প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

নক আউট পর্বে কখনো গোল পাননি মেসি-রোনালদো

স্পোর্টস ডেস্ক: বর্তমান সময়ে বিশ্বের সেরা দুইজন লিওনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। শেষ ১০ বছরে দুজনেই পাঁচবার করে জিতেছেন ব্যালন ডি’অর। নিজ নিজ ক্লাবকে জিতিয়েছেন সাফল্যের সব শিরোপাই। তবে বিশ্বকাপে এই দুই তারকাই বরাবর অনুজ্জ্বল। যদিও রোনালদো গ্রুপপর্বে তার দলের পাঁচ গোলের চারটিই করেছেন। গ্রুপের শেষ ম্যাচে গোল করে মেসি দলকে তুলেছেন শেষ ষোলতে। কিš‘ এখন পর্যন্ত কোন বিশ্বকাপের নক আউট পর্বেই গোল পাননি এই দুই মহাতারকা। শনিবার এবারের আসরের শেষ ষোলর প্রথম ম্যাচে ফ্রান্সের বিপক্ষে মাঠে নামছে আর্জেন্টিনা। এদিনই দ্বিতীয় ম্যাচে পর্তুগালের প্রতিপক্ষ উরুগুয়ে।
রাশিয়ায় মেসি ও রোনালদো দুজনেই তাদের ক্যারিয়ারের চতুর্থ বিশ্বকাপ খেলছেন। দুজনেরই বিশ্বকাপ অভিষেক ১২ বছর আগে, ২০০৬ সালে। সার্বিয়া মন্টেনিগ্রোর বিপক্ষে গ্রুপপর্বের দ্বিতীয় ম্যাচে নেমে সেবার নিজের প্রথম বিশ্বকাপ গোল পেয়েছিলেন মেসি। জার্মানির কাছে কোয়ার্টার ফাইনালে হেরে বাদ পড়ার আগে আরও দুইটি ম্যাচ খেলেছিলেন তিনি। তবে আর গোলের দেখা পাননি। ২০১০ সালের বিশ্বকাপেও কোয়ার্টার ফাইনালে জার্মানির কাছে হেরে বাদ পড়ে আর্জেন্টিনা। সেবার কোন গোলই পাননি ক্ষুদে জাদুকর মেসি।

২০১৪ সালের বিশ্বকাপ এখন পর্যন্ত মেসির ক্যারিয়ারে সেরা বিশ্বকাপ টুর্নামেন্ট। সেবার তার দল ফাইনালে উঠেছিল। তিনি গ্রুপপর্বেই পেয়েছিলেন ৪ গোল। নক আউট পর্বে সতীর্থদের গোলে অ্যাসিস্ট, নেদারল্যান্ডের বিপক্ষে সেমি ফাইনালের টাইব্রেকারে গোল ছাড়া আর কোন সফলতা নেই তার। গ্রুপপর্বের শেষ ম্যাচের পর সেবার ফাইনাল পর্যন্ত কোন গোল পাননি তিনি। বর্তমানে ৩১ বছর বয়সী মেসি বিশ্বকাপে মোট ১৮ ম্যাচ খেলে ৬ গোল করেছেন।

এবারের আসরে পর্তুগালের প্রায় সব গোল রোনালদোর পা থেকে আসলেও আগের আসরগুলোর চিত্র এমনটা ছিল না। এর আগের তিন বিশ্বকাপে একটি করে মোট তিন গোল করেছিলেন এই ফরোয়ার্ড। ২০০৬ সালে ইরানের বিপক্ষে পেনাল্টি থেকে একটি গোল করেছিলেন রোনালদো। ২০১০ সালে উত্তর কোরিয়ার বিপক্ষে একটি এবং ২০১৪ সালের বিশ্বকাপে ঘানার বিপক্ষে একটি করে গোল করেছিলেন এই মহাতারকা। তবে সব গোলই গ্রুপপর্বে। ২০০৬ সালে কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টাইব্রেকারে একটি গোল করেছিলেন রোনালদো।
৩৩ বছর বয়সী রোনালদো বিশ্বকাপে মোট ১৬ ম্যাচে ৭ গোল করেছেন।
সূত্র : গোল ডট কম

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ