প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ক্ষুধা ও ঠাণ্ডায় জর্জরিত যুক্তরাষ্ট্র অভিবাসন কেন্দ্রের শিশুরা

 

প্রত্যাশা প্রমিতি সিদ্দিক: মার্কিন অভিবাসন প্রত্যাশী আটক কেন্দ্রগুলোতে মানবেতর জীবনযাপন করছে অভিবাসন প্রত্যাশীরা। ক্ষুধা ও তীব্র শীতে অভিবাসন প্রত্যাশীদের বিশেষ করে শিশুদের জীবন চলছে অত্যন্ত অমানবিকভাবে। হন্ডুরাস থেকে আসা কেরেন নামের এক নারী জানিয়েছেন, তিনি তার সন্তানদের নিয়ে রাত কাটান মেঝেতে। কোনো চাদর পর্যন্ত দেয়া হয়না তাদের। সন্তানদের উষ্ণ রাখতে সারারাত পালাক্রমে দুই শিশুকে কোলে নিয়ে রাখেন। সাথে খাবারের কষ্ট তো রয়েছেই। শুধু কেরেন নয়, এভাবে অনুভূতি ব্যক্ত করছিলেন দেশটির সীমান্তবর্তী অবস্থিত আটক কেন্দ্রের অভিবাসন প্রত্যাশীরা। ১৯৮৫ সাল থেকে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের বিরুদ্ধে চলতে থাকা মামলার উদ্দেশ্যে জুন-জুলাই মাসে কেন্দ্রগুলোতে আটক থাকা অভিবাসন প্রত্যাশীদের কাছ থেকে এধরণের বিবৃতি নেয়া হয়।

এক যৌথ বিবৃতিতে অভিবাসন প্রত্যাশীরা জানায়, অবৈধ পথে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করা ব্যক্তি এবং শরণার্থীদের মুক্তি কিংবা দীর্ঘমেয়াদী আটক কেন্দ্রে পাঠানোর আগ পর্যন্ত এধরণের অসুবিধার মুখে পড়তে হচ্ছে। এমনকি মেক্সিকো থেকে আসা অপর এক আশ্রয়প্রার্থী নারীর অভিযোগ, তাকে ধর্ষণ একই সাথে তার সন্তানকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও অপর্যাপ্ত খাবারের কারণে শিশুকে বুকের দুধ খাওয়াতে পারছেন না বলেও ওই বিবৃতিতে অভিযোগ করা হয়।

তবে এধরণের অভিযোগ প্রসঙ্গে মার্কিন কাস্টমস এন্ড বর্ডার প্রোটেকশন, ‘সিবিপি’র পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য করা হয়নি। সরকারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে বলা হয়, অভিবাসন প্রত্যাশীরা সর্বোচ্চ তিন থেকে ছয়দিন প্রাথমিকভাবে আটক থাকে। বেশির ভাগ সময়ই পরবর্তীতে এদেরকে দীর্ঘ মেয়াদী আটক কেন্দ্রে পাঠিয়ে দেওয়া যারফলে আর যোগাযোগ করা সম্ভব হয়না। রয়টার্স

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ