প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

adv 468x65

‘অর্থের নিরাপত্তা না থাকলে আজ সুইস ব্যাংক কাল হয়তো অন্য ব্যাংকে এদেশের অর্থ যাবে’

আশিক রহমান : অর্থের নিরাপত্তা না থাকলে আজ সুইস ব্যাংক, কাল হয়তো বিদেশি অন্য কোনো ব্যাংকে এদেশের অর্থ যাবে বলে মনে করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষক ও অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক আবু আহমেদ। আমাদের অর্থনীতির সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, মানি লন্ডারিংয়ের মাধ্যমে সুইস ব্যাংকের মতো ব্যাংকে অর্থ রাখছে যারা তা বন্ধ করার তেমন উপায় নেই। বন্ধ করার ভালো উপায় হচ্ছে, দেশে অর্থের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। যদি অর্থের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায় পজেটিভ ফল পাওয়া যেতে পারে।

তিনি আরও বলেন, সুইস ব্যাংকে যে টাকাগুলো যাচ্ছে, তা কার টাকা? কে নিচ্ছে? মধ্যবিত্তের টাকা নয়, গরিবদের তো কোনোভাবেই সম্ভব নয়। অর্থাৎ অতি ধনীরা অর্থ বিদেশে রাখছেন। অর্থের কোনো বাউন্ডারি নেই। মানুষ চাইলেও এক দেশ থেকে অন্য দেশে যেতে পারে না, কারণ পাসপোর্ট-ভিসা লাগে। কিন্তু অর্থের কোনো পাসপোর্ট ভিসা লাগে না। সারা পৃথিবী কি হুন্ডি বন্ধ করতে পেরেছে? পারেনি। দেশে যদি বিনিয়োগ পরিবেশ নিশ্চিত করা যায়, বড় কয়েকটি অর্থনীতির সঙ্গে যদি আমরা যুক্ত হতে পারতাম তাহলে বিনিয়োগ সুযোগ সৃষ্টি হতো অনেক বেশি। সেক্ষেত্রে সুইস ব্যাংকের মতো জায়গায় এদেশের অর্থ যেত না।

এক প্রশ্নের জবাবে অধ্যাপক আবু আহমেদ বলেন, সুইস ব্যাংকে রাখা বাংলাদেশি নাগরিকদের অর্থের উৎসটাই গুরুত্বপূর্ণ। বিদেশে যারা কাজ করেন তারা যদি সুইস ব্যাংকে অর্থ রাখেন তা দোষের নয়। তবে মানি লন্ডারিং হলে অবশ্যই দোষের। বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব পথ আছে, গোয়েন্দা বিভাগ রয়েছে, তারা নিশ্চয়ই বিষয়টি দেখভাল করবেন।

তিনি বলেন, অর্থ পলায়নের নিরাপদ স্বর্গ কিছু কিছু জায়গা রয়েছে পৃথিবীতে, যার মালিক বড় বড় দেশগুলো। যতক্ষণ পর্যন্ত তারা এসব বন্ধে উদ্যোগী না হবেন, ততক্ষণ পর্যন্ত ছোট ছোট দেশগুলো থেকে মানি লন্ডারিং হয়ে সেসব অর্থ গিয়ে জমা হবে অর্থ পলায়নের নিরাপদ স্বর্গে। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ দেশ থেকে সুইস ব্যাংকে কত টাকা চোরাইপথে গেছে, কতটা বাইরের লোকেরা ইনকাম করে জমা রেখেছে, আমাদের সরকার এখনো তা ওইভাবে উদ্ঘাটন করতে পারেনি।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত