Skip to main content

১২৫ বছর বয়সে এখনো প্রখর দৃষ্টি ও শ্রবণশক্তি শের আলী মিয়ার

সাজিয়া আক্তার : শের আলী মিয়া ১২৫ বছর বয়সেও এখনো স্পষ্ট দেখেন ও শোনেন। এখনো ১০০ বছর আগের স্মৃতি পরিষ্কার মনে পরে তার। শের আলীর জাতীয় পরিচয়পত্রে বয়স ১০০ দেখানো হলেও তার প্রকৃত বয়স ১২৫ বছর বয়স। তার পরিবারের দাবি পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি বয়সি পুরুষ তিনি। জীবনের প্রায় শেষ প্রান্তে এসেও এক প্রানবন্ত মানুষ শের আলী মিয়া। তিনি দেখেছেন সাত প্রজন্ম। এখনো প্রখর তার জ্ঞান, দৃষ্টি ও শ্রবণ শক্তি। ১৯১৪ সালে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরু যখন, তখন তিনি কৈশর থেকে যৌবনে পা রেখেছেন। শের আলী ও তার মামা আমজাদ আলীকে নাম লেখানো হয় বৃটিশ সৈন্য দলে, পরে অবশ্য তারা যুদ্ধে না গিয়ে পালিয়ে যায় ভারতের বনগাঁও। বয়জ্যেষ্ঠ শের আলী মিয়া বলেন, ১৯১৪ সালে তখন আমার ১৭-১৮ বছর বয়স, আমরা ১৮/১৯ মাইল পথ দূর হেঁটে চলে আসতাম। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় আমরাও নাম লিখিয়েছিলাম, কিন্তু পরে ভয়ে আবার ভারত পালিয়ে যাই। ১৯৪৬ সালে দেশ ভাগের পর পরিবারের সবাইকে নিয়ে প্রথমে সংসার পাতেন যশোরে। পরে চলে আসেন ঝিনাইদহের কূলবাড়ি গ্রামে। এলাকাবাসীর ও তার পরিবারের দাবি বেশি মানুষ হিসেবে গিনেস বুকে নাম থাকোক শের আলী মিয়ার। একই দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় প্রতিনিধিরাও। ঝিনাইদহের স্থানীয় প্রতিনিধি বলেন, বাংলাদেশের বয়জ্যেষ্ট পুরুষের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বয়সের পুরুষ শের আলী মিয়ার। তাই আমি সরকারের কাছে দাবি করবো উনার নামটা যেনো গিনেস বুকে লেখা থাকে। শের আলী মিয়া জন্মগ্রহণ করেন ১৮৯৩ সালের জুলাই মাসে। বর্তমানে ছেলে-মেয়ে ও নাতি-নাতনীসহ পরিবারের সদস্য ৯০ জন। সূত্র : একাত্তর টেলিভিশন