প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

সোমবার মধ্যরাত থেকে উঠে যাচ্ছে সমুদ্রে মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা

তরিকুল ইসলাম সুমন : ২৩ জুলাই মধ্য রাত থেকে সমুদ্রে মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা উঠে যাচ্ছে। মোট ৬৫ দিন (২০ মে থেকে ২৩ জুলাই) গভীর বঙ্গোপসাগরে সকল প্রকার বাণিজ্যিক ট্রলারের মাধ্যমে মাছ ও চিংড়ি ধরা শুরু হবে বলে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানাগেছে।

সাদা মাছ বা কার্প জাতীয় মাছের প্রজনন মৌসনুম হওয়ায় সাগরে মাছ ধরা বন্ধ ছিল। এই ৬৫ দিনে এসব প্রজাতির মাছ অধিকাংশই ডিম ছাড়ে। এর মাধ্যমে যদি ১০ থেকে ২০ ভাগও মাছ সংরক্ষণ করা যায় তাতেও আমাদের সমুদ্র এলাকায় বিপুল পরিমাণ মাছ বৃদ্ধি পাবে।

জরিপ জাহাজ আরভিমীন সন্ধানীর মাধ্যমে সমুদ্রজরিপ করে ইতোমধ্যে আমাদের সমুদ্রসীমায় ২৯৮ প্রজাতির মাছ, ২৩ প্রজাতির চিংড়িমাছ, ১৬ প্রজাতির ক্রাস্টেপিয়ান ও ১২ প্রজাতির মলাস্কা চিহ্নিত করা হয়েছে। সরকারের নানা পদক্ষেপের কারণে ইলিশ উৎপাদনর কারণে ২০১৭-১৮ সালে প্রায় ৫ লক্ষ টন ইলিশ উৎপাদিত হয়েছে। যা ২০০৮-০৯ সালে যা ছিল প্রায় ৩ লাখ টন।

এসময়ে দেশে থাকা ২৪৭টি বড় ধরনের ট্রলারও বাংলাদেশে সমুদ্র উপকূলীয় এলাকায় মাছ ধরার জন্য ৬৮ হাজারের মতো ছোট নজরদারীতে রাখা হয়েছিল। তবে এ দীর্ঘ সময় সমেিদ্র মাছ ধরা বিরত থাকার বিরোধীতা করে সময় পরিবর্তনের দাবি জানিয়েছে মেরিন ফিশারিজ অ্যাসোসিয়েশন। এরই ধারাবাহীকতায় মৎস্য অধিদপ্তরের পরিচালক (সামুদ্রিক) এ কে এম আমিনুল হকের নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি কমিটি করা হয়েছে।

মেরিন ফিশারিজ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এ কে সামসুদ্দিন খান বলেন, যে প্রক্রিয়ায় মাছের প্রজনন মৌসুম নির্ধারণ করা হয়েছে তা বাস্তবভিত্তিক নয়। ব্যবসায়ীরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে মৌসুমের সময় নির্ধারণের প্রস্তাব করেছেন।

অ্যালায়েন্স ডিপ সি ফিশিং লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জহির উদ্দিন আহমেদ জানান, সাগরে কয়েকশ’ প্রজাতির মাছ রয়েছে। এর মধ্যে সাদা মাছের প্রজনন হয় উপকূলে। মাছেরা এ সময় গভীর সমুদ্র থেকে তীরের কাছাকাছি চলে আসে। কিন্তু গভীর সমুদ্রে চিংড়িসহ অনেক মাছ আছে যেগুলো মাটির সাথে মিশে থাকে। ফলে গভীর সমুদ্রে মাছ ধরা পুরোপুরি বন্ধ করা যৌক্তিক নয়।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ