প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

১০ লাখ কোটি ডলারের বিশ্ববাণিজ্য ডিজিটালাইজড নয়

নূর মাজিদ: বিশ্ব বাণিজ্যে এখনও ডিজিলাইজেশনের সম্পূর্ণ আওতার বাহিরে রয়েছে লাখ কোটি ডলারের পণ্য। এই নিয়ে আন্তর্জাতিক আমদানি ও রপ্তানিকারকদের দুশ্চিন্তার অন্তঃ নেই।বিশেষ করে, এর ফলে তারা বাজারের প্রকৃত সরবরাহ এবং চাহিদা সম্পর্কে পূর্বাভাষ পেতে ব্যর্থ হচ্ছেন। এমন পরিস্থিতি অবসানে সাম্প্রতিক সময়ে তারা এই পণ্যগুলিকে ডিজিটাল বাজার ব্যবস্থার অংশ করবার কাজ শুরু করেছেন।

বিশ্ব বাণিজ্যে বর্তমানে নারিকেল তেল, কোকোয়া, তুলা এবং বিভিন্ন প্রকার ব্যবহার্য রাসায়নিক এখনও প্রচলিত বাজার ব্যবস্থায় লেনদেন করা হয়। এই সমস্ত পণ্য এবং এগুলো থেকে উৎপাদিত পণ্যের ব্যবসায় বিশ্ব বাণিজ্যের ভোক্তাপন্যের একটি বিশাল বাজার। যার অধিকাংশেই ডিজিটালিজড লেনদেন ও পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা অনুপস্থিত। সাম্প্রতিক সময়ে সিঙ্গাপুরের এক সরকারি প্রতিবেদনে এমন অবস্থার কথা জানানো হয়। এই সকল ভোগ্যপন্যের অন্যতম একটি প্রধান বাজার সিঙ্গাপুর।

এখনও এই ধরণের পণ্যের লেনদেন এশিয়ার বিভিন্ন উঠতি অর্থনীতির দেশে কাগজেই সম্পাদিত হয়। বিশেষ করে, ভারত, চীন ও ভিয়েনামের মতো বড় অর্থনীতির দেশে অধিকাংশ কৃষি, অশিল্পজাত পণ্যের লেনদেন বেশিরভাগ সময় কাগজকলম আবার কখনো মৌখিক চুক্তির ওপরই নির্ভরশীল। এই সমস্ত বাজারে একাধিক স্থানীয় মধ্যসত্ত্বভোগী এবং ফরিয়ার অস্তিত্ব রয়েছে। ফলে, প্রকৃত উৎপাদন ও বিক্রয়মূল্য নির্ধারণ করার কাজটিও বেশ জটিল।

তবে সাম্প্রতিক সময়ে অর্থনৈতিক উন্নয়নের তাগিদ থেকেই আন্তর্জাতিক ক্রেতা এবং সংশ্লিষ্ট দেশগুলির সরকার এই সমস্ত পণ্যের বাজারকে আরো শৃঙ্খলায় আনতে ডিজিটালাইজেশনের পদক্ষেপ নিচ্ছেন। বিশেষ করে অনেক সময় অনিয়ন্ত্রিত বাজার কোন কোন দেশের স্থানীয় পর্যায়ের উৎপাদকদের যথাযথ মূল্য থেকে বঞ্চিত করে। এবং বাজারে কৃত্তিম মূল্য সঙ্কট তৈরিতে ভূমিকা রাখে। অধিকাংশ সময়, এশিয়ার গণতান্ত্রিক দেশগুলোতে এমন উৎপাদক পর্যায়ের অসন্তোষ রাজনৈতিক ইস্যুতে পরিণত হয়। এসব কিছু মাথায় রেখেই বর্তমানে দেশগুলির সরকার এবং আন্তর্জাতিক ক্রেতারা ধীরে ধীরে এসব বাজারের পাইকারি কেনাবেচা ডিজিটাল পদ্ধতির আওতায় আনতে মনোযোগী হয়েছেন। সিএনবিসি

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত