প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

আমলারা নন-পলিটিক্যাল পলিটিশিয়ান

অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার: ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি অভিনব নির্বাচনবিহীন সরকার প্রধানমন্ত্রীকে বিতর্কিত করেছে, গণতন্ত্রের উপর লেপন করেছে কালিমা, এ জেনেও বর্ণিত ঘটনাগুলো স্মরণ করিয়ে দেয় যে, আর একটি একতরফা নির্বাচনের দিকেই প্রধানমন্ত্রী এগুচ্ছেন। কারণ সাংবিধানিকভাবেই রাষ্ট্রের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা প্রধানমন্ত্রী স্বয়ং।

প্রতিটি নাগরিকের জানমালের নিরাপত্তা বিধান করা তার সাংবিধানিক দায়িত্ব ও কর্তব্য এবং এ মর্মে তিনি শপথবাক্য পাঠ করেছেন। ইতোপূর্বে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ যারা বিভিন্নভাবে হেনেস্থা হয়েছে, সে অভিযুক্তদের কোনোপ্রকার বিচারের সম্মুখীন হতে হয়েছে কি না জানা নেই, তবে বিষয়টির সত্যতা সম্পর্কে বিবেচনায় নিবেন সম্মানিত পাঠক সমাজ। প্রধানমন্ত্রী ও শাসকদলের প্রধান এক ব্যক্তি হলে দায়িত্ব পালনে তাদের ঘধঃঁৎব ধহফ ঈযধৎধপঃবৎ এক হওয়া সাংবিধানিক নয়। শাসকদলের প্রধান তার দলকে ক্ষমতায় আনার জন্য প্রতিপক্ষের জানমালের নিরাপত্তাহীনসহ ভয় আতঙ্কের পদক্ষেপ নিলে বেআইনি হবে, কিন্তু শপথ ভঙ্গ হবে না। কিন্তু প্রতিপক্ষ বা সমালোচকদের জানমাল ও নিরাপত্তার বিঘ্ন করে প্রধানমন্ত্রী কি তার শপথ ভঙ্গ করলে না?

দলীয় প্রধান রাজনৈতিক নেতাকর্মী ভিত্তিক এবং প্রধানমন্ত্রী রয়েছেন আমলা ভিত্তিক। আমলারা বিশেষ করে বর্তমান আমলারা ঘড়হ-চড়ষরঃরপধষ চড়ষরঃরপরধহ অর্থাৎ রূপ বদলানোর দরজা তাদের জন্য সব সময়ই খোলা রাখে। প্রধানমন্ত্রী এখন আমলাদের ব্যবহার করছেন, নাকি আমলাকর্তৃক ব্যবহ্নত হচ্ছেন তা সময়ই বলে দিবে। এ কথাগুলো আলোচনায় আনলাম এ জন্য যে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর টেলিফোনে নির্দেশ দেওয়ার পরও কুষ্টিয়া পুলিশ সুপার, মাহমুদুর রহমানের নিরাপত্তা দিলেন না কেন? তবে কি পুলিশ প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশের অপেক্ষায় ছিলেন? নাকি ভিন্ন কিছু (!)

বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি ২৪-৭-১৮ তারিখে বলেছেন যে, মাহমুদুর রহমানের বিষয়টি তিনি দেখবেন। দেখা যাক তিনি কতটুকু দেখেন বা দেখতে পারেন। এ জন্য জাতি নিশ্চয় অধীর আগ্রহে থাকবে।
লেখক : কলামিস্ট ও আইনজীবী (অ্যাপিলেট ডিভিশন)

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত