প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ছাত্রলীগকে সতর্ক করেছেন দলের সভানেত্রী : কাদের

আনিসুর রহমান তপন : সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনাকে দেয়া গণসম্বর্ধনা অনুষ্ঠান শেষে ছাত্রলীগ নেতাদের পরিস্কারভাবে কোটা সংস্কার আন্দোলন নিয়ে বাড়াবাড়ি করতে নিষেধ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। শনিবার সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলণে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, আমাদের সামনেই প্রধানমন্ত্রী ছাত্রলীগের নেতাদের ডেকে এই নির্দেশ দেন। এ প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের সভানেত্রী বলেন, কোটা সংস্কার আন্দোলন নিয়ে তাদের বাড়াবাড়ি করার কিছু অভিযোগ তিনি পেয়েছেন। তাই ভবিষ্যতে ছাত্রলীগের নামে যেনো এমন অভিযোগ আর না ওঠে। এ বিষয়ে ছাত্রলীগকে সুস্পষ্টভাবে সতর্ক করে দিয়েছেন তিনি।

নির্বাচন নিয়ে বিএনপির সঙ্গে কোনো সংলাপ হবে কিনা জানতে চাইলে ওবায়দুল কাদের বলেন, না এ ধরণের কোনো চিন্তাভাবনা সরকারের নেই। কারণ দেশে এমন কোনো পরিস্থিতি বিরাজ করছে না যার কারণে তাদের সঙ্গে সরকারের সংলাপ করতে হবে। তাই সরকার কোনো সংলাপের প্রয়োজন বোধ করছে না।

খালেদা জিয়াকে ছাড়া নির্বাচনে যাবেনা, প্রতিহত করা হবে, বিএনপির এমন ঘোষণাকে ষড়যন্ত্র উল্লেখ করে সেতুমন্ত্রী বলেন, এটি তাদের নতুন ষড়যন্ত্র। বিএনপি এতদিন বলেছে, খালেদা জিয়া ছাড়া নির্বাচনে যাবে না। এখন এক কাঠি বাড়িয়ে বলছে, নির্বাচন প্রতিহত করবে। আমরাও বসে থাকবোনা, জনগণকে নিয়ে তাদের এই ষড়যন্ত্র প্রতিহত করা হবে।

খালেদা জিয়ার মুক্তিসহ চারটি শর্তপূরণ হলে আগামী নির্বাচন হতে পারে, বিএনপিপন্থী বুদ্ধিজীবী ড. এমাজউদ্দীন আহমদের এমন বক্তব্যের প্রেক্ষিতে কাদের বলেন, বিএনপির দেয়া কোনো শর্ত মেনে দেশে নির্বাচন হবে না, সংবিধান অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হবে আগামী নির্বাচন।

বিএনপির রাজনৈতিক কর্মসূচি করতে বাধা দেয়া হচ্ছে, দলটির এমন অভিযোগের জবাবে আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেন, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল সভা-সমাবেশ করছে, আগামীতেও দলগুলো সভা-সমাবেশ করবে। এ ব্যাপারে কেউ অনুমতি চাইলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্টদের বলা হয়েছে।

আসন্ন তিন সিটি করপোশন নির্বাচন প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, নেতাকর্মীদের নির্বাচন কমিশনের আচরণবিধি লঙ্ঘল মেনে চলতে বলা হয়েছে। আমরা চাই শান্তিপূর্ণ, ফ্রি এ- ফেয়ার ইলেকশন। তাই আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা যাতে সহযোগিতা করেন দলের পক্ষ থেকে এমন নির্দেশনা দেয়ার পাশাপাশি প্রশাসনকেও বলা হয়েছে, যাতে কোনো প্রকার বাড়াবাড়ি না হয়। নির্বাচনে হস্তক্ষেপ হয় এমন কোনো অভিযোগ যাতে না ওঠে।

ড. কামাল হোসেন ও বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকীর সংলাপের প্রস্তাব প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সংলাপ তো হয়েছে। সংলাপ করেছে ইলেকশন কমিশন। সেখানে বিএনপি অংশ নিয়েছে। এটাতো আওয়ামী লীগের কোনো বিষয় নয়। তাছাড়া ইলেকশন কমিশন আরো সংলাপ করবে কিনা সেটা তাদের বিষয়। সেটা কি বিএনপির সঙ্গেই, নাকি সবার সঙ্গে, তা ইলেকশন কমিশন ঠিক করবে। নির্বচনকালীন সরকারের আকার প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, এটা প্রধানমন্ত্রী ভালো জানেন। তিনি ছাড়া এটা কেউ বলতে পারবে না। তবে এর সাইজ ছোট হবে, তা বলতে পারি।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত