প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ফিরে এসো তোমার বাংলাদেশে

,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,প্রিয় বোন
তসলিমা নাসরিন !
ফিরে এসো-
তোমার বাংলাদেশে,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,
সাখাওয়াত সুমন

প্রিয় বোন
তসলিমা নাসরিন ,,,,,,,, !

কেমন আছ তুমি?
প্রশ্নটি করলাম হৃদয়ের গভীরে
লালিত ভালোবাসার আবেশটুকু
ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য মাত্র!
আমি খুব ভাল ভাবেই জানি- তুমি মোটেও ভাল নেই।

বোন!

দেশে থাকাকালীন যেই প্রতারক মানুষগুলোর ইন্ধন
ও প্ররোচনায় তুমি ধীরে ধীরে পতনের মোহনা
অভিমুখে কখনো হেটে – কখনো দৌড় প্রতিযোগিতার
প্রথম স্হান লাভের দাবীদার প্রতিযোগীটির মত
তীব্র গতিতে প্রাণপন ছুটছিলে,
তারা কি এখন তোমার খোঁজ-খবর রাখে?
মনে তো হয় না -রাখার তো কথাও না।
আচ্ছা, তুমি রাষ্ট্র স্বীকৃত ও অস্বীকৃত পন্থায়
অনেক নামী-দামী লেখক,কবি, সাহিত্যিক ও রাজনৈতিক মহাপুরুষদের ! সাথেই তো বাসর-বসত করেছিলে, কিংবা করেছিলে খণ্ডকালীন শয্যাসঙ্গদান,
তাদের কী অবস্হা?
তোমার দুর্দিনের বিপদঘন এই প্রহরে কি তারা
তোমার সম্মুখে কোন আশার আলো
উপস্হাপনের চেষ্টা করছে?
এখানেও আমি একটা হতাশাময়
“না”
উচ্চারণ শুনতে পাচ্ছি।

ওপারে তুমি কেমন আছ?
প্রথম দিকে বেশ ভালই দিনকাল কাটিয়েছিলে তুমি।
অনেক হাসি ও সুখের আভা দেখতে পেতাম
তোমার চোখে – মুখে।
অনেক কদর ছিল তখন তোমার ওপার় বাংলায়।
শতব্যস্তময় ও সুখময় একটা জীবন উপভোগ
করে যাচ্ছিলে তুমি।
কী ভেবেছিলে তুমি?
এভাবেই কেটে যাবে সারাটি জীবন?
না, তেমনটা তুমি ভাবলেও আমার মনের ভিতর
ভিন্ন একটা আশংকা সব সময় দাপাদাপি করত।
,,,,,,,,,,হঠাত্ একদিন দেখলাম- সেই আশংকার
বাস্তবায়ন।
“আমার মেয়ে বেলা” বইটির জন্যেই তো তুমি
দুই দুই বার কলকতার আনন্দ পুরস্কার লাভ করেছিলে?
অথচ,
তখন তোমার এই বইটি সহ সবকটি আত্মজীবনী মূলক বই বাংলাদেশে আদালত কতৃক নিষিদ্ধ ছিল।
ওপারে গিয়ে তুমি “ক” বইটিকে প্রকাশ করলে
” দ্বিখণ্ডিত” নামে।
পরবর্তীতে কী ঘটল?
বইটির নামের মত তোমার স্বপ্নও দ্বিখণ্ডিত হয়ে গেল।
এক পর্যায়ে পশ্চিমবঙ্গ সরকারও তোমার বইটি
নিষিদ্ধ ও বাজেয়াপ্ত করল।
তুমি বিষয়টি নিয়ে কি আগে একটি বারও ভেবেছিলে ?
সেখানে মুসলমানরা সংখ্যালঘু হয়ে থাকলেও
জনসংখ্যার হিসেবে সেই সংখ্যাটি বাংলাদেশের
মোট জনসংখ্যার চাইতেও অনেক বেশী।
জাতীয় ও প্রাদেশিক নির্বাচনে এই বিশাল জনগোষ্ঠীর একটা বড় ভূমিকা রয়েছে।
মসনদ টিকিয়ে রাখার স্বার্থে তোমার নিজের দেশের সরকার যেখানে তোমাকে নিয়ে কোন ঝুঁকি
নিতে চাইল না,সেখানে ভিন্ন একটি দেশের সরকার
কোন কারণে তোমার জন্য নিজেদের বিপদ ডেকে
আনতে চাইবে?
এখান থেকেই শুরু হল তোমার অমানিশাময়
হতাশ জীবনের নতুন যাত্রা।
কলকাতার ভ্রমরদের কাছেও ধীরে ধীরে তোমার আকর্ষণ লোপ পেতে থাকল।
ওরা তো তোমার সাহিত্যের প্রেমিক ছিল না।
ওরা তো ছিল তোমার আপেল, কমলা ও অন্য একটা কিছুর প্রেমিক।
এটা তোমার লেখা বইয়ের ভাষা,,,,,
জানই তো, আমি এত নোংরা ভাষায় কথা বলি না।

আচ্ছা, নাসরিন আপু! তোমার কাছে শ্লীল এবং
অশ্লীলের সংজ্ঞা কী?
আমার কাছে এটার নির্দিষ্ট কোন সংজ্ঞা নেই।
কেননা এটা স্হান, কাল ও পাত্র ভেদে সংজ্ঞায়িত হয়।

,,,,,,,,,,,তুমি
তোমার কোন্ বইতে যেন, মেয়ে বেলায় তোমার রক্তিয় মামা কিংবা কাকার হাতে ধর্ষিতা হওয়ার কথা বেশ রসিয়ে রসিয়ে বর্ণনা করেছিলে,,,,,,,,,,
যদিও আমি বুঝতে পেরেছি তুমি এটিকে তোমার
প্রথাবিরোধী পথে চলার অন্যতম একটা কারণ
হিসেবে দাঁড় করাতে চেয়েছিলে,,,,,,,,,
ভিন্ন ভাবে চিন্তা করলে এখানেও তুমি তোমার
নিজের জন্য শিক্ষা খুঁজে পেতে পারতে,,,,,,,,,,
এটা তুমি স্বাভাবিক ভাবে নিতে পারনি কেন?
পারনি এজন্য যে, এটা তোমার কাছে শ্লীল মনে হয়নি,
অশ্লীল মনে হয়েছে।
এখানে যে স্হান-কাল-পাত্রের একটা প্রভাব ছিল।
কারণ – এটা বাংলাদেশ।
কারণ – বাংলাদেশ এখনো এতটা নির্লজ্জ
সময়ে পদার্পণ করেনি।
কারণ – এটা মুসলিম দেশে সংঘটিত একটি ঘটনা।
কারণ – তুমি একটি সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারের মেয়ে।
,,,,,,,,,,,,তোমার সাথে ঘটে যাওয়া ঘটনাটির মত অসংখ্য ঘটনা ইউরোপ – এমেরিকার দেশগুলোতে প্রতিদিন ঘটছে। যাকে তারা কোন কিছুই মনে করছে না।
অশ্লীলতা তো নয়ই ,,,,,,,,
এমনটি কেন হল?
এতক্ষণে বুঝতে পেরেছ নিশ্চয়।
সেই স্হান-কাল-পাত্রের তারতম্যের কারণেই।
তোমার বই পড়ে আমি যা উপলব্ধি করতে পেরেছি,
তা যদি তুমি বইটি লেখার আগে অনুধাবন করতে
পারতে, তাহলে হয়তো তোমার জীবন বহতা
ভিন্ন ভাবে প্রবাহিত হতে পারত।
যা হত এই অনাকাঙ্ক্ষিত দিন-রাতের চাইতে অনেক বেশী স্বাচ্ছন্দ্যময় – সুখময় – ছন্দময়।

,,,,,,এখনকার দিনে তোমার ফেসবুক স্ট্যাটাসগুলো
অনেক ক্ষেত্রেই আমার কাছে প্রলাপের মত
মনে হয়।ঠিক যেন আমাদের এরশাদ সাহেবের
সকাল আর বিকেলের মিলহীন বক্তব্যের মত।
একদিন লিখেছ –
,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,
বয়স বেড়ে যাওয়ার কারণে চামড়া- স্তন ও স্হান
ঢিলেঢালা হয়ে যাওয়ার কারণে
ইঞ্জিন দুর্বল হয়ে যাওয়ার কারণে চেনা মানুষগুলো
পর হয়ে গেছে।
কেউ তোমায় কাছে ডাকে না।
কেউ তোমার কাছে আসে না।
পড়ন্ত যৌবন বেলায় দেহের অবশিষ্ট যৌবনবোধ উপভোগ করার আকাঙ্ক্ষা ও অপাঙতেয়তার
হাহাকারও ফুটে উঠেছে সেখানে।
,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,
আরেকদিন তো সর্বসাধারণের উদ্দেশ্যে একটি যৌন বিজ্ঞাপনই প্রচার করেছিলে –
হয়তো তোমরা আমাকে যতটুকু অনাকার্ষনীয় ও
উপভোগ্য নই বলে ভাবছ, আমি ততটুকু দুর্বল হয়ে যাইনি। এখনও তোমাদেরকে দেওয়ার মত অনেক কিছুই আমার দেহে অবশিষ্ট আছে।
একবার জাগিয়ে দেখো ঠিকই জেগে উঠবে আমার দেহের যৌবনাঙ্গগুলো। তৃপ্ত করেই ছাড়বো তোমাকে।
আসবে কেউ আমাকে ভোগ করতে?
এসো,,,,,,
তুমি যেই হও না কেন, আমি শুবো।
,,,,,,,,,,,,,শেষ লাইনটি হুবহু তোমার ভাষায় লিখেছি,,,,,,,
বিশ্বাস করবে তসলিমা !?
এই লাইনটি পড়ে আমি হতভম্ব হয়ে গেছি।
তোমার অসহায়ত্বের অভিশাপাগ্নি যেন দূর কলকাতা
থেকে ঢাকায় ছড়িয়ে পড়ল।
সে আগুন যেন জ্বালিয়ে দিতে লাগল আমার হৃদয়টাকেও।কিছুক্ষন পরেই ভিজে উঠল
দু’চোখের পাতা।
তোমার মনের সবগুলো কষ্ট যেন ছুঁয়ে গেল আমাকেও।
,,,,,,,,,,,যেই মামার হাতে ধর্ষিত হয়ে তুমি নারী আন্দোলনে ঝাপিয়ে পড়েছিলে, বেলা শেষে সেই মামাকেই যেন আহ্বান করে গেলে তোমাকে
দৈহিক সুখ দিয়ে যাওয়ার জন্য,,,,,,,,,,,,
এমনটিই মনে হতে লাগল আমার কাছে। কেন?
ঐ যে বললে – তুমি যেই হও না কেন, আমি শুবো।
,,,,,,,,,,,এই কি তোমার জীবনভর করে যাওয়া নারী আন্দোলনের সফলতার চিত্র !?

,,,,তখন তোমার মনের ভিতর চলমান কল্পনার একটি চিত্র নিজের অজান্তেই আমার মনের ভেতর ফুটে উঠল-
,,,,,,,,,,,,,,, একজন গ্রাম্য প্রৌঢা় নারীর ছবি ভেসে উঠল আমার চোখের সামনে,,,,,,,,,,,,,,,,,,,
যার বিয়ে হয়েছিল নয় থেকে তের বছর বয়সের
মধ্যেই।প্রথম চার-পাঁচ বছর স্বামীর কাছ থেকে পাওয়া
আদর-সোহাগ যাকে ধর্ষণযন্ত্রণা ছাড়া আর কিছুই
দেয়নি। যখন তার যৌবন জেগে উঠল স্বামী তার ততদিনে হয়তো অক্ষম পুরুষে পরিণত।
জীবনের পড়ন্ত বেলায় তবুও তার একটাই -সান্ত্বনা – আর কিছু পাই বা না পাই একটা সংসার তো
– পেয়েছি -ছেলে আছে – মেয়ে আছে।জামাতা,পুত্রবধু ও নাতি-নাতনিদের নিয়ে সুখে-দুঃখে বেশ তো কেটে যাচ্ছে জীবনটা।
,,,,,,,,,,,,,,,,,হয়তো তোমার মনে এমন একটি
ভাবনা উড়ে চলছে,,,,,,,
,,,,মাত্র কয়টা দিন পরেই তোমার একটা পোস্ট পেলাম –
মাঝে মাঝে ইচ্ছে করে এই সব ছেড়ে ফিরে যাই আমার বয়সী অন্য দু-চারজন মহিলাদের জীবন রীতিতে,,,,,,
মন চায় আল্লাহর পথেই ফিরে যাই,,,,,
নামাজ শেষে তাসবীহ হাতে
আল্লাহর নামের জপকরি,,,,,,
কুরআন তেলাওয়াতে বসি,,,,,,,
,,,,,,,,,,,, কী যে এক ভাললাগার আনন্দে কেঁদেফেলেছিলাম, তা বুঝাবার ভাষা সর্বোচ্চ চেষ্টার পরেও আমি আয়ত্ব করতে পারিনি ,,,,,,,,,,,,,
,,,,,,,,,,,,,,মনে পড়ল,,,,,,
হুমায়ুন আহমেদ স্যারের অমর চরিত্র হিমুর কথা।
না, নিজেকে তার চাইতেও বড় কিছু মনে হচ্ছিল,,,,
হিমু তো একটি কাল্পনিক চরিত্র মাত্র।
আমি তো বাস্তব জগতের সুমন নামের একজন মানুষ।
আমার কল্পনা ছুঁয়ে গেছে তোমাকে অথবা তোমার কল্পনা আমাকে।
,,,,,,,,সেটাই সবচেয়ে বড় কথা,,,,,,,
ভেবেছিলাম – আলোর ভুবনের দরজার সামনে
তুমি দাঁড়িয়ে, করাঘাত করে ফেলেছ।
এখন শুধুই দরজাটি খুলে যাওয়ার পালা।
কিন্তু না,দরজাটি খোলা পর্যন্ত তুমি অপেক্ষা করতে
পারলে না। আবার চলতে লাগল –
তোমার উল্টাপাল্টা কথার পদ্য – গদ্য ।
এখানেই তোমার সাথে আমার সবচেয়ে বড় মিলটা।
বড্ড তাড়াহুড়ো করে ফেলি যেন বারবার।
,,,,এরশাদ সাহেবের কথা বললাম না একটু আগে !!!
আবার তুমি অন্ধকারের পথেই হাটা ধরলে।
না, পুরো দোষটা তোমার না।
আমার এবং আমাদেরও আছে অনেক,,,,,,,,,,
জীবন বাঁচানোর তাগিদে সব কূল রক্ষা করেই তো চলতে হচ্ছে তোমাকে আজকাল।
,,,,,,,তুমি তো বার্তা পাঠিয়েছিলে,,,,,
!! কই কেউ তো এগিয়ে আসল না !!

,,,,,,,তোমার যে আইডিতে আমি যুক্ত আছি, সেখানে 29.05.18 তারিখ সন্ধ্যা নয়টা চৌত্রিশ মিনিটে করা
তোমার একটা পোস্ট পড়ার পর থেকেই এই লেখাটি লেখার জল্পনা – কল্পনা শুরু করি,,,,,,,
“তুমি দেশে ফিরে আসার জন্য দেশের মানুষ ও সরকারের কাছে সহযোগিতা চেয়েছ।”
,,,,,,,,এই রকম পোস্ট তুমি আগেও
অনেকবার করেছ,,,,,,,,,
কিন্তু এবারের পোস্টটি আমার কাছে কেন যেনএকটা বাড়তি গুরুত্ব বহন করে বেড়াচ্ছে, আমার কাছে মনে হচ্ছে- তুমি তোমার সব ভুল-ভ্রান্তি বুঝতে পেরেছ খুব
ভাল ভাবেই।পারিপার্শ্বিক প্রতিকূলতাতোমাকে সব খুলে বলতে নিরুত্সাহিত করে যাচ্ছে।
দেখ,
প্রিয়
পাগলী
বোন!
,,,,,,,তুমি দেশের মানুষ ও সরকারের কাছে
সহযোগিতা চেয়েছ,,,,,,
তুমি এখনো বোকামি করে বেড়াচ্ছ
এটাই বেশী পীড়াদায়ক।
,,,,,,,,সরকার যেহেতু তোমাকে দেশে ধরে রাখতে পারেনি
অতএব নিশ্চিত থাকো সরকার তোমাকে আনতেও
পারবে না,,,,,,, তবে, মানুষের কথা বললে না?
হ্যাঁ, এই মানুষরাই পারে তোমাকে ফিরিয়ে আনতে।

তোমার একটি লেখার কথা বললাম না !
যেটি আমার হৃদয়ে
কল্পিত হওয়ার বেশ কয়েকদিন পর
তোমার হৃদয়ে পৌঁছেছিল,-
,,,,,,,,,স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার
আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করেছিলে
যেখানে,,,,,,,

তুমি তো অনেক সাহসী নারী,
যদিও সব সাহসিকতা
কুপথে নষ্ট করে ফেলেছ।

অবশিষ্টটুকু দিয়ে
একবার
সত্যের পথে গর্জে উঠো,,,,,

মনের কোণে লুকিয়ে রাখা
সত্য বাসনাটাকে
সাহসিকতার সাথে
জনসম্মুখে প্রকাশ
করে দাও।

পাশাপাশি ওদের মুখোশগুলোও
খুলে দাও-
যারা তোমাকে নিয়ে খেলেছে
জীবনভর,
নষ্ট করে দিয়েছে তোমার জীবনের
স্বপ্নীল জগত্টাকে।

বল, পারবে?

পারবে কি
তুমি
আপন
শক্তিতে
জ্বলে
উঠতে ???

এত কিছুর পরেও
তোমার শরীরে বহমান
“মুসলিম রক্ত”
শুকিয়ে যায়নি কিন্তু!

জেগে উঠার ক্ষমতা এখনো
তোমার আছে।

সবকিছু তোমার
সিদ্ধান্তের উপর
নির্ভর করছে।

সাড়া কি দিবে তুমি তোমার
এই ছোট্ট ভাইটির
আহ্বানে ?

“প্রিয় বোন তসলিমা নাসরিন!
তুমি ফিরে এসো
তোমার
বাংলাদেশে”

বিশ্বাস রেখো –
এই একটি আহ্বানে মিশে আছে
কোটি কোটি বাংলাদেশী
মানুষের ভালোবাসা।

ফিরতে হবে –
যে ভাবে বলেছি,
ঠিক সেই ভাবে।

,,,,,,,,,,আমি আশাবাদী মানুষ,
আশা করি তুমি
পারবে,,,,

শুন্ বোন!
তোকে কথা দিচ্ছি –
দশ লাখ লোক নিয়ে
বিমানবন্দরে উপস্থিত
হবো
তোকে স্বাগত জানানোর
জন্য।

সাথে থাকবে তারাও
যারা
তোকে দেশ ত্যাগে
বাধ্য
করেছিল।

,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,ভাল
থাকিস
বোনটি
আমার,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ