প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

কি খান বিশ্বকাপ তারকারা?

ডেস্ক রিপোর্ট : জনি মার্শ বিশ্বের শীর্ষ বেশ কজন ফুটবলারের ব্যক্তিগত শেফ। ঐ ফুটবলারদের বাড়িতে গিয়ে তিনি রেঁধে দিয়ে আসেন। ঐ তারকা ফুটবলারদের মধ্যে রয়েছেন ইংল্যান্ড দলের ডিফেন্ডার কাইল ওয়াকার এবং গোলকিপার জর্ডান পিকফোর্ড।

মার্শের কাস্টমারের তালিকায় একইসাথে রয়েছেন বেলজিয়ামের কেভিন ডি ব্রুইন এবং মারওয়ান ফেলাইনি। এরা দুজনেই ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগেরও তারকা।

বিশ্বকাপের এই তারকাদের জন্য কী কী রাঁধেন জনি মার্শ?

কাইল ওয়াকারের পছন্দ স্প্যাগাতি-বোলোনেজ

রাশিয়ায় প্রতিটি দলের নিজস্ব শেফের টিম রয়েছে। টুর্নামেন্ট চলাকালে খেলোয়াড়রা কী খাবেন সে সিদ্ধান্ত অনেকটাই নেন টিম ম্যানেজার। জনি মার্শ জানিয়েছেন, ‘গ্যারেথ সাউথগেট আমাকে ডাকবেন বলে এখনও আমি আশা করছি, কিন্তু আমি জানি মাঠে ফুটবলাররা কতটা পারফর্ম করবেন, তার পাঁচ থেকে ১০ শতাংশ নির্ভর করে তারা ম্যাচের আগে কী খাচ্ছেন তার ওপর।’

একেক ফুটবলারের পছন্দ একেক-রকম, কিন্তু ইংলিশ ডিফেন্ডার কাইল ওয়াকার ম্যাচের আগে চান স্প্যাগেতি বোলোনেজ। এটি একটি ইটালিয়ান খাবার। গরুর কিমা এবং টমেটো দিয়ে সস বানিয়ে সিদ্ধ স্প্যাগেতি বা পাস্তার সাথে পরিবেশন করা হয়।

কেভিন দ্য ব্রুইন চান প্রচুর শর্করা

বেলজিয়াম এবং ম্যানচেস্টার সিটি ক্লাবের তারকা কেভিন ডি ব্রুইন চান ম্যাচের আগে তার খাবারে যেন যথেষ্ট শর্করা থাকে, তবে খুব ভারি যেন না হয়। আর ম্যাচের পর তিনি চান আমিষ মাংস।

শেষবার তার ম্যাচের আগে শেফ জনি কেভিনের জন্য তৈরি করেছিলেন, বার-বি-কিউ চিকেন টাকো। একটি মোটা রুটির ভেতর বার-বি-কিউ করার মুরগির মাংসের টুকরো ঢুকিয়ে তার সাথে লেটুস পাতা, টম্যাটো এবং অ্যাভোকাডো ফলের ফালি দিয়ে রোল করে বানানো হয় মেক্সিকান ঘরানার এই সহজ খাবারটি। সাথে কেভিনকে তিনি দিয়েছিলেন গাজর এবং বাঁধাকপির সালাদ। যেটি খুবই মজার!

তবে ওয়াকার একটু ভিন্নভাবে খাবারটি চান। তার পাস্তা সিদ্ধ করা হয় বিটরুটের রসে যাতে ঐ পাস্তা বিটরুটের আয়রন এবং নাইট্রেট শুষে নিতে পারে। এই দুই খনিজ দ্রব্য মাঠে তাকে বাড়তি শক্তি দেয়।

গোলকিপারদের খাবারের পছন্দ ভিন্ন

ইংল্যান্ড দলের গোলকিপার জর্ডান পিকপোর্ড ম্যাচের আগে খুব বেশি খেতে চান না। দরকারও নেই, কারণ অন্য ১০ জন খেলোয়াড়ের চেয়ে গোলকিপারকে ছুটতে হয় কম। ফলে তার শক্তি খরচও হয় কম।

মাঝে মধ্যে ফুটবলাররা রুটিনের বাইরে বেরুতে চান। ফাস্ট ফুড খেতেও চান। তাই জনি মার্শ তাদের জন্য মসলাদার টার্কি বার্গার করে, যেখানে বেশি তেল-চর্বি ব্যবহার করা হয় না।

জনি মার্শ জানান, ‘মিষ্টি খাওয়ার ওপর অনেক বিধিনিষেধ রয়েছে, কিন্তু অনেকেই মিষ্টি পাগল, বিশেষ করে ম্যাচের পর তারা পুডিং দাবি করেন..আমি আমার ক্লায়েন্টদের ‘অ্যাভোকাডো-চকলেট মুস’ তৈরি করে দিই, সাথে কিছু প্রোটিন যোগ করে দিই, যাতে দ্রুত তাদের ক্লান্তি কাটে।’

ইলকে গুনদোগান চান তুর্কি খাবার

জার্মানি এবং ম্যানচেস্টার সিটির ইলকে গুনদোগান জার্মান। কিন্তু তিনি তুর্কি বংশোদ্ভূত। তাই জনি মার্শ তার খাবারের সময় চেষ্টা করে যেন তার পিতা-মাতার দেশের (তুরস্কের) খাবারের স্বাদ-গন্ধ রাখতে পারে।

জনি মার্শের স্বপ্নের ক্লায়েন্ট হিসেবে নাম বলেছেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর। এই সম্পর্কে তিনি জানিয়েছেন, ‘আমি তাকে ভীষণ পছন্দ করি, আমি ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ফ্যান, সে আমার হিরো।’

এছাড়া ফ্রান্সের পল পগবার জন্যও রাঁধতে চান ম্যানচেস্টারের এই ইংলিশ শেফ। আশা করছেন সে সুযোগ তার হবে।
সূত্র : বাংলাদেশ জার্নাল

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত