প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

adv 468x65

ফিলিস্তিনিদের দেয়া কথা রাখতে পারবেন কি উইলিয়াম?

লিহান লিমা: ইসরায়েল সফরের শেষ দিনে বৃহস্পতিবার পশ্চিম তীরে প্রার্থনা ও দাদী রাণী এলিজাবেথের শ্বাশুড়ির সমাধিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানালেন ব্রিটিশ রাজপুত্র উইলিয়াম। এর আগে বুধবার ফিলিস্তিুনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসের সঙ্গে সাক্ষাতসহ পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনি নাগরিকদের সঙ্গে দেখা করেছিলেন এই ব্রিটিশ রাজপুত্র।

ফিলিস্তিন সফরকালে রামাল্লার তরুণ ফুটবল টিমের সঙ্গে খেলেন ফুটবল, পরিদর্শন করেন নিজ ভূমিতে শরণার্থী ফিলিস্তিনি ক্যাম্প, খান স্থানীয় খাবার ও পরিদর্শন করেন ক্লিনিক ও স্কুল, উপভোগ করেন ঐতিহ্যবাহী আরব নৃত্য। কথা বলেন গাজার অধিবাসী, ফিলিস্তিনি রাজনীতিবিদ ও তরুণদের সঙ্গে। ফিলিস্তিনি শিশু ও তরুণদের বলেন, ‘তোমাদের ভুলে যাই নি।’। তিনি আরো বলেন, যুক্তরাজ্য তোমাদের সঙ্গে আছে এবং এই অঞ্চলে শান্তি ও ভবিষ্যতের জন্য আমরা কাজ করে যাব।’ ফিলিস্তিনিদের সঙ্গে সময় কাটানোর পর উইলিয়াম বলেন, ‘তাদের সংস্কৃতি ও আতিথেয়তায় আমি মুগ্ধ। বিশ্বের অন্যান্য তরুণদের মত তারাও শান্তি চায় এবং তারা শান্তির প্রত্যাশি।’

ফিলিস্তিন সফরের পরদিন জেরুজালেমের মুসলিম, ইহুদি এবং খ্রিষ্ট ধর্মীয় স্থান ‘ডোম অব দ্য রক’ এবং আল আকসা মসজিদ পরিদর্শন করেন উইলিয়াম। ওয়েস্টার্ন ওয়ালে ইহুদি রীতি অনুযায়ী মাথায় কালো টুপি পরে হাত রেখে প্রার্থনা করেন। ফিলিস্তিন-ইসরায়েলের এই স্পর্শকাতর স্থানটি সফরের আগে ‘ডিউক অব এডিনবারাহ’ প্রিন্স ফিলিপের মা ও স্পেনের রাজকন্যা ‘প্রিন্সেস অ্যালিস অব বেটেনবার্গ’ এর সমাধিতে শ্রদ্ধা জানাতে সেন্ট মেরি ম্যাকডেনেন্সে যান উইলিয়াম।

 

প্রসঙ্গত, ১৯১৭ থেকে ১৯৪৮ সাল পর্যন্ত ইসরায়েল সৃষ্টির পেছনে ব্রিটেন যে নীল-নকশা তৈরি করেছিল সেই দখলকৃত ফিলিস্তিনি অঞ্চলে একজন অরাজনৈতিক ব্যক্তি হিসেবে পরিদর্শন করলেন উইলিয়াম। ইসরায়েলের ৭০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষির্কী উপলক্ষ্যে ব্রিটিশ রাজপরিবারের প্রথম কোন সদস্য হিসেবে উইলিয়ামের এই সফর নিয়ে ব্রিটেনজুড়ে চলছে সমালোচনা। তবে এই সফরে উইলিয়াম ফিলিস্তিনি শিশুদের পাশে থাকার যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, ব্রিটিশ প্রশাসনের নীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক এই প্রতিশ্রুতি উইলিয়াম রক্ষা করতে পারবেন কি না তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। রয়টার্স।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত