প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

adv 468x65

রূপপুরে দ্বিতীয় ইউনিটের সনদ শিগগিরই

ডেস্ক রিপোর্ট: তথ্য-উপাত্ত ঠিক থাকলে শিগগিরই রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে দ্বিতীয় ইউনিটের সনদ দেওয়া হবে। আর এই সনদ দেবে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ। এখন পর্যালোচনার কাজ চলছে। চলতি মাসে অথবা আগামী মাসের শুরুতে এই পর্যালোচনার কাজ শেষ হবে। প্রাথমিক নিরাপত্তা প্রতিবেদন, নিমার্ণ কাজ, পরিবেশগত প্রতিবেদনসহ বিভিন্ন বিষয় বিশ্লেষণ করে এই সনদ দেওয়া হবে। সনদ পেলেই দ্বিতীয় ইউনিটের কাজ শুরু হবে। পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা এ তথ্য জানান।

বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. নঈম চৌধুরী এ প্রসঙ্গে বলেন, সনদ দেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় পর্যালোচনার কাজ চলছে। আমরা দ্রুত সনদ দিতে চাই। তবে তা নির্ভর করছে তথ্য-উপাত্তের ওপর। পরমাণু বর্জ্যের পরিবহন, নিষ্ক্রিয়করণ, সংরক্ষণসহ বিভিন্ন বিষয়া এই পর্যালোচনার সময় দেখা হবে।

তিনি বলেন, পরমাণু চুল্লী তথা পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে নির্গত বিকিরণের ক্ষতিকর দিকগুলো নিয়ন্ত্রণ করে জনসাধারণ ও পরিবেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এই সনদ দেওয়া হয়।

সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা জানান, পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্রের পরিবেশগত প্রভাব মূল্যায়নের বিষয়টি অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। এ কারণে কেন্দ্রের প্রাথমিক নিরাপত্তার বিশ্লেষণমূলক প্রতিবেদন কনস্ট্রাকশন অনুমোদন, চূড়ান্ত নিরাপত্তা প্রতিবেদন যাচাই করা হবে। তারপরই সনদ দেওয়া হবে। প্রতিবছর এই সনদ নবায়ন করতে হবে।

ওই কর্মকর্তা জানান, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিট নির্মাণ করতে ওই এলাকার মাটি, পানি, বাতাস, ভূমিকম্প সহনমাত্রা পরীক্ষা করা হয়েছে। মোট ৬৩ ধরনের পরীক্ষার ফল পর্যালোচনা করে এই সনদ দেওয়া হয়। দ্বিতীয় ইউনিটের জন্যও একই পরীক্ষা করা হবে।

এই ইউনিটের তথ্য পর্যালোচনা করতে পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের কর্তৃপক্ষের আট জন বিশেষজ্ঞ রাশিয়াতে তথ্য যাচাইয়ের জন্য গিয়েছেন। তারা সেখানে পর্যালোচনা করছেন। তাদের প্রতিবেদনের ওপরই নির্ভর করছে সনদ পাওয়ার বিষয়টি। তবে রূপপুরের প্রথম ইউনিট ও দ্বিতীয় ইউনিট একই স্থানে হওয়ার কারণে সনদ পেতে কোনো সমস্যা হবে না বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন রূপপুর পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিট স্থাপনের সনদ পাওয়ার আবেদন করে। পরে এই আবেদেনের বিপরীতে সনদ দিতে তথ্য যাচাইয়ের কাজ করছে পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ। পরমাণু বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে বাণিজ্যিক চুল্লী ব্যবহার করা হয়। এই চুল্লী স্থাপনের জন্য সনদ নিতে হয়। প্রতিবছর এই সনদ নবায়ন করতে হয়। পরমাণূ বাণিজ্যিক চুল্লীর বার্ষিক নবায়ন ফি ৩০ টাকা। এছাড়া সাইটিংয়ের জন্য ৩ কোটি টাকা, স্থাপনের জন্য দুই কোটি এবং পরিচালনার জন্য দুই কোটি টাকা ফি দিতে হয়। সূত্র: সারাবাংলা

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত