প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

জামাতের সঙ্গে সম্পর্ক ত্যাগেই বিএনপির মুক্তি

সাজ্জাদুল ইসলাম নয়ন : দীর্ঘদিনের জোট সঙ্গী জামায়াতের সাথে বিএনপির সম্পর্ক এখন শেষের পথেই এগুচ্ছে বলে আপাত দৃষ্টিতে মনে হচ্ছে। জোটের রাজনীতিতে জামায়াত এখন বিএনপির গলার কাঁটা। পারস্পরিক সন্দেহ-অবিশ্বাস ছাড়াও দেশি-বিদেশি প্রচণ্ড চাপের মুখে বিএনপি দলটিকে না পারছে ছাড়তে, না পারছে ধরে রাখতে। এমন সংকটময় অবস্থায় জামায়াতকে নিয়ে নতুন কৌশল খুঁজছেন বিএনপি হাইকমান্ড। নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার জন্যই হয়ত আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই এ ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে হবে বিএনপিকে। বাংলাদেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে জামায়াতকে জোটে রেখে বিএনপির পক্ষে রাজনীতির ময়দানে টিকে থাকা সম্ভব হবে না বলেই মত রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের।

জামায়াত-বিএনপির দ্বন্দ্ব নতুন করে প্রকাশ্যে এসেছে সিলেট সিটি করপোরেশনের নির্বাচন নিয়ে। দলীয় প্রার্থী ঘোষণার আগে গত ২৭ জুন ২০ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সেখানে জামায়াতের প্রতিনিধিও ছিলেন। বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়, জোটগতভাবে প্রার্থী ঘোষণা করা হবে। বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীকে সবাই সমর্থন দেবে। জামায়াতের প্রার্থী প্রত্যাহারের অনুরোধও জানানো হয় বৈঠকে। তবে, বৈঠকে কিছু না বললেও পরবর্তীতে বেঁকে বসে জামায়াত। দলীয় প্রার্থী সিলেট জেলা আমির এহসানুল মাহবুব জুবায়েরের মনোনয়ন প্রত্যাহার করেনি দলটি। এ নিয়ে সিলেট সিটিতে চরম অস্বস্তিতে পড়েছে বিএনপি। এর প্রভাব ভোটেও পড়বে নিশ্চিত।

ইতোমধ্যে নির্বাচনী মাঠে জোর প্রচারণা শুরু করেছেন জামায়াতের প্রার্থী এহসানুল মাহবুব জুবায়ের। তিনি শেষ পর্যন্ত লড়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি জানান, তার প্রার্থী হওয়ার বিষয়ে সরকারের সঙ্গে সম্পর্কের কোনো সুযোগ নেই। এতে জোটেরও ক্ষতি হবে না। ২০০৮ সালের নির্বাচনেও ৫টি আসন দুই জোটের জন্য উম্মুক্ত ছিল। তখনো সমস্যা হয়নি। এটি পারস্পরিক বোঝাপড়ার বিষয়। আর মূলত জোট হচ্ছে জাতীয় নির্বাচনের জন্য, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের জন্য নয়।

এদিকে এক অসমর্থিত সূত্রের খবরে জানা গেছে সিলেট সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন নিয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে টেলিফোনে কিছুটা শীতল কথাবার্তা হয়েছে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল ডা. শফিকুর রহমানের। সবদিক বিবেচনায় দৃশ্যত মনে হচ্ছে জামায়াত সঙ্গে একটা দূরত্ব তৈরি হয়েছে বিএনপির।

বেশ কয়েকমাস ধরেই কারাগারে বন্দি বিএনপি চেয়ারপার্সন ও ২০ দলীয় জোট নেত্রী খালেদা জিয়া। তাঁর মুক্তি আন্দোলনেও বিএনপির পাশে নেই জামায়াত। জোটের অন্য শরিকদের সব কর্মসূচিতে অংশ নিতে দেখা গেলেও জামায়াতের প্রতিনিধিরা ছিলেন দায়সারা গোছের। এই দুঃসময়ে বিএনপিকে তারা খুব তেমন একটা পাত্তা দিচ্ছে বলে মনে হচ্ছে না। জোটের বেশ কয়েকটি সভায় জামায়াত তাদের প্রতিনিধি পাঠালেও সিদ্ধান্ত দিতে পারে এধরণের কাউকেই পাঠায়নি। শুধু তাই নয়, বর্তমান সরকার দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার পর থেকে জোট বা বিএনপির যে কোনো কর্মসূচিতেই জামায়াতকে গা-ছাড়া ভাবে দেখা গেছে।

বিএনপি নেতারা অবশ্য বলছেন, বিগত চার বছর ধরে সরকারের সঙ্গে আঁতাত করে চলছে জামায়াত। এরই ধারাবাহিকতায় দলের আমীর ও সেক্রেটারি জেনারেলসহ কেন্দ্রীয় নেতারা অনায়াসে কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে যাচ্ছেন। এটাকে ভালো চোখে দেখছে না জোটের অন্য শরিক দলগুলো। গত ২১ মার্চ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ডা. শফিকুর রহমান জামিনে কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন। কাশিমপুরের হাই সিকিউরিটি কারাগারে ছিলেন তিনি। সর্বশেষ গত ১০ জুলাই জামিনে মুক্তি পেয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমীর মকবুল আহমাদ। তিনি একজন যুদ্ধাপরাধী। জামায়াত নেতাদের হঠাৎ এভাবে জামিন পাওয়ার বিষয়টি সন্দেহের চোখে দেখছে বিএনপি ও জোটের অন্য শরীক দলগুলো। তাদের দৃঢ় বিশ্বাস এর পেছনে অন্যকিছু আছে। জামায়াতের আমীর মকবুলের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের তদন্ত চলমান, তবুও তিনি জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। ইতোপূর্বে মানবতাবিরোধী মামলায় চলমান থাকা কোন আসামীই জামিন পাননি। হঠাৎ জামায়াত আমীরের এই মুক্তিকে তাই সন্দেহের চোখে দেখছে বিএনপি ও জোটের অন্য শরীকরা।

বিএনপির এক সিনিয়র নেতা বলেছেন, ‘জামায়াতের সঙ্গে বিএনপির সম্পর্ক থাকুক এটা ভারতসহ পশ্চিমা দেশগুলোও চায় না। কারণ, ভারতের ধারণা; এটা পাকিস্তানপন্থী দল। সম্প্রতি ভারত সফরকালে বিএনপি নেতাদের সঙ্গে দেশটির বিভিন্ন পর্যায়ে কর্তাব্যক্তিদের সাক্ষাতেও জামায়াতের প্রসঙ্গটি উঠে আসে। দিল্লি থেকে জানানো হয়, ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের উন্নয়ন চাইলে জামায়াতকে ছাড়তে হবে। তবে বিএনপি দিল্লিকে জানিয়েছে, জামায়াতের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক কৌশলগত, আদর্শিক নয়।

মূলত ২০০১ সালে জাতীয় নির্বাচনের আগে দলের প্রতিক্রিয়াশীল অংশের মতামতে জামায়াতকে নিয়ে চারদলীয় জোট গঠন করে বিএনপি। ওই সময়েই বিএনপিতে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেওয়া নেতারা এর বিরুদ্ধে অবস্থান নেন। ওই নির্বাচনে জয়লাভ করে জামায়াতের আমির মতিউর রহমান নিজামী ও সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মুজাহিদকে মন্ত্রী বানানো হয়। এ নিয়ে তখন ব্যাপক সমালোচনা হয়।

বিএনপির বিভিন্ন পর্যায় থেকে এখন বলাবলি হচ্ছে, দেশে বৃহত্তর রাজনৈতিক ঐক্য গড়ে তোলার ক্ষেত্রে জামায়াতই বড় বাঁধা। যুদ্ধাপরাধের মতো অভিযোগ থাকায় তাদের সঙ্গে থেকে কেউ ঐক্য করতে চাইছে না। জামায়াতকে জোট থেকে বের করে দেওয়ার বিষয়ে বিএনপিতেই এখন তুমুল আলোচনা চলছে। তৃণমূল পর্যায়ের অধিকাংশ নেতাকর্মীই এখন আর জামায়াতকে তাদের পাশে চান না। তাদের ধারণা জামায়াত থাকাতে বিএনপির লাভের চেয়ে ক্ষতিই বেশি হয়েছে। শুধুমাত্র জোটসঙ্গী হওয়ার কারণেই জামায়াতে সকল অপকর্ম ও সহিংসতার দায় বিএনপিকে বহন করতে হচ্ছে। ২০১৩ সালে যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির রায় নিয়ে জামায়াত-শিবির কর্মীরা দেশজুড়ে যে সহিংস তান্ডব চালিয়েছিল তার দায়ভার বিএনপিকেও নিতে হয়েছিল। যার খেসারত আজও দিতে হচ্ছে  বিএনপিকে।

শুধু তৃণমূল নয়, নেতৃত্ব পর্যায়েও অধিকাংশ বিএনপি নেতা এখন আর জামায়াতকে জোটে দেখতে চান না। যুদ্ধাপরাধী জামায়াতের সঙ্গে রাজনৈতিক জোট শুরু থেকেই বিএনপির অনেক নেতা মেনে নিতে পারেননি। কারণ বিএনপির অসংখ্য নেতা সরাসরি মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন। সেক্টর কমান্ডার জিয়াউর রহমান প্রতিষ্ঠিত দলটিতে অনেক খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধাও আছেন। তবুও রাজনৈতিক কৌঁশল ও তারেক জিয়ার আগ্রহে ২০০১ সালে চার দলীয় জোটে জামায়াতকে নেওয়া হয়।

জামায়াতকে জোট থেকে বাদ দেওয়ার বিষয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘জামায়াতের সঙ্গে বিএনপির এমন কোনো স্থায়ী বন্দোবস্ত নেই যে, সারাজীবন তাদের সঙ্গে রাখতে হবে, কিংবা থাকতে হবে। কিন্তু আন্তর্জাতিক বিশ্বের সঙ্গে আমাদের সব সময়ই তাল মিলিয়ে চলতে হবে। আর সারা বিশ্বের সেন্টিমেন্ট এখন জামায়াতের বিরুদ্ধে। তারা চায় বিএনপি জামায়াত থেকে দূরে সরে আসুক, কারণ তারা মনে করে, জামায়াত আপাদমস্তক একটি সহিংস দল।’

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে চলতি বছরের ডিসেম্বরেই। আগামী অক্টোবর মাসের শেষ সপ্তাহে সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। রাজনৈতিক অঙ্গনে ইতোমধ্যে নির্বাচনী হাওয়া বইতে শুরু করেছে। তবে দেশের অন্যতম প্রধান বিরোধীদল বিএনপি এখনও নিজেদের করণীয় ঠিক করতে পারেনি। দলটি ২০১৪ সালের মতো নির্বাচন বর্জন করে সহিংসতার পথে হাটবে নাকি নির্বাচনে অংশ নিয়ে নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষা করবে সেই সিদ্ধান্ত এখনও নিতে পারেনি। নির্বাচন বিষয়ে দলটি তিন ধারায় বিভক্ত হয়ে পড়েছে বলে গণমাধ্যমে সংবাদ এসেছে। তবে এবারের নির্বাচনে অংশ না নিলে বিএনপির অস্তিত্ব বিপন্ন হবে। খালেদা জিয়ার কারাবাস হতে পারে আরও দীর্ঘতর। বিএনপি নির্বাচনে অংশ নিয়ে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে যেতে না পারলে অস্তিত্ব সংকটে পড়বে দলটি। আর এবার নির্বাচনে অংশ না নিলে নিবন্ধনই বাতিল হবে বিএনপির।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে এবার আর যাই হোক, ২০১৪ সালের মতো নির্বাচন হবে না। বিএনপি অংশগ্রহণ না করলেও অনেক দলই অংশগ্রহণ করবে। নির্বাচন হবে প্রতিদ্বন্দ্বীতাপূর্ণ। আর নির্বাচনে অংশ না নিলে জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ার আশঙ্কাও তৈরি হবে বিএনপির। তাই সিটি করপোরেশনে বিএনপি যেমন অংশ নিচ্ছে  তেমনি দেশে যে পরিস্থিতিই তৈরি হোক না কেন জাতীয় নির্বাচনেও অংশগ্রহণ করতেই হবে দলটির। নির্বাচন প্রশ্নে আগামী দু’এক মাসের মধ্যে বিএনপি যদি ঐক্যমতে না আসতে পারে তাহলে দলটিতে ভাঙ্গন অনিবার্য হয়ে পড়বে। শুধু নির্বাচন প্রশ্নেই বিএনপিতে ভাঙ্গন হতে পারে বলে অনেক বিশেষজ্ঞ মত দিয়েছেন। তবে বিএনপিতে শেষ পর্যন্ত কী সিদ্ধান্ত হবে তা সম্পূর্ণ নির্ভর করছে তারেক জিয়ার ওপর। কারণ বিএনপির তরুণ নেতৃত্ব ও তৃণমূল তারেকের নিয়ন্ত্রণে বলেই ধারণা করা হয়। তাই তারেক জিয়া শেষ পর্যন্ত যে মত দেবেন তাই গ্রহণ করবে তৃণমূল ও তরুণ নেতৃত্ব। তবে অনেকেরই ধারণা, লন্ডনে স্বে”ছা নির্বাসনে থাকা বিএনপি চেয়ারপারসন তারেক জিয়ার ইদানীংকালের সিদ্ধান্তগুলো তৃতীয় শক্তির মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে। এই তৃতীয় শক্তির মধ্যে আছে পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই। আরও আছে পলাতক যুদ্ধাপরাধী ও তাদের সন্তানেরা।

নির্বাচনের বাকী আছে আর মাত্র কয়েক মাস। এখনও নির্বাচনী সরকার কেমন হবে সে বিষয়ে একমত হতে পারেনি দেশের প্রধান দুই দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপি। ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ ২০১৪ সালে নির্বাচন বর্জন করে সহিংসতার পথ বেছে নেওয়া বিএনপির সঙ্গে কোন ধরণের সমঝোতায় যেতে নারাজ। কূটনৈতিক ভাবে বিভিন্ন দেশ ও জোট ক্ষমতাসীন দলকে চাপ দিচ্ছে। অনুরোধ করা হচ্ছে , যেন নির্বাচনের আগে প্রধান বিরোধী দল বিএনপির সঙ্গে রাজনৈতিক সংলাপের সূচনা করা হয়। নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক যেন হয় সেই কথা বলছে ইইউ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। তবে অনুরোধ ও চাপের মুখে কূটনীতিকদের কাছে বিএনপির সঙ্গে আলোচনায় যেতে পাঁচটি শর্ত দিয়েছে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ।

দেশের বর্তমান বাস্তবতায় মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তির সঙ্গে মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তির সমঝোতা হওয়ার কোন সুযোগ নেই। জামায়াতে ইসলামী যে মুক্তিযুদ্ধবিরোধী দল তা নিয়ে বিতর্কের কোন সুযোগ নেই। দেশে আন্দোলনের নামে বর্তমানে যে সন্ত্রাস ও সহিংসতা চলেছে তার জন্যও প্রধানত দায়ী জামায়াতে ইসলামী। জামায়াতের সঙ্গ যদি বিএনপি না ছাড়ে তাহলে আওয়ামী লীগের সঙ্গে বিএনপির সমঝোতা হওয়ার সুযোগ কম। মুক্তিযুদ্ধের প্রায় অর্ধ শতাব্দী পেরিয়ে এসেও স্বাধীনতার পক্ষ-বিপক্ষ বিভাজন কাম্য নয়। এতে দেশের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রা চরমভাবে বাঁধাগ্রস্ত হচ্ছে।

অভিযোগ আছে, জামায়াত একটি গণবিচ্ছিন্ন মিলিট্যান্ট সংগঠন। তাদের ক্যাডার বাহিনী আছে। তারা সন্ত্রাস-সহিংসতায় পারদর্শী। কিন্তু কোনো সময়ই এরা জনগণের বিপুল সমর্থন পাওয়ার যোগ্য হয়ে ওঠেনি। কাজেই এই দলের উপর ক্রমাগত নির্ভরতা বিএনপিকেও দিন দিন গণবিচ্ছিন্নতার দিকেই ঠেলে দিচ্ছে। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সংকটে এমনটাই ভাবছেন বিএনপির অনেক নেতা, খুঁজছেন এ থেকে পরিত্রাণের উপায়।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ