফ কে প্রেরণ করবে। উল্লেখ্য যুক্তরাষ্ট্র সরকার তাঁকে গুপ্তচরবৃত্তি সংক্রান্ত আইনে অভিযুক্ত করে মৃত্যুদ-ে দ-িত করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। কারণ, অ্যাসাঞ্জ উইকিলিকস ওয়েবসাইটে আফগানিস্তান ও ইরাকের যুদ্ধ সম্পর্কে বিপুল পরিমাণ গোপনীয় তথ্য ফাঁস করে দিয়েছেন এবং আড়াই লাখের বেশি মার্কিন কূটনৈতিক তারবার্তার এক বিশাল ভান্ডার কয়েকটি সংবাদমাধ্যমের হাতে তুলে দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সরকার ও প্রশাসনের মুখোশ খুলে ফেলেছেন।

গোপন তথ্য প্রকাশের দায়ে কোনো প্রকাশকের ওপর বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাধর রাষ্ট্রগুলোর এই জঘন্য সম্মিলিত দমন-পীড়নের এত দীর্ঘ ইতিহাস সত্যিই বিরল। জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জের প্রথম কাজ ছিল ইরাকে মার্কিন সেনাদের দ্বারা সংঘটিত হত্যাকান্ড। ২০০৭ সালে বাগদাদে মার্কিন অ্যাপাচি হেলিকপ্টারের ককপিট তোলা ৩৮ মিনিট দৈর্ঘ্যরে ভিডিও ফুটেজ। ফুটেজটি মার্কিন সেনাদেরই তোলা, এতে দেখানো হয়েছে মার্কিন সেনাদের হাতে রয়টারের দুজন সাংবাদিকসহ ১৮ জন বেসামরিক মানুষ হত্যার দৃশ্য। ফুটেজগুলো বিশ্লেষণ ও সম্পাদনা করে তিনি তৈরি করলেন স্বল্পদৈর্ঘ্য প্রামাণ্যচিত্র, যার নাম দিলেন কোল্যাটারাল মার্ডার। তিনি সেটি ছাড়লেন অনলাইনে, এবং এমন ব্যবস্থা নিশ্চিত করলেন যেনো কেউ প্রামাণ্যচিত্রটি সরিয়ে ফেলতে না পারে।

লেখক: সাংবাদিক/ফেসবুক থেকে

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ