প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

মেরুল বাড্ডা ইউলুপ উদ্বোধনে প্রধানমন্ত্রী
ঢাকা ঘিরে পাতাল ও উপরে ট্রেন থাকবে

উম্মুল ওয়ারা সুইটি : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, এক সময়ের দুর্গন্ধময় হাতিরঝিল এখন মানুষের বিনোদন কেন্দ্র। এখানে শুধু দেশের মানুষই নয়, বিদেশিরাও এটা দেখতে আসে। তিনি বলেন, পুরো ঢাকা ঘিরে পাতাল এবং উপরে ট্রেন থাকবে। ঢাকার চারিদিকে রিং রোড করে দেব। এছাড়া ঢাকার চারদিকে নৌপথও করে দেব।

শনিবার বিকেলে হাতিরঝিলের নর্থ ইউলুপ উদ্বোধনের পর এক বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। ইউলুপ উদ্বোধনের পর মোনাজাত করেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর তিনি ইউলুপ পরিদর্শনে বের হন গাড়িতে করে। পরিদর্শন শেষ করে আবার তিনি ইউলুপ উদ্বোধনস্থলে চলে আসেন। প্রধানমন্ত্রী মঞ্চে ওঠার পর জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন হাতিরঝিল প্রকল্পের পরিচালক মেজর জেনারেল আবু সাঈদ মোহাম্মদ মাসুদ। এছাড়া অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, ঢাকা-১১ আসনের সংসদ সদস্য এ কে এম রহমতুল্লাহ ও সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ বক্তব্য রাখেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে শুভেচ্ছা স্মারক তুলে দেন গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ৯৬ সালে যখন ক্ষমতায় আসি তখন এই হাতিরঝিল নিয়ে পরিকল্পনা করেছিলাম। কিন্তু ২০০১ সালে আমরা ক্ষমতায় আসতে পারিনি। আবার যখন ক্ষমতায় আসলাম তখন এই হাতিরঝিলের প্রকল্প নিয়ে মাঠে নামলাম। আজ ঢাকার মধ্যে এমন একটি সুন্দর জায়গা হয়েছে যা মানুষ কল্পনাই করতে পারে না। তিনি বলেন, নৌকায় ভোট দিয়ে কেউ কোনোদিন বঞ্চিত হননি। আগামীতেও হবেন না। নৌকায় ভোট দিয়ে স্বাধীনতা পেয়েছেন, কথা বলার অধিকার পেয়েছেন এবং এখন উন্নয়শীল দেশ পেয়েছেন। আবার ভোট দিলে উন্নত বাংলাদেশ পাবেন।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এ ইউলুপটি খুলে দেওয়ায় রাজধানীর রামপুরা, বনশ্রী, আফতাবনগর, শাহাজাদপুর ও বাড্ডা এলাকার যানজট অনেকাংশই কমে যাবে। ফলে হাতিরঝিল থেকে সহজেই রামপুরা-বনশ্রী হয়ে মালিবাগের দিকে যাওয়া যাবে। অন্যদিকে এসব এলাকা থেকে বের হয়ে হাতিরঝিল হয়ে কারওয়ানবাজার এলাকায় যেতে পারবেন যাত্রীরা।

হাতিরঝিল সমন্বিত উন্নয়ন প্রকল্পের অংশ হিসেবে রামপুরা ও বাড্ডা প্রান্তে দুটি ইউলুপ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। বাড্ডা প্রান্তের মেরুল বাড্ডায় ২১৪ মিটার দীর্ঘ এবং ৭ দশমিক ৭ মিটার প্রস্থ ইউলুপটি নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ৪০ কোটি টাকা। রামপুরা-বনশ্রী এলাকার যানজট নিরসনে ২০১৬ সালের শুরুতে এ ইউলুপ নির্মাণের কাজ শুরু করে সেনাবাহিনী। সম্পাদনা: আনিস রহমান

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ