প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

‘রেজাল্ট ভাল কিংবা খারাপ সেটা নির্ভর করে অনেকটা শিক্ষকদের ওপরে’

মুহাম্মদ নাঈম: এ বছর রেজাল্ট খারাপ তো কি হয়েছে, আগামিতে ভাল হবে। এটা নিয়ে এতো মাতামাতির কারণ নেই। রেজাল্ট কোনও বার ভাল হবে, আবার কোন বার খারাপ হবে এটাই স্বাভাবিক। রেজাল্ট খারাপ হলে তা নিয়ে হৈ চৈ করার কোন কারণ নেই। রেজাল্ট ভাল কিংবা খারাপ সেটা নির্ভর করে প্রশ্নপত্রের উপর। আবার অনেকটা শিক্ষকদের উপরেও নির্ভর করে । তারা পাঠদান ভাল করে দিলে রেজাল্ট ভাল হবে, অন্যথায় খারাপ হবে। এক্ষেত্রে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের শিক্ষা ব্যবস্থা অত্যন্ত দুর্বল।

এইচএসসির রেজাল্ট নিয়ে আলাপকালে বিশিষ্ট পদার্থবিজ্ঞানী ও শিক্ষাবিদ অধ্যাপক ড. অজয় রায় এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, সরকার ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উচিত, গ্রামের স্কুল গুলোতে শিক্ষকদের অবস্থা সম্পর্কে পূর্ণ ধারণা নেওয়া। সরকারি স্কুল গুলোতে সরকারি ভাবে উপযুক্ত শিক্ষকের ব্যবস্থা করা। আর বেসরকারি স্কুল গুলোতে স্কুল ম্যানেজমেন্ট কমিটি দেখাশুনা করবে, তবে স্কুল কমিটির উপরেও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সুনজর রাখতে হবে। বেসরকারি স্কুল হলেই যে, সরকার এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায় দায়িত্ব নেই এমনটি কিন্তু নয়। একটা আদর্শ স্কুল বা কলেজকে ভিত্তি করে সেই অনুযায়ি শিক্ষক নিয়োগ দেওয় উচিত। প্রয়োজন হলে শিক্ষা অধিদপ্তর ও সরকারকে উদ্যোগি ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

ড. অজয় রায় আরও বলেন, গ্রামে বর্ষাকাল হলে যাতায়াত ব্যবস্থা অত্যন্ত দুর্বিষহ হয়ে যায়। এ নিয়ে আমি বহুবার বলেছি ও লেখালেখি করেছি কিন্তু তাতে কেউ কর্ণপাত করেনি। কিছু কিছু কাজ হয়েছে তবে তেমন সš‘িষ্ট জনক কাজ হয়নি। এবং এ সমস্যার পুরোপুরি সমাধান হয়নি। এখনও গ্রামে সামান্য বর্ষাতেই নৌকায় করে শিক্ষার্থীদের স্কুলে যাতায়াত করতে হয়। আরেকটি সমস্যা হচ্ছে, মেয়েদের জন্য প্রতিষ্ঠানগুলোতে নিরাপদ টয়লেটের ব্যবস্থা নেই। যার কারণে মেয়েদের নানা সমস্যার সম্মুখিন হতে হয়, যার ফলে শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ায় ব্যাঘাত ঘটে। এই সকল বিষয়ই শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নজরে আনার কথা। কিন্তু তারা এর সমাধানে কোন উদ্যোগ গ্রহণ করছেন না কেন সে প্রশ্ন থেকেই যায়।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ