Skip to main content

‘কমিটির নির্মোহ ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ ’

আশিক রহমান : কোটা বিষয়টিই করা হয় একটি বিশেষ পরিস্থিতি মাথায় রেখে। যেমন মহান মুক্তিযুদ্ধের পরে মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য কোটা করা হয়েছে। বিশেষ পরিস্থিতি, বিশেষ প্রয়োজনে, বিশেষ কারণে কোটার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। সেখানে মহামান্য আদালতের রায়ও নাকি রয়েছে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানরা কোটার সুবিধাপ্রাপ্ত হবেন। এই পর্যন্ত যদি থাকত, আর বাকি কোটা বিচার-বিচেনা করে অবশ্যই তা সংস্কার করা যেত। এমন মন্তব্য করেছেন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা রাশেদা কে. চৌধুরী। এ প্রতিবেদকের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যখন বললেন যে, কোটা ব্যবস্থা বাতিল করা হলো, আমরা তখন এর পরবর্তী পদক্ষেপ কী হয় দেখতে অপেক্ষা করছিলাম। এখন কমিটি গঠিত হয়েছে। কমিটি যদি নির্মোহভাবে কাজ করে বর্তমান আর্থসামাজিক পরিস্থিতি বিবেচনায় তাহলে সমাধান আসবে। মুক্তিযুদ্ধের পর এতবছর পার হয়ে গেল, আমরা তো বলছি পশ্চাৎপদ অনেক জনগোষ্ঠীকে সামনে আনতে সক্ষম হয়েছি, তা বাংলাদেশের বড় একটি অর্জন। তিনি আরও বলেন, কোটা ব্যবস্থা সংস্কার খুবই প্রয়োজন। কোটা অনন্তকাল, অনাদিকাল ধরে চলতে পারে না। চলেও না কোথাও।  যুগের প্রয়োজনে, সমাজের চাহিদা অনুযায়ী পরিবর্তন, সংস্কার হতেই পারে। সবকিছু বিবেচনা করে নীতিনির্ধারকেরা সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিবেন। সেখানে কমিটির নির্মোহ ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাদের বর্তমান আর্থসামাজিক, নতুন প্রজন্মের প্রত্যাশা সামনে রেখে তারা নিশ্চয়ই ভূমিকা পালন করবেন।  

অন্যান্য সংবাদ