প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

মিয়ানমারে কঠিন পরীক্ষায় নবনিযুক্ত জাতিসংঘ দূত

সান্দ্রা নন্দিনী: গত দুইবছরে জাতিসংঘের বেশ কয়েকজন দূত মিয়ানমার সফর করেছেন। মানবাধিকার পরিস্থিতি, শিশু সেনা এবং মানব পাচারের বিষয়গুলো নিয়ে সোচ্চার ছিলেন তারা। তবে, সমস্যাগুলো থেকে মিয়নমারকে বের করে আনার জন্য বা নতুন উদীয়মান গণতান্ত্রিক দেশটিকে সাহায্য করার চেষ্টা করেননি কেউই। এ পরিস্থিতিতে, মিয়ানমারে নিযুক্ত জাতিসংঘ মহাসচিবের বিশেষ দূত সুইস কূটনীতিক ক্রিস্টিন শ্রানেরবার্গেনারের ভূমিকা নিয়ে দিনদিন বেশ আশাবাদী হয়ে উঠছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

তবে, মিয়ানমারের ব্যাপারে আন্তর্জাতিক মনোভাব কিছুটা পরিবর্তনের জন্য জাতিসংঘ দূতকে অনেক প্রতিকূলতার ভেতর দিয়ে যেতে হচ্ছে। মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগে নিয়োগ পেয়েছেন শ্রানেরবার্গেনার। কয়েক বছর আগে থাইল্যান্ডে রাষ্ট্রদূত থাকাকালে সমঝোতা প্রক্রিয়ায় ভূমিকা রাখার ব্যাপারে রেকর্ড রয়েছে তার।

বাস্তবতা বিবেচনায়, মিয়ানমার সরকারের এখন সম্ভাব্য সব ধরনের সাহায্য দরকার। শিগগিরই রাখাইন নিয়ে মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের একটি রিপোর্ট প্রকাশিত হবে। আরও কঠোর রিপোর্ট আসছে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের কাছ থেকে। অন্যদিকে ইন্টান্যাশনাল ক্রিমিনাল কোর্টের সিদ্ধান্তও ঝুলে আছে যে বলপূর্বক রোহিঙ্গাদের বের করে দেয়ার অপরাধে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে কি না। তাছাড়া, কাচিন বিদ্রোহী এলাকায় ইন্টারনালি ডিসপ্লেসড পার্সন্সদের (আইডিপি) মধ্যে খাদ্য ও প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সরবরাহ করতে অস্বীকার করায় আন্তর্জাতিক মানবিক আইন লঙ্ঘনের দায়ে জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনে মিয়ানমারকে চ্যালেঞ্জ করা হবে কি না, সেটি নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে। সাউথ এশিয়ান মনিটর

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত