প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

যেসব মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের

ডেস্কা রিপোর্ট : কোটা সংস্কার আন্দোলনকারী অন্তত ৭ জন শিক্ষার্থী চারটি মামলায় কারাগারে আছেন। এর মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের বাসভবনে ভাঙচুর, পহেলা বৈশাখের মঙ্গল শোভাযাত্রার বাঁশ ও কাঠে আগুন এবং ভাঙচুর, আন্দোলনের সময় শাহবাগে গাড়ি আটকে রাখা এবং ৫৭ ধারায় মামলা করা হয়েছে।এদের মধ্যে রাশেদ খাঁনের বিরুদ্ধে ৫৭ ধারায় মামলা রয়েছে।

বাংলাদেশ সাধারন ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের আহ্বায়ক হাসান আল মামুন বলেন, ‘আমাদের কোটা আন্দোলনকারীদের মধ্যে এখন পর্যন্ত ৭ জন আটক থাকার কথা জানি। এর মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাংকিং ও ইন্স্যুরেন্স বিভাগের মাসটার্সের শিক্ষার্থী রাশেদ খান রিমান্ডে রয়েছেন। এছাড়াও রিমান্ডে রয়েছে ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট বিভাগের শিক্ষার্থী ফারুক হোসেন ও সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী মশিউর রহমান। আর তরিকুল নামে আইন বিভাগের এক শিক্ষার্থী কারাগারে রয়েছে। এছাড়া চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী জসিম উদ্দীনকেও রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। বাকি দুই জন কারা তার সন্ধান জানেন না বলে জানান হাসান আল মামুন । তিনি বলেন, এদের সঙ্গে মাহফুজ খান নামে এক শিক্ষার্থীকে আটক করা হলেও সে জামিনে মুক্ত রয়েছে।

জানা গেছে, এই ৭ জন শিক্ষার্থীকে মোট চারটি মামলায় কারাগারে নেওয়া হয়েছে। ঢাবি উপাচার্যের বাসভবনে ভাঙচুর,৮ এপ্রিল ঢাবির চারুকলা অনুষদের ভেতরে পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে মঙ্গল শোভাযাত্রার জন্যে বিভিন্ন ধরনের বাঁশ ও কাঠ আনা হলেও প্রায় দেড়শ বাঁশ এবং অসংখ্য কাঠের টুকরো আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া ও ভাঙচুর, আন্দোলনের সময় শাহবাগে গাড়ি আটকে রাখাসহ মোট তিনটি মামলা হয়েছে। এছাড়াও শুধুমাত্র ৫৭ ধারায় রাশেদের বিরুদ্ধে আলাদা মামলা করা হয়েছে।

জানতে চাইলে আন্দোলনকারীদের আইনজীবী ব্যারিস্টার জ্যোর্তিময় বড়ুয়া বলেন, ‘মোট চারটি মামলার সন্ধান আমরা পেয়েছি। তবে আরও একটি মামলা রয়েছে বলে জানি। তবে এখনও তার কোন তথ্য আমরা হাতে পাইনি।‘
অন্যদিকে কোটা সংস্কার আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসান আল মামুন বলেন, ‘আমরা কোনও হামলার সঙ্গে জড়িত নই। তারপরও আমাদের নামে অজ্ঞাতনামা মামলা দিয়ে গ্রেফতার করা হচ্ছে, রিমান্ডে নেওয়া হচ্ছে। এটা নিয়ে ব্যাপক একটি ষড়যন্ত্র চলছে।’ রিমান্ডে থাকা রাশেদ খানের মা সালেহা বেগমের দাবি, ‘আমার সন্তান কোনও অন্যায় করেনি। তাকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে। তার অন্যায় সে চাকরি চেয়েছিল। আমার ছেলেকে সরকার ছেড়ে দিক, আমি তাকে বাড়ি নিয়ে যাবো। আমার আর চাকরির দরকার নেই।’ সূত্র : বাংলা ট্রিবিউন