Skip to main content

‘তুমি চোরকে বলো চুরি করো, পুলিশকে বলো ধরো ধরো’

মোস্তফা ফিরোজ: তাজ্জব ঘটনা ঘটে চলেছে। হামলার ঘটনাগুলো হচ্ছে প্রকাশ্যে। তার ভিডিও চিত্র আছে। স্থির চিত্র আছে। দিনে-দুপুরে ঘটছে। ঘোষণা দিয়ে, পুলিশের সামনে হচ্ছে একের পর এক হামলা। তারপরও হামলা বন্ধ হচ্ছে না। হামলাকারীরা আটক হচ্ছে না। অথচ সরকার এসব ঘটনায় উদ্বেগ উৎকণ্ঠা প্রকাশ করছে। হামলার নীতিতে নয়, আইনের শাসনেও বিশ্বাস করেন বলছেন। কিন্তু তাহলে? হামলাকারিরা আটক হচ্ছে না কেন? হামলা বন্ধ হচ্ছে না কেন? এর কোন উত্তর নেই। কুষ্টিয়া ছাত্রলীগ মঙ্গলবার সংবাদ সম্মেলন করে বলেও দিলো কারা কারা হামলা করতে পারে। বললো, জামায়াত, বিএনপি, জঙ্গি, বিএনপির দুই গ্রুপের অন্তর্দ্বন্দ্বের ফল এটা। সবই জানে ছাত্রলীগ। তাহলে পুলিশ কি কিছু জানেনা? তারাতো ছাত্রলীগের সহায়তা নিতে পারে এই বিষয়ে। কিন্তু আমাদের পুলিশতো এত অদক্ষ নয়। যেমন তিন সিটিতে যে নির্বাচন হবে সেটা শান্তিপূর্ণ অবাধ ও নিরপেক্ষ করার জন্য রাতে রাতে ঠিক হানা দিয়ে চলেছে বাড়ি বাড়ি। কারা নির্বাচনে অশান্তি সৃষ্টি করতে পারে তাদের তালিকা সংগ্রহ করে অভিযান চলছে। এই অভিযানে আপত্তি বিএনপির। কিন্তু তাতে কান না দিয়ে পুলিশ অভিযান চালিয়েই যাচ্ছে। পারলে গর্ত খুঁড়ে বের করছে কথিত আসামীদের। কিন্তু কুষ্টিয়া, ঢাবি, রাবি, শহীদ মিনারসহ বিভিন্ন স্থানে ছাত্রলীগের নামে যারা হামলা করছে তাদেরকে কেন ধরতে পারছে না এটাই অবাক করার মতো ঘটনা। এরা কি পুলিশের থেকেও শক্তিশালী কোন বাহিনী যে পুলিশ ধরতে ভয় পাচ্ছে? অথচ সরকারের মন্ত্রীরা মনে প্রাণে চাচ্ছেন না এমন হামলার ঘটনা ঘটুক। যারা হামলা করছে তারা দলের না, হতে পারে অনুপ্রবেশকারি, এমন কথাও বলছেন তারা। কিন্তু বাস্তবে কোন ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না। প্রধান বিচারপতি পর্যন্ত আশ্বাস দিয়েছেন কুষ্টিয়ার ঘটনার বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়ার। কিন্তু কি হলো? কিছুই না। কোন হিসাবই মেলানো যাচ্ছে না। সত্যি তাই…অদ্ভূত উটের পিঠে চলেছে স্বদেশ…। লেখাটি ‘মোস্তফা ফিরোজ’র ফেসবুক থেকে নেয়া।

অন্যান্য সংবাদ