প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

তুলা রপ্তানি সুবিধা দিতে বাংলাদেশকে মার্কিন চাপ

কায়কোবাদ মিলন: যুক্তরাষ্ট্রের তুলা ব্যবসায়ীরা বাংলাদেশের আমদানিকারকদের জন্য প্রণীত একটি প্রাচীন আইন প্রত্যাহারের উপর সবিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেছেন। ১৯৬০ সালে পাকিস্তানের তুলা উৎপাদনকে মার্কিনীদের চ্যালেন্জ থেকে রক্ষার জন্য আইনটি প্রণীত হয়েছিল । প্রকাশ প্রাচীনতম ওই আইনের কারণে আমেরিকা থেকে তুলা আমদানিতে অতিরিক্ত খরচ পড়ছে ।

আমেরিকান তুলা সিপার্স সমিতির সভাপতি রেম- ফাউস সম্প্রতি বাংলাদেশ সফরকালে আরও বলেন, আমেরিকার তুলা আমদানির ক্ষেত্রে বাংলাদেশের ক্ষেত্রে এই প্রাচীনতম আইনটি বলবৎ রয়েছে । পৃথিবীর কোন দেশের সঙ্গে এ রকম কোন চুক্তির অস্তিত্ব নেই ।

বাংলাদেশে অবস্থানকালে ফাউসের দলটি বাংলাদেশের কয়েকজন সাংবাদিকদের সঙ্গেও বৈঠক করেন । বাংলাদেশ তুলা কাউন্সিল ইন্টারন্যাশনালের কর্মকর্তা সাব্বির আহমদ চেীধূরী বলেন, বাংলাদেশ এখন আর তুলা রপ্তানিকারক দেশ নয়। বাংলাদেশ বৃহত্তম তুলা আমদানিকারক দেশ । ফলে বাংলাদেশে ওই আইনটি থাকার আর কোন প্রয়োজন নেই । তিনি বলেন,বাংলাদেশ গত বছর ৭০ লক্ষ বেল তুলা আমদানি করে আমদানিকারকদের মধ্যে শীর্ষে রয়েছে । পক্ষান্তরে আমেরিকা হল সর্ববৃহৎ রপ্তানিকারক দেশ ।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশের বিশাল তুলার মার্কেটে আমেরিকার শেয়ার অপ্রতূল।পাশাপাশি গার্মেন্ট শিল্প টিকিয়ে রাখতে বাংলাদেশ ব্যাপকভাবে ভারতীয় তুলার উপর নির্ভরশীল । মার্কিণ তুলা কাউন্সিল ইন্টারন্যাশনালের পরিচালক উইলিয়াম আর বেটেনডরফ বলেছেন,তাদের তুলার মান অনেক ভাল । যদি লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তেরি করা যেত তাহলে বাংলাদেশের পণ্যের মান আরও ভাল হত । এজন্য বস্তাপচা আইনটি অবিলম্বে বাতিল করতে হবে ।

এদিকে আমেরিকা এবং বাংলাদেশের দূরত্বের কথা উল্লেখ করে ব্যবসায়িরা চট্টগ্রাম বন্দরের জটের কথা উল্লেখ করেন । চট্টগ্রাম বন্দর নানারকম খরচ বাড়িয়ে আমদানি প্রক্রিয়াকে জটিল করে তুলেছে বলেও মার্কিণ ব্যবসায়িদের অভিমত । তারা আরও বলেন,বাংলাদেশের বৃহত্তম রপ্তানিকারক দেশ ভারতও যুক্তরাষ্ট্র থেকে তুলা আমদানি করে থাকে ।

এদিকে চীন আমেরিকার তুলা আমদানির উপর ‘লড়াই ’এর অংশ হিসাবে ২৫ শতাংশ শুল্ক বাড়িয়েছে । মার্কিণ ব্যবসায়িরা সেক্ষেত্রে বাংলাদেশে ব্যাপকভাবে তুলা আমদানির দিকে যে নজর দিয়েছে তা বলাই বাহূল্য । ফিনান্সিয়াল এক্সপ্রেস

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ