Skip to main content

সংগীত পরিচালক কমল দাশগুপ্তের আজ জন্মদিন

জাকির হোসাইন তপন: আজ ২৮ জুলাই, সুর স্রষ্টা, গায়ক, সংগীত পরিচালক কমল দাশগুপ্তের জন্মদিন। এমন প্রতিভা বাংলায় হাতে গোনা কয়েকজন মাত্র জন্মেছেন। বিনম্র শ্রদ্ধা।? আজ তাঁর স্ত্রী কিংবদন্তী শিল্পী ফিরোজা বেগমেরও জন্মদিন।?সঙ্গীত জগতের এক বিস্ময়কর প্রতিভা নিয়ে জন্মগ্রহণ করেছিলেন কমল দাশগুপ্ত। কিন্তু এদেশে অনাদরে অবহেলায় এই প্রতিভাধর পুরুষের জীবনে মৃত্যু ঘটে মৃত্যুর বহু পূর্বেই। চিরমৃত্যু হয় ১৯৭৪ সালের ২০ জুলাই ঢাকার পি, জি হাসপাতালে। ঢাকার আজিমপুর গোরস্থানে তাঁকে সমাহিত করা হয়। কমল দাশগুপ্তের পৈত্রিক নিবাস তৎকালীন যশোর জেলার নড়াইল মহকুমার (বর্তমান জেলা) কালিয়া থানার বেন্দা গ্রামে। ব্যবসায়ী পিতা তারাপ্রসন্ন দাশগুপ্তের কুচবিহারে অবস্থানকালে ১৯১২ খ্রীষ্টাব্দের ২৮ জুলাই কমল দাশগুপ্তের জন্ম হয়। ১৯৬৫ সালে ফরিদপুর জেলার খান বাহাদুর ইসমাইল হোসেনের কন্যা উপমহাদেশের প্রখ্যাত নজরুল সংগীত শিল্পী ফিরোজা বেগমের সঙ্গে কমল দাশগুপ্তের বিবাহ সুসম্পন্ন হয়। এ দেশের সন্তান কমল দাশগুপ্ত এক বুকভরা প্রত্যাশা নিয়ে ১৯৬৭ সালে স্থায়ীভাবে বসবাসের জন্যে দেশের মাটিতে ফিরে আসেন। কিন্তু তাঁর সে প্রত্যাশা ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়। তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের সংগীতের সীমিত জগৎ ও পরিবেশ তাঁর শিল্পী মনকে ব্যথিত করে তোলে। তিনি গড়ে তুলতে চেয়েছিলেন এদেশের সংগীত জগৎকে; কিন্তু তদানীন্তন সরকারের সঙ্গীত পৃষ্ঠপোষকদের অবমূল্যায়ন ও অবহেলায় সঙ্গীত জগৎ-এর কোন অঙ্গনেই সামান্যতম স্থানটুকুও হয়নি তাঁর জন্যে। নিদারুণ হতাশা ও দুঃখ দৈন্যর মধ্য দিয়েই এ সময়কার (ঢাকার) দিনগুলি অতিবাহিত হয়েছে কমল দাশগুপ্তের। জীবিকার অন্বেষণে অর্থের প্রয়োজনে ঢাকার হাতিরপুলে ‘পথিকার’ নামে একটি ছোট স্টেশনারী দোকান খুলেছিলেন তিনি। আমি এখন হাতিরপুলের যে জায়গায় থাকি, সেখান থেকে কয়েকটি বাড়ি পরেই কমল দাশগুপ্তের শেষ জীবনের অবলম্বন সেই ষ্টেশনারী দোকানটির অবস্থান ছিল! এই এলাকার পুরনো বাসিন্দা যারা সেসময় কমল দাশগুপ্তকে দেখেছেন তাদের কাছে জেনে আমি পথিকার দোকানটির সম্ভাব্য অবস্থান নির্দিষ্ট করেছি। যে জায়গায় একটি সি এন জি অটো রিকশা দাঁড়িয়ে! লেখক: সাধারণ সম্পাদক, ছায়ানট

অন্যান্য সংবাদ