শিরোনাম
◈ সংবিধান কি মনে করিয়ে দেয় এটা একাত্তরের পরাজয়ের দলিল? প্রশ্ন পার্থের ◈ গাজী আশরাফ লিপুর আনুষ্ঠানিকভাবে দা‌য়িত্ব শেষ হলো, এবার পা‌বেন সম্মাননা ◈ সাবেক খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম ক্যান্সার আক্রান্ত, চিকিৎসার আবেদন করেছেন তার আইনজীবী ◈ বিগত সরকারের দুর্নীতিতে স্থবির স্বাস্থ্যখাত, সেবা উন্নয়নে কাজ করছে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ◈ জলবায়ু ট্রাস্টের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে : পরিবেশ মন্ত্রী ◈ সেবা না পেয়ে বেশ কিছু শিশু মারা গেছে, বাংলাদেশের হাসপাতালে আইসিইউ এবং ভেন্টিলেশন সেবা কতটা আছে?  ◈ জ্বালানি তেলের দাম নিয়ে সুখবর ◈ স্কুল চলাকালীন যানজট নিরসনে বিকল্প খুঁজতে নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ◈ ভারত সফরে জয়শঙ্কর-দোভালের সঙ্গে বৈঠক, জ্বালানি ও পানি ইস্যুতে গুরুত্ব ◈ ঢাকাসহ ১৪ জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ

প্রকাশিত : ১৬ জুলাই, ২০১৮, ০৯:৫৯ সকাল
আপডেট : ১৬ জুলাই, ২০১৮, ০৯:৫৯ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মানসিক রোগী সাজিয়ে সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করলেই শাস্তি

সজিব খান: কাউকে মানসিক রোগী বা পাগল সাজিয়ে মিথ্যা সনদ দিলে এবং সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করলে চিকিৎসক ও অভিভাবকদের জরিমানাসহ কারাদণ্ডের বিধান রেখে মানসিক স্বাস্থ্য আইন-২০১৮ এর খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

সোমবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ খসড়ার অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পরে সচিবালয়ে এ বিষয়ে সাংবাদিকদের বিস্তারিত জানান পরিষদ বিভাগের (সংস্কার ও সমন্বয়) সচিব টি এম এম জিয়াউল আহসান।

জিয়াউল আহসান বলেন, খসড়া আইন অনুযায়ী, মানসিক স্বাস্থ্য সেবায় নিয়োজিত পেশাজীবী হিসেবে কোনো ব্যক্তির মানসিক অসুস্থতা সম্পর্কে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে মিথ্যা সনদ দিলেও শাস্তি পেতে হবে। এ জন্য অনধিক ৩ লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা এক বছর সশ্রম কারাদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন। এ ছাড়া মানসিকভাবে অসুস্থ বা পাগল সাব্যস্ত করে সম্পত্তির অধিকার থেকে বঞ্চিত করলে অভিভাবকদের বা ব্যবস্থাপকদের পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা বা তিন বছর কারাদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হতে পারে।

বৈঠকে মানসিক রোগী বা পাগলদের অধিকার বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। অভিভাবকহীন কেউ মানসিক রোগী চিহ্নিত হলে, সরকার তার চিকিৎসার ব্যবস্থা করবে।

সচিব জানান, ১৯১২ সালের একটি আইন দ্বারা মানসিক রোগ নির্ণয় চিকিৎসা সেবা চলে আসছে। আইনটিকে হালনাগাদ করা হয়েছে এবং ইংরেজি থেকে বাংলা অনুবাদ করা হয়েছে। আইনটিকে বাস্তবসম্মত ও সময়োপযোগী করা হয়েছে বলেও তিনি জানান।

এ ছাড়া আজকের মন্ত্রিসভার বৈঠকে জাতীয় ডিজিটাল কমার্স নীতিমালা, ২০১৮-এর খসড়ার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে বলেও জানান সচিব জিয়াউল আহসান। সূত্র: এনটিভি, প্রথম আলো

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়