Skip to main content

স্বাধীনতা ও মুক্তিযোদ্ধাপরাধীদের সন্তানদের সরকারি চাকরিতে নিয়োগ বন্ধ এবংচাকরিচুতসহ,৬ দফা দাবিতে

আহমেদ জাফর: যুদ্ধাপরাধী, স্বাধীনতা বিরোধী, রাজাকার, জামায়াত, শিবির সন্তানদের সরকারি চাকরি থেকে বরখাস্ত করা এবং সরকারি চাকরিতে নিয়োগ বন্ধ করা সহ ৬ দফা দাবিতে মুক্তিযোদ্ধা প্রতিনিধি সভায় এসব দাবি করেছেন মুক্তিযোদ্ধারা। মুক্তিযুদ্ধোরা দেশ ও জনগনের অতন্দ্র প্রহরী ৬ দফা দাবি বাস্তবায়নের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা বিরোধী সফল অপশক্তির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াও মুক্তিযোদ্ধা প্রতিনিধি সভায় এসব দাবি জানিয়েছেন মুক্তিযোদ্ধারা । এসময় বীর মুক্তিযোদ্ধা আ ক ম মোজাম্মেল হক, বীর মুক্তিযোদ্ধা নৌমন্ত্রী শাজাহান খান, মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে একই সম্মতি প্রকাশ করেছেন। ঢাকা প্রেসক্লাবে থেকে সিলেট পর্যন্ত গণস্বাক্ষর সংগ্রহ কমসূচি পালন করবে। এ জন্য ১৯,২২,২৩, জুলাই এবং ১,১৫,১৯ আগষ্ট ও ২ সেপ্টেম্বরে মাসের কর্মসূচি ঘোষণা করেন। ১ জামাত শিবির যুদ্ধাপরাধী ও স্বাধীনতাবিরোধী সন্তান ও তাদের উত্তরসূরীদের সরকারি চাকরিতে নিয়োগ দেওয়া বন্ধ করা হোক জামাত-শিবির ও স্বাধীনতাবিরোধী যারা সরকারি চাকরিতে বহাল আছে তাদের তালিকা তৈরি করে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হোক । ২! যুদ্ধাপরাধীদের স্বাধীনতাবিরোধীদের স্বাধীনতা বিরোধীদের পরিচালিত প্রতিষ্ঠা করা হোক। জামাত শিবির যুদ্ধাপরাধী ও স্বাধীনতাবিরোধী সন্তান ও তাদের উত্তরসূরীদের সরকারি চাকরিতে নিয়োগ দেওয়া বন্ধ করা হোক। জামাত-শিবির ও স্বাধীনতাবিরোধী যারা সরকারি চাকরিতে বহাল আছে তাদের তালিকা তৈরি করে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হোক । ৩। যুদ্ধাপরাধীদের সকল স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি ও জামাত শিবির স্বাধীনতা বিরোধীদের পরিচালিত প্রতিষ্ঠানসমূহ রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করা হোক।। ৪। মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান অক্ষুন্ন গাড়ি মুক্তিযুদ্ধ যুদ্ধে শহীদ এবং বঙ্গবন্ধুকে কত কারীদের বিরুদ্ধে হলোকাস্টের genocide এর আদলে আইন করে রাষ্ট্রদ্রোহী হিসেবে বিচার করা হোক। ৫। ২০০১, ২০১৩,২০১৪,২০১৫,সালে খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বিএনপি জামাতের সন্ত্রাসী রা গণহত্যা-ধর্ষণ রাষ্ট্রীয় সম্পদ ধ্বংস করেছে এবং যারা আগুন সন্ত্রাস কে সমর্থন করেছে স্পেশাল ট্রাইবুনাল গঠন করে তাদের কঠোর শাস্তি দেয়া হোক। ৬! কোটা সংস্কারের আন্দোলন ছাত্র হত্যার গুজব ছড়িয়ে যারাছাত্র হত্যার গুজব ছড়িয়ে যারা উসকানি দিয়েছে এবং যারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির বাড়িতে অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুর করেছে তাদের চিহ্নিত করে কঠোর শাস্তি দেয়া হোক। ২০১৫,সালে খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বিএনপি জামাত লাগাতার অবরোধের নামে গণহত্যা ও ধ্বংসলীলা চালায় তারা ২০১৩, ২০১৪, ২০১৫ সালে গাড়ির ড্রাইভার ৩ জন বিজিবি জওয়ান গার্মেন্টস শ্রমিক শ্রমিক ২০১৫ সালে খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বিএনপি জামাত লাগাতার অবরোধের নামে গণহত্যা ও ধ্বংসলীলা চালায় তারা ২০১৩, ২০১৫ সালে ড্রাইভার ৩ জন বিজিবি জওয়ান গার্মেন্টস শ্রমিক, ফল ব্যবসায়ী ৯ জন শ্রমিককে পেট্রোল বোমায় পুড়িয়ে পিটিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে। ২০১৫সালের ২০ জানুয়ারি প্রতিষ্ঠিত হয় শ্রমিক কর্মচারী পেশাজীবী মুক্তিযোদ্ধা সমন্বয় পরিষদ পরিষদের লাগাতার আন্দোলনের ফলে খালেদা জিয়ার লাগাতার অবরোধ অকার্যকর হয়ে পড়ে সম্প্রতি কোটাবিরোধী আন্দোলন শুরু হলে সন্তান ও মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মের সামনে ২০১৮ সালের এপ্রিলের ১৮টি মুক্তিযোদ্ধা সন্তান অপ্রয়োজনীয় প্রজন্মদের সমন্বয় প্রজন্মদের সংগঠনের প্রতিষ্ঠা হয় কত সন্তান ও প্রজন্ম সমন্বয় পরিষদ।

অন্যান্য সংবাদ