প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

তিন সিটিতেই গণগ্রেফতার

ডেস্ক রিপোর্ট : দায়িত্বরত দলের নেতাকর্মীদের বেছে বেছে গণগ্রেফতার শুরু করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। নির্বাচনি এলাকা থেকে গ্রেফতার করে আটক দেখানো হচ্ছে অন্য জেলায়। রাজশাহীতে দেড় শতাধিক নেতাকর্মীকে আটক করে অন্য জেলায় নিয়ে আটক দেখানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ধানের শীষের মেয়র প্রার্থী মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল।

তিনি বলেন, দলের সক্রিয় নেতাকর্মীদের বেছে বেছে গ্রেফতার করা হচ্ছে। এ বিষয়ে ইসিতে বারবার অভিযোগ করা হলেও কোন প্রতিকার পাওয়া যাচ্ছে না। বরিশালে বিএনপি নেতাকর্মীদের গ্রেফতার বা হয়রানি না করতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। যতই নির্বাচনের দিন ঘনিয়ে আসছে ততই যেন রাজশাহী, সিলেট ও বরিশাল সিটিতে সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে সংশয় বেড়ে যাচ্ছে। আওয়ামীপন্থীদের আচরণবিধি লঙ্ঘনের হিড়িক, বিএনপির গণসংযোগে বাধা, গণগ্রেফতার, মামলা, হামলা ও তুলে নিয়ে যাওয়া নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশকে নষ্ট করে দিচ্ছে। আওয়ামী লীগের প্রার্থী সমর্থকরা নির্বাচনকে সামনে রেখে টাকার খেলায় মেতেছেন, জোরজবরদস্তি রাস্তা বন্ধ করে চালানো হচ্ছে প্রচারণা। বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, তিন সিটি নির্বাচনি এলাকায় গাজীপুর ও খুলনা মডেলের নির্বাচন করতে গণগ্রেফতার শুরু করেছে। নির্বাচনি এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করতেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ব্যবহার করছে সরকার। তিনি বলেন, খোদ নির্বাচন কমিশনই আচরণবিধি লঙ্ঘন করছে। নির্বাচনে দায়িত্বরত কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন বিশ^বিদ্যালয়ের ভিসি, মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ, ডাক্তার, সিভিল সার্জন এমনকি পুলিশও ক্ষমতাসীন দলের পক্ষে নির্বাচনি প্রচারণায় অংশ নিচ্ছেন। ইসির সচিব বিএনপির অভিযোগ আমলে নিবে দূরে থাক তিনি উল্টো সাংবাদিকদের বলছেন সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে বিএনপি নেতাকর্মীদের আটক করা হচ্ছে। : এদিকে আপিল বিভাগের নির্দেশনা অমান্য করে বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে রাজনৈতিক নেতা, সমর্থক ও প্রচারণাকারীদের গ্রেফতার ও হয়রানি না করার নির্দেশনা দিয়েছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে বরিশাল সিটি করপোরেশন এলাকায় বিএনপির নেতা, কর্মী, সমর্থক, ভোটের প্রচারণাকারীদেরকে মহানগর পুলিশের গণগ্রেফতার, হয়রানি করা কেন অবৈধ ও আইনবহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। চার সপ্তাহের মধ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সচিব, নির্বাচন কমিশন, পুলিশের মহাপরিদর্শক, বরিশালের পুলিশ কমিশনার ও পুলিশ সুপারকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। : বৃহস্পতিবার এ সংক্রান্ত এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি শেষে বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি মো. আশরাফুল কামালের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রুলসহ এ আদেশ দেন। আদালতে রিটের পে শুনানি করেন আইনজীবী সগীর হোসেন লিওন। বরিশালে সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে বিএনপি নেতাকর্মীদের গ্রেফতারের অভিযোগে বরিশালের বিএনপির মেয়রপ্রার্থী মজিবর রহমান সরোয়ার গত বুধবার রিট আবেদনটি করেন। গতকাল ওই রিটের শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।

প্রসঙ্গত, এর আগে গত মঙ্গলবার সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠানের ল্েয গ্রেফতার বিষয়ে আপিল বিভাগের নির্দেশনা অমান্য করে সিটি করপোরেশনে বিএনপির নেতা, সমর্থক ও নির্বাচন প্রচারণাকারীদের গ্রেফতার ও হয়রানি না করতে নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। : সিলেট অফিস জানায়, সিলেটে ককটেল হামলায় পুলিশের এক উপ-পরিদর্শক (এসআই) আহত হয়েছেন। আহত এসআই রায়হান আহমদ দণি সুরমার কদমতলী ফাঁড়িতে কর্মরত রয়েছেন। এসময় তার মোটরসাইকেলটিও তিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানা গেছে। : বুধবার (২৫ জুলাই) রাত সাড়ে ৯টার দিকে দণি সুরমার হুমাযুন রশীদ চত্বর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। প্রত্যদর্শীরা জানান, ঘটনার সময় মোটরসাইকেলে ছিলেন এসআই রায়হান। এমন সময় দুর্বৃত্তরা তাকে ল্য করে ককটেল নিপে করলে তিনি মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে পড়েন। তাৎণিক স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। : দণি সুরমা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খায়রুল ফজল বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আবু রায়হান ডিউটি শেষ করে বাসায় যাওয়ার পথে এ হামলা হয়। এসময় একটি ককটেল বিস্ফোরিত হয়। এছাড়া দুটি অবিস্ফোরিত ককটেল উদ্ধার করেছে পুলিশ। তিনি জানান, হুয়ায়ুন রশীদ চত্বর এলাকায় যাওয়ার পর একদল যুবক মিছিল সহকারে এসে তাকে ল্য করে কয়েকটি ককটেল নিপে করে। ককটেল বিস্ফোরণে এসআই রায়হান আহত হন। তবে ঘটনার পর কে বা কারা কোন প্রার্থীর পে মিছিল নিয়ে এসে হামলা করা হয়েছে সে বিষয়টি জানাতে পারেননি ওসি ফজল। ওসি জানান, আহত আবু রায়হান ওসমানী হাসপাতালে চিকিৎসা গ্রহণ করে বাসায় ফিরেছেন। : এদিকে এই হামলার ঘটনায় ৪৮ জন বিএনপি নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। বুধবার রাতে আহত এসআই আবু রায়হান আহমদ দণি সুরমা থানায় এ মামলাটি করেন। : রাজশাহী অফিস জানায়, রাজশাহী সিটিতে আজ শুক্রবার থেকেই সেনাবাহিনী মোতায়েন করা না হলে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয় বলে দাবি করেছেন বিএনপি তথা ২০ দলীয় জোটের মেয়রপ্রার্থী মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল। নির্বাচন কমিশনের অসহযোগিতা এবং বিশেষ দল হতে নিয়োগপ্রাপ্ত পুলিশ বাহিনীর অত্যাচার, পক্ষপাতিত্ব ও গণগ্রেফতারের অভিযোগে গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই দাবি জানান।

নগরীর মালোপাড়ায় বিএনপি অফিসে অনুষ্ঠিত এই সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন দলের জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য বাবু গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা, সাবেক মেয়র ও এমপি মিজানুর রহমান মিনু, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা শাহজাহান মিয়া, মহানগর বিএনপির সভাপতি মেয়র প্রার্থী মোহাম্মদ মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল, মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. শফিকুল হক মিলন, জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য অ্যাড. নিপুন রায়, জেলা বিএনপি সভাপতি অ্যাড. তোফাজ্জল হোসেন তপু, জেলা বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম মোস্তফা মামুন, তানোর পৌরসভার মেয়র মিজানুর রহমান, মহানগর যুবদলের সাবেক সভাপতি ওয়ালিউল হক রানা, বর্তমান সভাপতি আবুল কালাম আজাদ সুইট, জেলা যুবদলের সভাপতি মোজাদ্দেদ জামানী সুমন ও মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান রিটন প্রমুখ। মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল বলেন, ২৬ জুলাই থেকে এ পর্যন্ত আওয়ামী লীগের প্রার্থী কর্তৃক এ পর্যন্ত ২৯টি নির্বাচন আচরণবিধি ভঙ্গের অভিযোগ নির্বাচন কমিশনের দায়ের করা হলেও এ যাবৎ নির্বাচন কমিশন কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। পক্ষান্তরে আওয়ামী লীগের নির্বাচন আচরণবিধি লংঘনের কর্মকা-কে সমর্থন করেছে। নির্বাচনী আচরণ বিধিমালা লঙ্ঘন করে মামলা অথবা ওয়ারেন্ট ছাড়া কাউকে গ্রেফতার করা যাবে না। কিন্তু নির্বাচন কমিশনের সেই আদেশ লঙ্ঘন করে আওয়ামী লীগ প্রার্থী ও তার নেতাকর্মীদের যোগসাজশে পুলিশ প্রশাসন গণগ্রেফতার অব্যাহত রেখেছে। এই গ্রেফতার অভিযানে এ পর্যন্ত আমাদের প্রায় ১৫০ জন নেতাকর্মী এবং পোলিং এজেন্টকে অন্যায় ও অমানবিকভাবে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশ এবং নৌকা প্রতীকের নেতাকর্মীরা যৌথ উদ্যোগে বেছে বেছে আমাদের পোলিং এজেন্ট এবং নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়কদেরকে গ্রেফতার করে পাবনা, নাটোর ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার অধীন বিভিন্ন রকমের জঘন্যতম মামলার আসামি করে কোর্টে চালান করছে এবং রাজশাহী জেলা পুলিশের অধীনে গোদাগাড়ী উপজেলা এবং পুঠিয়া উপজেলার বিভিন্ন মামলার গ্রেফতার দেখানো হচ্ছে। এছাড়াও আমাদের নেতাকর্মীদেরকে মিথ্যাভাবে জে.এম.বি ও জামায়াত-শিবিরের সাথে, এমনকি রাষ্ট্রদ্রোহমূলক পেন্ডিং মামলাতেও জড়ানো হয়েছে। এ ঘটনা মানবাধিকার লঙ্ঘন, আইনের শাসন লঙ্ঘন, ব্যক্তি স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ। এ সকল ঘটনায় প্রমাণিত হয় বর্তমান সরকার ও নির্বাচন কমিশনের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়। সাংবাদিক সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, গত ৩/৪ দিন ধরে দেখা যাচ্ছে রাজশাহীর কিছু চিহ্নিত সন্ত্রাসী দ্বারা বিএনপির ১১ নং ওয়ার্ড, ২৩ নং ওয়ার্ড, ২৫নং ওয়ার্ডের নির্বাচনী কার্যালয় ভাঙচুর করে বন্ধ করে দিচ্ছে এবং এসব ন্যক্কারজনক কাজে পুলিশ প্রত্যক্ষভাবে সহযোগিতা করছে। প্রচার মাইকগুলোকে প্রচারে বাধা দান, কর্মীদেরকে মারধর এবং প্রচার কাজ বন্ধ করে দিচ্ছে। এসব অভিযোগ, আচরণবিধি লঙ্ঘন ও গ্রেফতারকৃত কর্মীদের তালিকা ক্রমান্বয়ে নির্বাচন কমিশনে জনালেও কোনো প্রতিকার হয়নি। রিটার্নিং অফিসারকে লিখিত এবং মৌখিকভাবে বার বার অভিযোগ গিয়ে কোনো প্রতিকার পাওয়া যায়নি। বুলবুল দাবি করেন, ভোটের তিন দিন আগে সেনাবাহিনী মোতায়েন করতে হবে। পোলিং এজেন্টসহ বিএনপির নেতাকর্মী ও ধানের শীষ প্রতীকের সমর্থনকারীদের গণগ্রেফতার বন্ধ করতে হবে।

গ্রেফতারকৃত নেতাকর্মীদের অবিলম্বে নিঃশর্ত মুক্তি দিতে হবে। চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের প্রতিরোধ করতে হবে। ভোটের দিন ভোট কেন্দ্রে জনগণের জান ও মালের নিরাপত্তা প্রদান করতে হবে। পক্ষগ্রহণকারী পুলিশ প্রশাসনের আক্রমণ হতে নেতাকর্মী ও পোলিং এজেন্টদের রক্ষা করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। : বরিশাল ব্যুরো জানায়, বরিশাল সিটি নির্বাচনের একেবারের শেষ সময়ে মেয়র প্রার্থীরা শ্রাবণের বারিধারা বৃষ্টি মাথায় উপো করে নগরীর অলিগলি সহ বিভিন্ন ওয়ার্ডে গণসংযোগ লিফলেট বিতরণ ও উঠান বৈঠক চালিয়ে যাচ্ছে। : অন্যদিকে নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রতিরাতে ধানের শীষ মার্কার প্রার্থীর ভোট কেন্দ্র এজেন্টসহ বিএনপি নেতা কর্মীদের উচ্চ আদালতের নির্দেশ অমান্য করে বিএনপির ধানের শীষের মনোনীত প্রার্থীদের কর্মী সমর্থকদের গ্রেফতার করা সহ বাসাবাড়ি তল্লাাশি চালিয়ে তাদের এলাকা থেকে বিতারিত কাজে লিপ্ত রয়েছে থানা পুলিশ। পুলিশ গত দু দিনে বিএনপির প্রার্থীর পুলিং এজেন্টসহ বিএনপি ও তার অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের গণহারে গ্রেফতার করছে । বিএনপির নেতাকর্মীরা প্রচারে নামলেই গ্রেফতার করছে পুলিশ । : গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে ধানের শীষের মনোনীত প্রার্থী মজিবর রহমান নগরীর ফিসারীরোডে থেকে তার নির্বাচনী শেষ মুহূর্তে গণসংযোগ শুরু করেন। : গণসংযোগের এক পর্যায়ে মিডিয়া কর্মীদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরে মেয়র প্রার্থী সরোয়ার বলেন, সরকার তার পুলিশ দিয়ে যতই বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করার চেষ্টা করুক আমরা নির্বাচনের শেষ সময় পর্যন্ত মাঠে থাকব। : আমরা আগেও বলেছি সরকারি দলের মেয়র প্রার্থী নির্বাচন আচরণ বিধি ভঙ্গ করে নির্বাচনের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। অথচ পুলিশ বা প্রশাসন তাদের কিছু বলছে না। : আমরা যেখানেই যাই পুলিশ সেখানে গিয়ে বাধা দিয়ে উঠান বৈঠক সভা ভেঙে দিচ্ছে। পুলিশ আমাদের কোন প্রচারণা চালাতে দিচ্ছে না । : সরোয়ার বলেন আমাদের এই নির্বাচন গণতন্ত্র উদ্ধার ও বিএনপি চেয়ারপারসনের মুক্তির জন্য নির্বাচন। : এছাড়া পুলিশ আমাদের পুলিং এজেন্ট,দলীয় নেতা-কর্মীদের গ্রেফতার করাসহ প্রতিরাতে তাদের নেতাকর্মীদের বাসাবাড়িতে হানা দিয়ে তাদের তাড়িয়ে দিয়ে এলাকা ছাড়া করার দায়িত্ব পালন করছেন। : পুলিশ উচ্চ আদালতের নির্দেশ উপো করে কোন কারণ ছাড়াই দলীয় কর্মীদের গ্রেফতার করে নতুন নতুন মামলায় জড়িয়ে দিয়ে আদালতে চালান দেয়া হচ্ছে। : আমরা প্রধানমন্ত্রী ও সিইসির প্রতি আস্থা রেখে নির্বাচনে অংশ নিয়েছি কিন্তু তাদের কথার সাথে পুলিশ ও সরকার দলীয় লোকের কাজের কোন মিল খুঁজে পাচ্ছি না। : এতে করে গ্রেফতার আতঙ্কে নির্বাচনের ভোটের পরিবেশ বিঘিœত হচ্ছে। :

সরোয়ার আরো অভিযোগ করেন গত দুদিনে ১৫ জন নেতা-কর্মীকে আটক করে এদের মধ্যে ধানের শীষের পোলিং এজেন্ট রয়েছে। : বুধবার রাতে নগরীর পলাশপুর এলাকায় রাতে কাউনিয়া থানা পুলিশ ধানের শীষ মার্কার পোুলিং এজেন্ট মোঃ মুসাসহ বিএনপি কর্মী মোঃ রাসেল, ৩০ নং ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি ও ধানের শীষের পোলিং এজেন্ট জসিম ও মোঃ হাবীব নামের ৩ কর্মীকে গ্রেফতার করেছে। : এছাড়া মোঃ বাদশা খন্দকার, মোঃ হানিফ হাওলাদার, জামাল শেখ, কারী আঃ মন্নান ও বেলায়েত হোসেন খোকনের বাসায় হানা দেয় পুলিশ। : সরোয়ারের সাথে গণসংযোগে অংশ নেয় সাবেক সংসদ সদস্য নাজিম উদ্দিন আলম, সাবেক মহানগর বিএনপি যুগ্ম আহবায়ক এ্যাড. আলী হায়দার বাবুল, মহানগর বিএনপি যুগ্ম সম্পাদক আনায়ারুল হক তারিন। : পরে চৌহুতপুর এলাকায় উঠান বৈঠক করে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট প্রদান করার আহবান জানান। : এদিকে গতকাল বিএনপি অফিসে এক সংবাদ সম্মেলন প্রধান নির্বাচন সমন্বনকারী বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেছেন, পুলিশ কোন কারণ ছাড়াই বিএনপিসহ ২০ দলীয় জোটের নেতাকর্মীদের গ্রেফতার ও হয়রারি করছে এবং বাসায় বাসায় গিয়ে তল্লাশি চালাছে। নেতাকর্মীরা প্রচারে নামলেই পুলিশ তাদের গ্রেফতার করছে। তিনি বলেন আওয়ামী লীগ বরিশাল মহানগরীর বাহির থেকে অস্রধারী সন্ত্রাসীদের এর জমায়েত করেছে। তিনি এদের অবিলম্বে গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন । তারা অস্ত্রের মহড়া দিলেও পুলিশ নিরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছে। পুলিশের গ্রেফতার আতংকের কারণে বিএনপিসহ ২০ দলীয় জোটের নেতাকর্মীরা রাতে ঘরে ঘুমাতে পারেনা। তবে আওয়ামী লীগ ও পুলিশ যতই অত্যাচার ও নির্যাতন করুক না কেন বিএনপি নেতাকর্মীরা মাটি কামড়িয়ে হলেও মাঠে থাকবে । : সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান বেগম সেলিমা রহমান, বিএনপির মেয়র প্রার্থী বিএনপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব অ্যাভোকেট মজিবর রহমান সরোয়ায়, বিএনপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাভোকেট বিলকিস জাহান শিরীন, বরিশাল দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি এবায়েদুল হক চাঁন, উত্তর জেলা বিএনপির সভাপতি মেজবাহ উদ্দিন ফরহাদ, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবুল কালাম শাহীন, বিএনপি কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠরিক সম্পাদক আকন কুদ্দুসুর রহমান, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুল হক নান্নু, বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মোহাম্মদ রহমাতুল্লাহসহ বিএনপি ও তার অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন । সূত্র : দিনকাল

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ