Skip to main content

স্থানীয় সরকার নির্বাচনের শিক্ষা

প্রভাষ আমিন: দেশে এখন নির্বাচনি হাওয়া বইছে। যদিও স্থানীয় সরকার নির্বাচন, তবুও আগামী জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে এ নির্বাচনি হাওয়া রাজশাহী, বরিশাল, সিলেট সিটি করপোরেশন ছাড়িয়ে সারা দেশেই ছড়িয়ে পড়েছে। এই হাওয়ার উৎপত্তি খুলনায়। গাজীপুর হয়ে তা এখন ছড়িয়েছে দেশজুড়ে। এই সিটি করেই করপোরেশন নির্বাচনগুলো নির্বাচন কমিশন এবং সরকারের জন্য এসিড টেস্ট। একটি ভালো নির্বাচন করার সমতা নির্বাচন কমিশনের আছে কিনা, এই নির্বাচনে তার প্রমাণ হবে। সরকারের ডাবল পরীা। এই সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব কিনা এবং তাদের জনপ্রিয়তা আছে কিনা; দুটো পরীক্ষা একসঙ্গে দিতে হয়। তবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন সবসময়ই বিরোধী দলের জন্য লাভজনক। হারলে বলবে, এ সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়। জিতলে বলবে, জনগণ সরকারকে প্রত্যাখ্যান করেছে। খুলনা এবং গাজীপুরে সরকার জনপ্রিয়তার পরীায় জিপিএ-৫ পেয়েছে। তবে নির্বাচনের সুষ্ঠুতার প্রশ্নে নির্বাচন কমিশন ও সরকার পাশ মার্ক পেলেও খুব ভালো বলা যাবে না। খুলনা এবং গাজীপুরে জালভোট, এজেন্ট বের করে দেওয়া ইত্যাদি নানা অনিয়ম হয়েছে। এসব অনিয়ম না হলে ভালো হতো। কিন্তু বাংলাদেশের বাস্তবতায় এবং অতীত অভিজ্ঞতায় এটুকু অনিয়ম গ্রহণযোগ্য। স্থানীয় সরকার নির্বাচন মানেই সহিংসতা, রক্ষয়, প্রাণহানি। খুলনা এবং গাজীপুরে অন্তত তেমন কিছু হয়নি। স্থানীয় সরকার নির্বাচন একটু বেশি ঝুঁকিপূর্ণ। কারণ স্থানীয় সরকার নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী যেমন থাকেন, তেমনি থাকেন কাউন্সিলর ও মহিলা কাউন্সিলর প্রার্থীও। তাই নানামুখী অনিয়মের সুযোগ থাকে। খুলনা ও গাজীপুরে তাই হয়েছে। এছাড়া নানা ষড়যন্ত্রও হয় নির্বাচনকে ঘিড়ে। গাজীপুরে নাশকতাচেষ্টার একটি ষড়যন্ত্র ফাঁস হয়েছে। রাজশাহীতেও নিজেদের মিছিলে বোমা হামলা করে সরকারের ওপর দায় চাপানোর চেষ্টা হয়েছে। তবে খুলনা ও গাজীপুরে একটা জিনিস প্রমাণিত, সরকার চাইলে একটা পরি”ছন্ন নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্ভব। তবে সে েেত্র সতর্ক থাকতে সব ধরনের ষড়যন্ত্রের বিষয়ে। সতর্ক করতে হবে নিজেদের প্রার্থীদেরও। খুলনা এবং গাজীপুরের শিা কাজে লাগাতে হবে রাজশাহী, বরিশাল আর সিলেটে। লেখক : হেড অব নিউজ, এটিএন নিউজ

অন্যান্য সংবাদ