প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

‘বাংলা- ইংরেজি- কেরানির ভুল’- এসব কল্পকাহিনী

গোলাম মোর্তােজা: বাংলাদেশ ব্যাংকের কাস্টোডিয়ান তা খাতায় পুঙ্খানুপুঙ্খ লিপিবদ্ধ করেন। ব্যাংকের চেক যেভাবে লেখা হয়, অঙ্কে এবং কথায় ক্যারেটসহ স্বর্ণের বিবরণও সেভাবে লেখা হয়। ৪ কে ৮ মনে করার কোনো সুযোগ নেই।’
‘বাংলা- ইংরেজি- কেরানির ভুল’- এসব কল্পকাহিনী।
বাংলাদেশ ব্যাংকের দাবি,বাংলা-ইংরেজির বোঝার ভুল। যদি কথায় লেখা না হয়, তাহলে ভুল বোঝার একটা সম্ভাবনা কী থেকেই যায় না? খন্দকার ইব্রাহিম খালেদ বললেন,
‘কথায় এবং অঙ্কে লেখাটা নিয়ম। এখানে যদির কোনো সুযোগ নেই। আর যদি কথায় লেখা না হয়, তবে সেটাও একটা অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে।’
বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃপক্ষ কী স্বাক্ষর করা কাগজ এবং লেখার সেই খাতাটি গণমাধ্যমের সামনে দেখাবেন?
বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃপক্ষ বলছেন, ছয় স্তরবিশিষ্ট কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা পেরিয়ে ভল্ট এরিয়াতে নির্দিষ্ট দু’তিনজন ছাড়া কারও যাওয়ার সুযোগ নেই। স্বর্ণের বার পরিবর্তন করা অসম্ভব।
স্বস্তি পাওয়ার মতোই কথা। এই স্বস্তিদায়ক কথাতেও আস্থা রাখা যাচ্ছে না। রিজার্ভ চুরির সময়েও তারা কয়েক স্তরবিশিষ্ট কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থার কথাই বলেছিল।
আরও একটি কথা, ২০১৫ সালে ভল্ট এরিয়া থেকে ইন্ডিয়ান স্টেট ব্যাংকের একজন কর্মকর্তা যে ৫ লাখ টাকা চুরি করেছিলেন, তা কী করে সম্ভব হয়েছিল? তখন কী ছয় স্তরবিশিষ্ট নিরাপত্তা ব্যবস্থা কার্যকর ছিল না?
টাকাসহ ধরা পড়ার পরে কী ব্যবস্থা নেয়া হয়েছিল যিনি ধরা পড়েছিলেন তার বিরুদ্ধে এবং নিরাপত্তার দায়িত্বে যারা নিয়োজিত ছিলেন তার বা তাদের বিরুদ্ধে?
প্রশ্নগুলোর উত্তর যদি বাংলাদেশ ব্যাংক পরিষ্কার করে জানায়, নিশ্চয় হারানো জনআস্থা অনেকটা ফিরে আসবে।

পরিচিতি: ‘সাপ্তাহিক’ পত্রিকার সম্পাদক

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ