প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

দেশে এখনো পুষ্টি জাতীয় নিরাপদ খাদ্যের চ্যালেঞ্জ রয়েছে: আব্দুর রাজ্জাক

সাইদ রিপন: দেশের প্রক্ষাপটে এখনো পুষ্টি জাতীয় নিরাপদ খাদ্যের চ্যালেঞ্জ রয়েছে । উন্নত বিশ্বে খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ে সবাই সচেতন। কিন্তু শুধু আমাদের দেশেই এ নিরাপত্তার কোন সিকিউরিটি নেই। এজন্য বর্তমানে নিরাপদ
খাদ্য জাতির জন্য আতঙ্গে রুপ নিয়েছে।

মঙ্গলবার রাজধানীর ফার্মগেটে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বিএআরসি) কনফারেন্স রুমে এক সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাবেক খাদ্যমন্ত্রী এবং অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ডঃ আব্দুর রাজ্জাক এসব কথা বলেন।

সংলাপে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের নির্বাহী চেয়ারম্যান হরটেক্স ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কৃষিবিদ মো. মনজুরুল হান্নান। অর্থনীতিবিদ ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ, সাবেক তত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ও অর্থনীতিবিদ ড. হোসেন জিল্লুর রহমান এবং বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সদস্য ড. মোর্শেদ আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।

আব্দুর রাজ্জাক বলেন, আমি যখন খাদ্যমন্ত্রী ছিলাম তখন খাদ্য নিরাপত্তার জন্য একটি আইন করতে সরকারের কাছে প্রস্তাব করেছিলাম। তখন আমার প্রস্তাবে বেশ কয়েকজন মন্ত্রী বিরোধিতা করেছিলো। শুধু প্রধানমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রীর
সমর্থনে মাত্র আটমাসে এ আইনটি করতে পেরেছিলাম। তিনি বলেন, অনেকেই বলে দেশে খাদ্য নিরাপত্তা বলতে কিছু নেই। আসলে খাদ্য নিরাপত্তা আছে কিন্তু এটার বাস্তবায়ন নেই। এজন্য সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানসহ সবাইকে উদ্যোগ নিতে
হবে। তবে আমি আশা করছি অদূর ভবিষ্যতে নিরাপদ খাদ্য না হলেও কিছুটা খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।

বিশেষ অতিথির বক্তেব্যে ডঃ হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, কৃষি নিয়ে নীতিগত চিন্তা পরিবর্তন আনা দরকার। বর্তমানে দেশে খাদ্য নিরাপত্তা খুবই গুরুত্বপূর্ণ হলেও কৃষিনীতি ঠিক করে ভবিষ্যতে এগিয়ে যেতে হবে। কেননা বাংলাদেশকে উন্নয়নশীল দেশ হতে হলে গার্মেন্টস, রেমিটেন্সের সাথে সাথে দেশের কৃষিকে আধুনিক করতে হবে। কারণ সরকারি তথ্যমতে দেশের মোট জনসংখ্যার ৪৫ শতাংশ লোক এখনো কৃষির সাথে জড়িত। এজন্য অপার সম্ভবনার কৃষিখাতকে ধরে রাখতে হবে। তাহলে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই দেশের উন্নয়ন সম্ভব।

কৃষি মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব ও বিসেফ ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহি কর্মকর্তা আনোয়ার ফারুক বলেন, দেশের সকল মানুষের নিরাপদ খাদ্য অধিকার নিশ্চিত করার জন্য অর্থায়ন বাড়াতে হবে। এজন্য সরকারকে বাজেটে বরাদ্দ বৃদ্ধি করতে হবে। আর বরাদ্দকৃত ভর্তূকির টাকার সঠিক ব্যবহার করতে হবে। কৃষির উন্নয়নে স্বল্প সুদে ঋণের ব্যবস্থা করতে হবে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ