Skip to main content

রোহিঙ্গা শিশুদের অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ নিয়ে সবাই চিন্তিত

সাজিয়া আক্তার : দিন যত গড়াচ্ছে ততই যেনো অনিশ্চিত হচ্ছে রোহিঙ্গা শিশুদের ভবিষ্যৎ। নিজ দেশ মিয়ানমারে চরম নিসংশতার শিকার হলেও সেখানেই ফিরে যেতে চায় তারা। এসব শিশুকে বাংলাদেশ সাময়িক আশ্রয় দিলেও দীর্ঘ মেয়াদে দায়িত্ব নিতে হবে বিশ্বকে। এমন বক্তব্য আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের। তারা বলছেন রোহিঙ্গা শিশুদের অন্তত শিক্ষা ও স্বাস্থ্যের মত মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করতে পারলে উগ্রবাদে ঝুঁকে পরার ঝুঁকি অনেকটা কমবে। মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা এসব শিশু এবং এদের পরিবারের কাছে জীবন যেনো কেবল দীর্ঘ শ্বাস। নিজের দেশ মিয়ানমারেই ফিরতে চায়, সেখানকার স্কুলে পড়তে চায়, চেনা ভূমি ছেড়ে অন্য দেশে পরবাসী জীবন শিশুর মনও মানে না। রোহিঙ্গা শিশুরা বলে, এখানে আমরা স্কুলে যাই না, আমরা নিজের দেশে চেনা স্কুলে পড়তে চাই। নিজের দেশে ফিরে যেতে চাই। শরণার্থী নারীদের অনেকেই নতুন মা হয়েছেন, কেউবা হবেন। অনাগত সন্তানের ভবিষ্যৎ নিয়ে তারা সবাই চিন্তিত। নির্মমতায় প্রতিটি শিশু মানসিকভাবে ক্ষতবিক্ষত। তা থেকে তাদের বের করে নিয়ে সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়তে মানসিক সহায়তা জরুরি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইসরাফিল বলেন, আমরাসহ সারা পৃথিবীর লোক যতটুকু সাড়া দেখাচ্ছি এখন সেই বাস্তবায়ন হয়, এবং সরকার যদি সেই বাস্তবায়নটা সূচারো রূপে হয়, এবং এটা যেনো অপব্যবহার না হয়। আন্তর্জাতিক বিভাগের এই শিক্ষক বললেন সময় এসেছে শিশুদের জন্য দীর্ঘমেয়াদী পকিল্পনা নেয়ার। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভগের অধ্যাপক সি আর আবরার বলেন, মিয়ানমার শিশুদের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা দেওয়া ছাড়া কোনো ভাবেই তাদের সমস্যা গুলো থেকে বের করিয়ে আনা যাবে না। আন্তর্জাতিক সনদ অনুযায়ী তাদের শিক্ষার ব্যবস্থা নিতে হবে, এবং এর দায়িত্ব বাংলাদেশকেই নিতে হবে। বিশ্বাল এই জনগোষ্ঠিকে বাংলাদেশের উপর চাপিয়ে দিয়ে বিশ্ব হাত এভাবে গুটিয়ে বসে থাকতে পারে না। নাগরিকত্বসহ মিয়ানমারে ফেরানোর পাশাপাশি নিরাপদ পরিবেশ তৈরি একমাত্র সমাধান বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা। সূত্র : আর টিভি

অন্যান্য সংবাদ