প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

বাংলাদেশ থেকে শ্রমিক নেবে না মালয়েশিয়া

সাজিয়া আক্তার : বাংলাদেশ থেকে আর কোনো শ্রমিক নেবে না মালয়েশিয়া। দেশটির গণমাধ্যমে এমনটা বলা হলেও প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী বলছেন এবিষয়ে এখনো তারা কোনো চিঠি পাননি। তবে জনশক্তি রপ্তানিকারক সংগঠন বায়রা বলছে ১০ কোম্পানি সিন্ডিকেটের বিপরীতে সবাইকে সুযোগ দিতে মালেশিয়ার সরকার এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

অভিবাসন ব্যয় কমাতে ২০১২ সালে মালয়েশিয়ার সরকারের সাথে চুক্তি করেছিল বাংলাদেশ। জিটুজি নামের এই চুক্তিতে মাত্র ৩০ হাজার টাকায় মালয়েশিয়াতে কাজ নিয়ে বাংলাদেশি কর্মীরা গেলেও তা সংখ্যায় ছিল খুবই নগণ্য।

তাই ৪ বছর পর জিটুজি প্লাস নামে নতুন চুক্তি সই করে দুই দেশ। যেখানে অন্তর্ভূক্ত হয় বাংলাদেশের ১০ টি রিকুবিক এজেন্সি। ক্ষমতার পালা বদলের পর মাহাতি সরকারের নজরে আসে এই চুক্তি। দেশটির গণমাধ্যমের খবর, নানা অনিয়ম আর দুর্নীতির অঝুহাতে জিটুজি প্লাস পদ্ধতিতে বাংলাদেশি না নেওয়ার সিদ্ধান্ত জানান দেশটির মানবসম্পদ মন্ত্রী।

জিটুজি প্লাস পদ্ধতি বাতিল ঘোষণার নির্দেশনার কোনো চিঠি না পেলেও এ খবরে খুশি বায়রা সভাপতি। সব এজেন্সির সমান সুযোগ না থাকায় পদ্ধতিটির বিরোধীতা করে আসছিলেন তারা।

বায়রা সভাপতি বেনজির আহমেদ বলেন, আমরা যেটা দীর্ঘদিন ধরে দাবি করে এসেছি সেটার পরিবর্তন এখন আসতে পারে। যেটা সকলের জন্য অপেন করে দেওয়া। সকলেই যেনো মালয়েশিয়াতে ব্যবসা করতে পারে। হিউম্যান রিসোর্স মিনিস্ট্রি যদিও এটা তাদের বক্তব্য, কিন্তু হোম মিনিস্ট্রি এখনো কোনো মন্তব্য দেয়নি।

প্রবাসী কল্যানমন্ত্রী বলছেন এখন এনিয়ে বাংলাদেশকে কিছু জানায় নি মালয়েশিয়া। তবে মালয়েশিয়াতে কর্মী পাঠানো বন্ধ হবে না বলে দাবি তার।

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী নুরুল ইসলাম বিএসসি বলেন, সরকার যদি জনশক্তি রপ্তানি বন্ধ করে তাহলে তাদের কেবিনেটে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে বন্ধ করতে হবে। একজন বলে দিলে তো আর বন্ধ হবে না। কি উদ্দেশে, কি কারণে হঠাৎ করে একটা শব্দ বেড়িয়ে যেতে পারে? সুতরাং এটা নিয়ে চিন্তা করার কোনো কারণ নেই, কারণ অফিসিয়ালি এখনো আমরা কিছু পায়নি, তাই এখনো এটা বন্ধ হয়নি।

জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো বিএমএ তথ্য বলছে গেল মাস পর্যন্ত সাড়ে ৯ লাখ বাংলাদেশি বৈধ্যভাবে কাজ নিয়ে গেছেন মালয়েশিয়াতে।

সূত্র : চ্যানেল ২৪ টেলিভিশন

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত