Skip to main content

নির্বাচনী প্রচারের যে কাজটি সেটা বানরের বাঁশ বেয়ে ওঠার মতো : শরিফুজ্জামান শরিফ

হ্যাপী আক্তার : বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি শরিফুজ্জামান শরিফ বলেছে, এক সময় নির্বাচন মানেই সকাল ৭টা থেকে মাইকিং শুরু হতো। রাস্তায় রাস্তায় কয়েক ধরনের কালার পোস্টার ও গেইট সাজানো থাকতো। সেই যে জায়গাগুলো থেকে নির্বাচনের মৌলিক যে জায়গাগুলো ছিলো সেগুলোর কতগুলো পরিবর্তন আমরা আনতে পেরেছিলাম। কিন্তু আমাদের এখানে নির্বাচনী প্রচারের যে কাজটি সেটা বানরের বাঁশ বেয়ে ওঠার মতো। আমরা তিন ফুট উঠি আর চার ফুট নেমে যাচ্ছি। এই যে পরস্পর পরস্পরের বিরুদ্ধে অভিযোগ। বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল যমুনা টিভির ‘২৪ ঘন্টা’ টক শো অনুষ্ঠানে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় শরিফুজ্জামান শরিফ বলেন, আমাদের যে স্থানীয় সরকার নির্বাচন সেগুলো এখনকার যে পর্যায়ে এসেছে, এই পর্যায়টি কিন্তু ছিলো না। আমরা নির্বাচনী জায়গায় কতগুলো পরিবর্তন আসতে সক্ষম হয়েছিলাম। তার উদাহরণে আমরা বলতে পারি ২০০৮ সালের নির্বাচন। তিনি বলেন, প্রশাসনকে ব্যবহার করে সুবিধাগুলো নেওয়ার চেষ্টা। সেই সুবিধাগুলো নেওয়ার কারণে বাংলাদেশের বাইরে যারা নির্বাচনী মাঠে রয়েছে তারা এই সুবিধাগুলো গ্রহণ করতে পারেন না। যার ফলে প্রচার-প্রচারণায় তারা পিছিয়ে পড়ছে। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকারি দলের প্রার্থীরা তারা প্রচারণা চালাচ্ছেন। কিন্তু এর বাইরে যারা নির্বাচনের প্রচারণা করতে চান তারা কিন্তু নানাভাবে বাধার সম্মুখীন হচ্ছেন। এমন কি পুলিশ দিয়ে জিজ্ঞাসা করা হয় যে আপনার সভা করার জন্য অনুমোতি আছে কিনা। একটি সামরিক সরকারের আমলেও নির্বাচনের অন্তত ৬ মাস আগে, সেটা স্থানীয় সরকার বা জাতীয় সংসদ নির্বাচন হোক, ঘরোয়া রাজনীতির উপরে কথা বলার যে নিষেধাজ্ঞাগুলো থাকে, সামরিক সরকারও সেই নিষেধাজ্ঞাগুলো প্রত্যাহার করে নেয়। তিনি আরো বলেন, কেউ কেউ মার্কা নিয়ে মিছিল করছে। অর্থাৎ সেই জায়গাগুলোতে প্রশাসন কাউকে সুবিধা দিচ্ছে আর কাউকে কথা বলতে দিচ্ছে না আবার প্রচারে বাধা দিচ্ছে। নির্বাচন কমিশন এই জায়গাটিতে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠা হিসেবে তাদের যে দায়িত্ব রয়েছে, তাদের সেই দায়িত্ব পালন করছেন না।

অন্যান্য সংবাদ