প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

‘মাদকবিরোধী অভিযানের লক্ষ্য কি শুধু মানুষ হত্যা করা?’

রবিন আকরাম : সারাদেশে মাদকবিরোধী অভিযানে দুই মাসে ২০২ নিহত হওয়ার তথ্য দিয়েছে মানবাধিকার সংস্থা আইন ও সালিশ কেন্দ্র। এই নিহত হওয়ায় কোন সুফল এনেছে কিনা? এব্যাপারে মানবাধিকার কর্মী নুর খান লিটন প্রশ্ন রেখে বলেন, এই অল্প সময়ে দুশো’র বেশি মানুষ নিহত হবার পরও মাদকের বিস্তার অব্যাহত রয়েছে। তাহলে এ অভিযানের লক্ষ্য কি শুধু মানুষ হত্যা করা”?

এই অভিযানটি বড় প্রশ্নের মুখে পড়ে ২৬ মে টেকনাফের কাউন্সিলর একরামুল হক হত্যার ঘটনাকে কেন্দ্র করে। একরামুল হকের স্ত্রী আয়েশা বেগম তার স্বামীর মৃত্যুর জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে দায়ী করেছিলেন। তারপর একরামুল হত্যার একটি অডিও সামনে আসলে পুরো অভিযানটাই প্রশ্রের মুখে পড়ে।

তারপর এই অভিযান অনেকটাই থমকে যায়। তাৎক্ষণিকভাবে মৃত্যুর ঘটনা কমে এসেছি। তবে সংখ্যায় কমলেও বন্ধ হয়নি বন্দুকযুদ্ধে নিহতের ঘটনা, একই কায়দায় অব্যাহত রয়েছে অভিযান। নিহতের পরিবারগুলোর পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, নিহতদের আগেই ধরে নেয়া হয়েছিল।

মানবাধিকার সংস্থা আইন ও সালিশ কেন্দ্রের নির্বাহী পরিচালক শিফা হাফিজা বলেন, এতো মানুষকে এতো অল্প সময়ে হত্যার নজির আর নেই। ভয়ঙ্কর, ভয়াবহ মানবাধিকার লঙ্ঘন। আমরা সুষ্ঠু বিচার বিভাগীয় তদন্ত দাবি করছি। দায়ীদের বিচারের আওতায় আনা উচিত।

কিন্তু এসব মৃত্যুর ঘটনায় কারা জড়িত কিংবা আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিবরণই সত্যি কি না – সেটি এখনো জানা যায়নি। যদিও কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে প্রতিটি ঘটনাই তদন্ত করে দেখা হয় বলে বলা হয়েছে।

এদিকে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল মঙ্গলবার ঢাকায় এক অনুষ্ঠানে বলেছেন, পাঁচটি গোয়েন্দা সংস্থার সমন্বয়ে তৈরি করা তালিকায় যাদের নাম মিলে যাচ্ছে তাদেরই কেবল আটক করা হচ্ছে, এক্ষেত্রে কোনো ধরনের ক্রসফায়ারের অভিযোগও প্রত্যাখ্যান করেন তিনি। বিবিসি

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ