প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

এক লাফে মঙ্গলে!

ডেস্ক রিপোর্ট : ‘মহাকাশের লাল লণ্ঠন’ থেকে গিয়েছে মানুষের নাগালের বাইরেই। এবার মঙ্গলে মানুষ পাঠাতে চায় নাসা।

বাঙালিকে মঙ্গলগ্রহে নিয়ে গিয়েছিলেন হেমেন্দ্রকুমার রায়। ‘মেঘদূতের মর্ত্যে আগমন’ কাহিনিতে বিমল, কুমাররা পা রেখেছিল মঙ্গলের মাটিতে। তবে সে তো নিছকই কল্প গল্প। ‘মহাকাশের লাল লণ্ঠন’ থেকে গিয়েছে মানুষের নাগালের বাইরেই। ১৯৬৯ সালে চন্দ্র বিজয়ের পরে এবার মঙ্গলে পা রাখার পরিকল্পনা করে ফেলেছে নাসা। ঠিক হয়ে গিয়েছে, অ্যালিসা কারসন নামের এক কিশোরী হবে সেই মিশনের অন্যতম এক নভশ্চর। তার কোড নেম রাখা হয়েছে ব্লু বেরি। সবটাই সম্ভাবনা, তবু নির্বাচিত হওয়ার আনন্দই বা কম নাকি!

এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে জানা যাচ্ছে, সতেরো বছরের অ্যালিসাই নাসার কনিষ্ঠতম নভশ্চর। তবে মঙ্গলের অভিযানের সময় অ্যালিসার বয়স হবে ৩২। কেননা, নাসার ওই অভিযানটি হবে ২০৩৩ সালে। অ্যালিসা ও তার সঙ্গীরা এখন থেকেই নিজেদের প্রস্তুত করবে সেই মিশনের জন্য।

কিন্তু কেন অ্যালিসাকেই নির্বাচন করা হল? এর অন্যতম কারণ অ্যালিসার প্রবল মঙ্গল-প্রীতি। ৯ বছর বয়সে কার্টুনে মঙ্গলকে দেখে সে ভালবেসে ফেলে মঙ্গলকে। সে দিনরাত দেখতে থাকে মঙ্গলের মাটিতে রোভার্সের ল্যান্ড করার ভিডিও। এখানেই শেষ নয়, তার বেডরুমে টাঙানো রয়েছে একটি মঙ্গলের একটি অতিকায় ম্যাপ।

অ্যালিসার মহাকাশ প্রীতি ও মঙ্গল প্রেম এমন পর্যায়ে পৌঁছে যায় যে, সে নাসার স্পেস ক্যাম্পগুলিও অ্যাটেন্ড করতে থাকে। তার পর ক্রমেই জড়িয়ে পড়া। নাসার সব ক’টি ভিজিটর সেন্টার ঘুরে এসে সে নাসার ‘পাসপোর্ট প্রোগ্রাম’ সম্পূর্ণ করেছে। এবার প্রস্তুতি সেই স্বপ্নের সফরের। পাড়ি দেওয়া পড়শি গ্রহে।

আপাতত তারই প্রস্তুতি। এখনও সে নাবালিকা। ১৮ হয়ে গেলেই শুরু হবে বাকি ট্রেনিং। মহাকর্ষের সঙ্গে লড়াই, স্পেসক্র্যাফ্ট সম্পর্কে অভিজ্ঞ হয়ে ওঠা— নানা ধাপই পেরোতে হবে একে একে। এরই পাশাপাশি নাসা তাকে শুনিয়ে রেখেছে অন্য এক কথাও। মঙ্গলের মিশন শেষ না হওয়া পর্যন্ত বিয়েও করতে পারবে না অ্যালিসা।

সব মেনে নিয়েছে অ্যালিসা। সে জানে ইতিহাস রচনা করতে গেলে এই সব ত্যাগ স্বীকার তাকে করতেই হবে। ফিরে এলে সে হতে চায় অধ্যাপক অথবা দেশের প্রেসিডেন্ট! কিন্তু সেই সব লক্ষ্য আপাতত মুলতুবি। অ্যালিসার মনপ্রাণ জুড়ে এখন কেবল মঙ্গল। লাল গ্রহ যে ডাকছে তাকে। – তারুণ্যলোক

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ