প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

adv 468x65

র‌্যাব-পুলিশের হেফাজতে ক্রসফায়ারে নিহত ৮৫৩

ডেস্ক রিপোর্ট : গত ১৫ বছরে সারাদেশে র‌্যাব-পুলিশের সঙ্গে কথিত ক্রসফায়ারে নিহত হয়েছেন ২ হাজার ১৫৩ জন। মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, তাদের মধ্যে আটকের পর র‌্যাব-পুলিশের হেফাজতে থাকাকালে শুধু ক্রসফায়ারেই নিহত হয়েছে ৮৫৩ জন।

মানবাধিকারকর্মীরা বলছেন, ক্রসফায়ার বা বন্দুকযুদ্ধের এতগুলো ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে এমন ঘটনার মাঝে পড়ে কখনো অন্য কারো আক্রান্ত না হওয়া; শুধু আটককৃত ব্যক্তির আক্রান্ত হওয়ার ঘটনাগুলো নানা প্রশ্নের জন্ম দেয়। আটক ব্যক্তিই কেন আক্রান্ত হন?

এদিকে র‌্যাব-পুলিশের কর্মকর্তারা বলছেন, হেফাজতে আসার পর সব সময় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির প্রয়োজনীয় আইনগত অধিকারের বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়। তবে দুর্ধর্ষ অপরাধীরা নিজেরাই নিজেদের জীবনের জন্য হুমকি হয়ে ওঠেন।

জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান কাজী রিয়াজুল হক বলেন, পুলিশ-র‌্যাব হেফাজতে মৃত্যু কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। হেফাজতে থাকাকালীন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সাংবিধানিক ও আইনগত অধিকার নিশ্চিত করতে হবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকেই। কাজেই প্রতিটি ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া উচিত।

আসকের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, ২০০৪ সাল থেকে ২০১৮ সালের ৬ জুন পর্যন্ত কথিত বন্দুকযুদ্ধে মোট নিহত হয়েছেন ২ হাজার ১৫৩ জন। এর মধ্যে আটকের আগে নিহত হন ১ হাজার ৩০৬ জন। আর ৮৫৩ জন আটকের পরে র‌্যাব-পুলিশের হেফাজতে থাকাকালীন নিহত হন। ২০০৪ সালে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হন ১৩৪ জন, যার মধ্যে আটকের আগে ৪৬ জন, পরে ৮৮ জন। ২০০৫ সালে ৩৫৪ জন (আগে ৯৪, পরে ২৬০); ২০০৬ সালে ২৫৮ জন (আগে ৬২, পরে ১৯৬); ২০০৭ সালে ১১৫ জন (আগে ৮১, পরে ৩৪); ২০০৮ সালে ১৪১ জন (আগে ১১০, পরে ৩১); ২০০৯ সালে ১২৫ জন (আগে ১১২, পরে ১৩); ২০১০ সালে ৯৩ জন (আগে ৮৭, পরে ৬); ২০১১ সালে ৬২ জন (আগে ৬০, পরে ২); ২০১২ সালে ৫৮ জন (আগে ৫৭, পরে ১); ২০১৩ সালে ৪২ জন (আগে ৪০, পরে ২); ২০১৪ সালে ১২৮ জন (আগে ৭৯, পরে ৪৯); ২০১৫ সালে ১৪৬ জন (আগে ৯৫, পরে ৫১); ২০১৬ সালে ১৫৯ জন (আগে ১২৩, পরে ২৩); ২০১৭ সালে ১২৬ জন (আগে ৯৭, পরে ২৯) এবং ২০১৮ সালে (১ জানুয়ারি থেকে ৬ জুন) ২১২ জন বন্দুকযুদ্ধে নিহত হন (আটকের আগে ১৬৩ জন, পরে ৪৯ জন)। আমাদেরসময়

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত