প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ফোন বিড়ম্বনা

প্রভাষ আমিন : এবার নয়াদিল্লীতে এসে এমন জটিল ফোন বিড়ম্বনায় পড়েছি, যা ব্যাখ্যার অতীত। নামার দুই ঘণ্টা পরই ডাক্তারের অ্যাপয়েন্টমেন্ট ছিল বলে, এয়ারপোর্ট সিম নেয়া হয়নি। ভেবেছিলাম আগের মতই রাস্তা নিয়ে নেবো। কিন্তু যেখানেই যাই সেখানেই আধার কার্ড চায়। হোটেল আর ক্লিনিকের ওয়াই-ফাই দিয়ে প্রথম দুদিন কোনোরকমে চলেছে। আটকে গেলাম রোববারে এসে। সকালে হোটেলের ওয়াই-ফাই দিয়ে যোগাযোগ করে বেরিয়েছি। কিন্তু রোববার ক্লিনিক বন্ধ বলে দিনভর নেটওয়ার্কের বাইরে। ভেবেছিলাম হোটেলে ফিরে সমস্যার সমাধান হবে। কিন্তু মরার ওপর খাড়ার ঘা। হোটেলের ওয়াই-ফাই নষ্ট। সোমবার সকালের আগে আইটির লোক আসবে না। তাদের ভরসায় বসে না সকাল ৮টায় গেলাম এয়ারটেলের শোরুমে।

বন্ধ। ৮টায় গেলাম বন্ধ। ১০টায় গেলাম। খোলা, কিন্তু তারা জানালে সিম অ্যাক্টিভ হতে ২৪ ঘণ্টা লাগবে। অবশেষে বেলা ১১টায় ক্লিনিকে এসে ওয়াই-ফাই পেলাম। মাঝের ২৬ ঘণ্টা আমরা জগৎবিচ্ছিন্ন ছিলাম। তবে জগৎ নিয়ে আমার ভাবনা নেই। আমার জগৎ আমার পরিবার- মুক্তি আর প্রসূন। আমি দিল্লী এসেছি ব্যাকপেইনের চিকিৎসা নিতে। আর সর্বশেষ যোগাযোগের সময় জেনেছি, মুক্তি ব্যাকপেইনে শয্যাশায়ী। মাঝের ২৬ ঘণ্টা আমার কেটেছে নরকযন্ত্রণায়। কিছু করতে তো পারছিই না, যোগাযোগও করতে পারছি না। আমি জানি আমার ডার্লিং মুক্তি অনেক অভিমান করে আছে। কিন্তু কিছুই করার ছিল না। এতটা অসহায় কখনো লাগেনি। একটু পরই ক্লিনিক বেরিয়ে যাবো। এরপর আবার কখন নেটওয়ার্কে আসবো জানি না।

এই স্ট্যাটাস লেখার পর ক্লিনিকের সার্ভারও ডাউন ছিল কিছুক্ষণ। আসলেই অভাগা যেদিকে চায়, সাগর শুকিয়ে যায়।

পরিচিতি: হেড অব নিউজ, এটিএন নিউজ/ফেসবুক থেকে

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত