প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

স্বর্ণ পদক পেলেন ১৬৩ জন কৃতি শিক্ষার্থী
মেয়েরা এগিয়ে যাচ্ছে, ছেলেদেরও পড়াশোনায় মনোযোগী হতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

সজিব খান: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজ বিভিন্ন পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৬৩ জন কৃতি শিক্ষার্থী স্বর্ণ পদক পেয়েছে । এতে আমি অনেক খুশি হয়েছি। তবে আমি আরেকটু চিন্তিত হয়েছি যে এখানে মেয়েদের সংখ্যা ১০৬ জন। ছেলেরা পিছিয়ে কেনো থাকবে? তাদের পড়াশোনায় আরেকটু মনোযোগী হতে হবে। তবে মেয়েরা এগিয়ে যাচ্ছে এটা সত্যিই অনেক আনন্দের যেখানে এ দেশে মেয়েদেরকে অবহেলা করা হতো, পড়াশোনার সুযোগ দেয়া হতো না। সেখানে আজ মেয়েরা পড়াশোনা করে স্বর্ণ পদক অর্জন করছে।

বুধবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হলে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন আয়োজিত বিভিন্ন পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক প্রদান অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, আমাকে বলা হয়েছিল ১২ জনকে স্বর্ণ পদক তুলে দিতে কিন্তু আমি বলেছিল ১২ জনকে কেনো সবাইকেই আমি স্বর্ণপদক তুলে দিবো। আর আজকে আমি গর্বিত যে আমি আমার সোনার ছেলে মেয়েদেরকে স্বর্ণ পদক দিতে পারলাম। জাতির পিতার সোনার ছেলে মেয়ে আজকে এখানে উপস্থিত। তিনি বলেন, আমাদের প্রত্যেকটি ছেলে মেধাবী। শুধু তাদের সুযোগ করে দিতে হবে। আমরা। সব মেধাবী এই সুযোগ টা করে দিতে চাই।

তিনি আরো বলেন, দেশের উন্নয়নের জন্য দরকার শিক্ষা ও শিক্ষিত জনগোষ্ঠী। এজন্যই আমরা উচ্চশিক্ষা ও গবেষণাকে গুরুত্ব দিচ্ছি। যেটির পথ দেখিয়েছেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

শেখ হাসিনা বলেন, মাত্র ছয়টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় দিয়ে আমাদের যাত্রা শুরু হয়েছিল। তখন সাড়ে সাত কোটি মানুষ ছিল। এখন আমাদের ষোল কোটি মানুষ। আমরা আমাদের শিক্ষার প্রসার ঘটাচ্ছি। যেটা জাতির পিতার স্বপ্ন ছিল, লক্ষ্য ছিল। কাজেই এখন পাব্লিক বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে। এখন প্রায় প্রতিটি জেলায় আমরা বিশ্ববিদ্যালয় করেছি। বড় জেলাগুলোতে ইতোমধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় হয়েছে। অন্যান্য জেলাগুলোতেও করে দিচ্ছি। এই সমস্ত কিছু দেখার জন্য আমি মনে করি মঞ্জুরি কমিশন যে আকারে আছে সে আকারে এটা কখনো সম্ভব না। সে কারণে আমরা একটা উচ্চ শিক্ষা কমিশন গঠন করবো এবং এর অবকাঠামো ও সবকিছু জাতির পিতার নির্দেশিত পথে হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় এসে আমরা শিক্ষা কমিশন গঠন করি। কিন্তু সেই কমিশনের প্রতিবেদনও বাস্তবায়ন করা যায়নি। আমাদের মেয়াদ ফুরিয়ে যায়। বিএনপি জামায়াত ক্ষমতায় এসে দেশকে জঙ্গিবাদ-সন্ত্রাসবাদ উপহার দেয়। ২০০১ এর পর যারা এসেছিল। তারা এ দেশকে অনেক পিছিয়ে দিয়েছিল। আমরা চাই দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে। আমরা চাই এ দেশকে ক্ষুধামুক্ত দারিদ্রমুক্ত করে গড়ে তুলবো। আমরা ২০৪১ সালের মধ্যে দক্ষিণ এশিয়ায় উন্নত সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে গড়ে  তুলবো। দেশে একটি মানুষ দরিদ্র থাকবে না। উন্নত ও সমৃদ্ধ দেশ হবে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত