প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

এপিজির কো-চেয়ারের দায়িত্বে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর রাজী হাসান

ফয়সাল মেহেদী: বাংলাদেশের পক্ষে এশিয়া প্যাসিফিক গ্রুপ অন মানিলন্ডারিংয়ের (এপিজি) কো-চেয়ারের দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর ও বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের প্রধান আবু হেনা মোহা. রাজী হাসান।

শুক্রবার নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে অনুষ্ঠিত এপিজির ২১তম বার্ষিক সাধারণ সভায় তিনি এই দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় ৪১টি দেশ ও বিশ্বের ৩০টি অবজার্ভার দেশ ও সংস্থার সংগঠন এশিয়া প্যাসিফিক গ্রুপ অন মানিলন্ডারিং (এপিজি)। এর মূল কাজ- এই অঞ্চলের দেশগুলোর মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধে আন্তর্জাতিক মানদন্ড বাস্তবায়ন এবং এ লক্ষ্যে দক্ষতা বৃদ্ধিতে কাজ করা। বাংলাদেশ ২০১৮-২০ মেয়াদে অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে যৌথভাবে এই অঞ্চলের মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধ কার্যক্রমে নেতৃত্ব প্রদান করবে।

এপিজির ২১তম বার্ষিক সাধারণ সভায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়, দুর্নীতি দমন কমিশন, বাংলাদেশ পুলিশ, মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, ডিজিএফআই, বিএসইসি, বিমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণকারী কতৃপক্ষ এবং বিএফআইইউ হতে ১৭ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল অংশগ্রহণ করেন।

দায়িত্ব গ্রহণকালে রাজী হাসান সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদের বিরুদ্ধে বর্তমান সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির উপর গুরুত্বারোপ করে মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধে আন্তর্জাতিক উদ্যোগ বাস্তবায়নে বর্তমান সরকারের অঙ্গীকার বিভিন্ন দেশ ও অবজার্ভার সংস্থা হতে উপস্থিত প্রায় ৫০০শত প্রতিনিধির সামনে উপস্থাপন করেন।

দায়িত্ব গ্রহণের আনুষ্ঠানিক বক্তব্যে রাজী হাসান এপিজির ম্যান্ডেট বাস্তবায়নের পাশাপাশি আর্থিক অন্তর্ভূক্তির মাধ্যমে মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধ, আন্তর্জাতিক ব্যাংক কর্তৃক স্থানীয় ব্যাংকের সঙ্গে করেসপন্ডেন্ট ব্যাংকিং সম্পর্ক ছিন্ন করা এবং এর ফলে উদ্ভাবিত ঝুঁকি মোকাবেলায় করণীয় বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন।

মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধ ব্যবস্থা জোরদারকরণে তিনি সদস্য দেশের এফআইইউর কর্মকর্তাদের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের ব্যবস্থাকরণ, তদন্তকারী সংস্থার জন্য আর্থিক বিষয় তদন্তের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং বিচারক ও আইনজীবীদের মানিলন্ডারিং, সন্ত্রাসে অর্থায়ন বিষয়ক মামলা পরিচালনার বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদানের উপরও গুরুত্বারোপ করেন।