Skip to main content

নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তায় থাকবে রাজধানীর পশুরহাট

ইসমাঈল হুসাইন ইমু : রাজধানীর পশুরহাটে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী। এবার রাজধানীতে বসবে ২১টি পশুর হাট। হাটের শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে সমন্বিতভাবে কাজ করবে মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি), আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) ও র‌্যাব। ডিএমপির নিরাপত্তা পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রত্যেক হাটে পুলিশের কন্ট্রোল রুম এবং সিসিটিভি ক্যামেরা থাকবে। জাল টাকা শনাক্তে পুলিশ কন্ট্রোল রুমে থাকবে ইলেকট্রিক মেশিন এবং প্রজেক্টর। প্রজেক্টরে জাল টাকা ও অজ্ঞানপার্টি থেকে নিরাপদ থাকতে পুলিশের নির্মিত সচেতনতামূলক প্রামাণ্যচিত্র দেখানো হবে। হাটের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে সাদা পোশাক ও ইউনিফর্মে থাকবে পুলিশের ১০০ ফিটের ওয়াচ টাওয়ার। দূরবীন হাতে হাটের সার্বক্ষণিক চিত্র পর্যবেক্ষণ করবেন পুলিশ সদস্যরা। প্রতিবারের মতো এবারও রাজধানীর পশুর হাটগুলোতে কোনো হকার বসতে দেবে না পুলিশ। এছাড়া সুষ্ঠু ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ও নির্বিঘ্নে হাট পরিচালনায় ইজারাদারদের জন্য বিশেষ নির্দেশনা তৈরি করেছে ডিএমপি। নির্দেশনাগুলো হচ্ছে, জোর করে কোরবানির পশু হাটে না নামানো, নির্ধারিত সময়ের পূর্বে কোরবানির পশু হাটে ঢুকতে না দেয়া, সিটি কর্পোরেশন কর্তৃক নির্ধারিত হারের বেশি হাসিল না রাখা, সিটি কর্পোরেশন এবং জেলা প্রশাসক কর্তৃক নির্ধারিত চৌহদ্দির বাইরে পশুর হাট না বসানো, নাইটমোডে ছবি ধারণ ক্ষমতাসম্পন্ন সিসিটিভি স্থাপন, জাল নোট শনাক্তে বুথ স্থাপন, নির্ধারিত হাসিলের তালিকা বড় করে ব্যানারে প্রকাশ্য স্থানে টানানো, হাটে জেনারেটরের ব্যবস্থা রাখা ও পর্যাপ্ত সংখ্যক স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ করা। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, চামড়া পাচারের আশঙ্কায় ঈদের দিন থেকে পরের ৪-৫ দিন চামড়াবাহী কোনো ট্রাক ঢাকার বাইরে যেতে দেয়া হবে না। তবে বাইরের ট্রাক ঢাকায় ঢুকতে পারবে। এ জন্য ঢাকার ছয়টি বাহির পথে পুলিশের কঠোর নজরদারি থাকবে। পুলিশের পাশাপাশি র‌্যাবও হাট কেন্দ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। ঢাকার হাটগুলোতে র‌্যাবের অস্থায়ী ক্যাম্প বসানো হবে। ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ এন্ট্রি পয়েন্ট, রেলপথ, নৌপথ ও সড়কপথে র‌্যাব সদস্যরা নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মাঠে থাকবে।

অন্যান্য সংবাদ