প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

বরগুনায় বাঁধ ভেঙ্গে প্লাবিত হচ্ছে বসত ভিটা

ডেস্ক রিপোর্ট: আমাবস্যা আর নিম্নচাপের প্রভাবে বরগুনার নদীগুলোতে বেড়েছে জোয়ারের পনির চাপ। পানির চাপে দুটি নদীপাড়ের ৩টি স্থানে বেড়িবাঁধ ভেঙে পানি ঢুকে পড়েছে বসতি এলাকাগুলোতে। এতে দুর্ভোগে পড়েছে হাজারো মানুষ। নষ্ট হতে চলেছে জমির ফসল। এমন অবস্থা চলতে থাকলে সম্ভাবনা রয়েছে আরো বেশ কিছু স্থানে বাঁধ ভেঙে যাওয়ার। পানি উন্নয়ন বোর্ড বলছে, বাঁধ মেরামতে ইতোমধ্যে মাঠে নেমেছেন তারা।

বৃষ্টি আর জোয়ারের চাপে হঠাৎ করেই ভেঙেছে নদী পারের বেড়িবাঁধ, প্রবল স্রোতে পানি ঢুকে পড়ছে বসতি এলাকাগুলোতে। পানির তোড়ে নদীপারের এ ঘরটির অর্ধেকটা ভাসিয়ে নিয়েছে ইতোমধ্যে। শিশু সন্তানকে নিয়ে তাই আকলিমা আশ্রয় নিয়েছেন একটু উঁচু স্থানে। হয়তো আর কয়েক ঘণ্টার মধ্যে পানিতে ভাসবে তার আবাসস্থলটি। এদিকে পানিতে তলাচ্ছে ফসলি জমির বীজতলা। বীজতলা পঁচে গেলে এ মৌসুমের চাষাবাদ বন্ধ হয়ে যাবে কৃষকদের। শুধু ফসল নয়, তালতলীর তেতুলবাড়িয়া,পাথরঘাটার হরিণঘাটা,চড়লাঠিমারা,কাকচিড়াসহ বেশ কয়েকটি এলাকার রাস্তাঘাট,পুকুর,ঘর-বাড়িসহ সব কিছু এখন জোয়ারের পানিতে তলিয়ে।

প্লাবিত এলাকাবাসীরা জানান, ঘেরের মাছ ভেসে গেছে। রাস্তাঘাট ডুবে গেছে। রান্নাও করতে পারছিনা।

এদিকে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় আছে নদীপাড়গুলোর আরো ১৫টি স্থান। এর অর্ধেকটা বিধ্বস্ত হয়েছে ইতোমধ্যে। জোয়ারের পানির চাপ স্থায়ী হলে তাও চলে যাবে নদীগর্ভে।

বাঁধ সংলগ্ন এলাকাবাসীরা জানান, সব রাস্তা তলিয়ে গেছে। কয়েকটি জায়গা দিয়ে আমাদের গ্রামে পানি ঢুকছে। কয়েক দিনের মধ্যেই গ্রাম ডুবে যাবে।অবশ্য ভাঙা বাঁধগুলো মেরামতে কাজ শুরু করেছে বলে দাবি পানি উন্নয়ন বোর্ডের।

বরগুনার পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী এস,এম মশিউর রহমান বলেন, ৫-৬ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ ঝুঁকিপূর্ণ এবং ভাঙ্গন কবলিত হয়েছে। এই জায়গাগুলোতে জরুরী ভিত্তিতে মেরামত করে বন্যা নিয়ন্ত্রণ করে যানমাল রক্ষা করার চেষ্টা করছি।

বরগুনার পায়রা ও বিষখালী নদী পারের ৩টি স্থানে ৬ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত হয়েছে।আর প্রায় ২০ কিলোমিটার ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় আছে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ