প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

অদক্ষ চালক ও আবহাওয়ার পূর্বাভাস না মানায় বাড়ছে দুর্ঘটনা

হ্যাপী আক্তার : ঝুঁকি নিয়ে বর্ষা মৌসুমে শরীয়তপুরের বিভিন্ন রুটে চলছে নৌযান। যাত্রীদের অভিযোগ সরকারের নানা পদক্ষেপ থাকলেও আইনের সঠিক প্রয়োগ ও যথাযথ নজরদারি না থাকায় বারবার ঘটছে দুর্ঘটনা। প্রশাসনের দাবি অতিরিক্ত যাত্রী বহন, অদক্ষ চালক ও আবহাওয়ার পূর্বাভাস না মানায় বাড়ছে দুর্ঘটনা। তাই আবহাওয়ার পূর্বাভাস মেনে চলতে নির্দেশ দিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।

শরীয়তপুর থেকে বিভিন্ন রুটে এখনও চলছে ৩২টি লঞ্চ অর্ধশতাধিক স্পিডবোট এবং ৩ শতাধিক ইঞ্জিন চালিত নৌকা। সরকারি হিসাবে ২০১২ সাল থেকে এ পর্যন্ত শরীয়তপুরের বিভিন্ন রুটে দুর্ঘটনা ঘটেছে ১৮টি। এর মধ্যে শুধু ট্রলার ও স্পিডবোট দুর্ঘটনা ১৪টি। এতে ২৪৬ জনের মরদেহ উদ্ধার হলেও নিখোঁজ ২৩৩ জন।

অভিযোগ রয়েছে, অতিরিক্ত যাত্রী বহন আবহাওয়ার সতর্কতা না মানা ও দক্ষ চালকের অভাবে ঘটছে দুর্ঘটনা। যথাযথ নজরদারির অভিযোগও তাদের।

যাত্রীরা জানান, লঞ্চে লোক ধরবে ২’শ জন। সেখানে লোক থাকে ৩’শ জন। এমন অবস্থাতে লঞ্চ দুর্ঘটনা ঘটবেই। চালকদের কাছে দুর্ঘটনার কবলে পড়লে যে নিরাপত্তার যে জিনিসপত্র থাকার কথা সে গুলো থাকে না। তাই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যাত্রীরা যাতায়াত করে।

এমভি লিটনের মাষ্টার কামরুল মোল্লা বলেছেন, আমাদের কাছে কোনো যন্ত্রপাতি নেই যে আবহাওয়ার খবর আগাম পাওয়া যায়।

দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারেণ নৌ দুর্ঘটনা বেশি ঘটে। তাই চালকদের আবহাওয়ার পূর্বাভাস মেনে চলতে নির্দেশ দিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।

শরীয়তপুর জেলা প্রশাসন কাজী আবু তাহের বলেছেন, দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার বার্তা চালকদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়। ভবিষ্যতে এই ধরনের কথা চিন্ত করে বিআইডাব্লিইউ এর মাধ্যমে এই পারাপারের লঞ্চ ব্যবহার করা যায় সেই লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। সূত্র : ইন্ডিপেন্ডেট টেলিভিশন

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ