প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

‘বাংলাদেশ ব্যাংকে ভল্টের স্বর্ণ, সঠিক তদন্ত হওয়া দরকার’

জান্নাতুল ফেরদৌসী: আইনজীবী, অলি আহাদ স্মৃতি সংসদের সদস্য সচিব ও বিএনপির সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেছেন, বাংলাদেশ ব্যাংকে ভল্টের স্বর্ণ নিয়ে শুল্ক গোয়েন্দা যে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে এটার একটি সুষ্ঠু তদন্ত হওয়া দরকার।

বেসরকারি টেলিভিশন ইন্ডিপেনডেন্ট টিভিতে রাজনীতির ভল্ট অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

রুমিন ফারহানা বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংক নিয়ে গোলমেলে পরিস্থিতি এই প্রথম তৈরি হয়নি। এর আগেও দেখেছি বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ৮’শ কোটি টাকা নাই হয়ে গেছে। সেটা ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা হয়েছে, তদন্তের নাটক হয়েছে। কিন্তু তদন্তের প্রতিবেদন আমরা কেউ দেখিনি। একজন ব্যক্তি যিনি কিছুটা বিষয় জানতেন বলে ধারনা করা হয়, তিনি গুম হয়ে যান। অবশ্যই পরবর্তীতে ফিরে এসেছেন। কিন্তু তিনি গণমাধ্যমের সামনে এতই ভীত ছিলেন যে কিছুই বলতে পারেনি। এখন বাংলাদেশ ব্যাংকের ভল্ট নিয়ে যে প্রতিবেদন প্রথম আলো প্রকাশ করেছেন। কিন্তু এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে এটা নাকি ইংরেজি বানানের ক্ষেত্রে গোলমাল হয়েছে। ঘটনাটি যাই হয়ে থাকুক না কেন, বিষয়টি হচ্ছে অনেক কিছুই ঘটে যায় যা তদন্তের বাইরে থাকে।

তিনি আরো বলেন, ৬ কেজি স্বর্ণের গোলমাল বিষয় নয়। বিষয়টা হচ্ছে গোলমাল হবে কেন। এই বিষয়গুলোর ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা থাকা জরুরি। যেহেতু শুল্ক গোয়েন্দা এই চিঠি দিয়েছে তাই এটা একটি সুষ্ঠু তদন্ত হওয়া দরকার।

উল্লেখ্য, গতকাল মঙ্গলবার একটি জাতীয় দৈনিকে ‘বাংলাদেশ ব্যাংকের ভল্টে ভুতুড়ে কাণ্ড’ শিরোনামে একটি খবর প্রকাশিত হয়। এতে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের এক অনুসন্ধান প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে বলা হয় বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা রাখা হয়েছিল ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম ওজনের স্বর্ণের চাকতি ও আংটি, তা হয়ে আছে মিশ্র বা সংকর ধাতু। ছিল ২২ ক্যারেট স্বর্ণ, হয়ে গেছে ১৮ ক্যারেট

এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, একটি রিং মানের বিষয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব স্বর্ণকার যখন এটি পরিমাণ করেন তখন বলেছিলেন, সেই রিংয়ে ৪০ শতাংশ স্বর্ণ আছে। কিন্তু পরে প্রতিবেদন করার সময় ভুলে ৪০ কে ৮০ (ইরেজিতে শব্দ মনে করে) লিখা হয়।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত