প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

‘অনেকেই অাছে যারা প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ১০ তলা থেকে লাফিয়ে পড়বে’

রবিন আকরাম : লেখক ও সাংবাদিক প্রভাষ আমিন বলেছেন, আমি এমন অনেক লোককে চিনি, যারা শেখ হাসিনার নির্দেশে ১০ তলা থেকে অবলীলায় লাফিয়ে পড়বে।

তিনি বাংলা ট্রিবিউনে লিখেছেন, দেশে এখন আওয়ামী লীগের কোনও প্রতিদ্বন্দ্বী নেই। মাঠে আওয়ামী লীগের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির অবস্থা এখন বেহাল। দলের চেয়াপারসন খালেদা জিয়া কারাগারে। ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানও দণ্ড মাথায় নিয়ে লন্ডনে পলাতক। এই বাস্তবতায় আওয়ামী লীগের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ নিজেই। বড় সংগঠনে অন্তর্দ্বন্দ্ব থাকেই।

“তবে টানা ১০ বছর ক্ষমতায় থাকায় অন্তর্দ্বন্দ্ব এখন ছড়িয়ে পড়েছে দলের প্রতিটি স্তরে। এমন অনেক লোককে চিনি, যারা শেখ হাসিনার নির্দেশে ১০ তলা থেকে অবলীলায় লাফিয়ে পড়বে। কিন্তু তার সমস্ত চেষ্টা নিজের এলাকার আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্যকে হারানোর জন্য। প্রয়োজনে অন্য এলাকায় গিয়ে আওয়ামী লীগের জন্য পকেটের পয়সা খরচ করে কাজ করতে তৈরি তারা। কিন্তু নিজের এলাকার এমপিকে হারানোর জন্য জানপ্রাণ দিয়ে নামবেন।”

প্রভাষ আমিন বলেন, তারা অপেক্ষা করছেন, আওয়ামী লীগ ২৯৯ আসন পাক, শুধু নিজের আসনটি ছাড়া। গল্পটা সেই রাজার দুধের পুকুরের মতো হয়ে যাবে না তো? ৩০০ আসনেই এমন ঘরের শত্রু বিভীষণরা সক্রিয়। শেখ হাসিনা একদম সঠিকভাবে বলেছেন, ‘তারা সরকারের সাফল্য প্রচারের চেয়ে দলীয় প্রতিপক্ষের বদনামে বেশি সময় দেন। বিএনপি নিয়েও তাদের মাথাব্যথা নেই। তারা শুধু নিজের এলাকায় কিভাবে নৌকাকে ডোবানো যায়, তা নিয়ে ব্যস্ত।’ শেখ হাসিনা নির্বাচনকে সামনে রেখে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার নির্দেশ দিয়েছেন। যাকে নৌকা প্রতীক দেওয়া হবে, তার পক্ষে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছেন। ঘরের শত্রুদের হুঁশিয়ার করে দিয়ে শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘কেউ যদি আমার দলের উন্নয়নের কথা না বলে কোথায়, কার কী দোষ আছে সেগুলো খুঁজে বের করে জনগণের কাছে গিয়ে বলেন, তারা আওয়ামী লীগের নমিনেশন পাবেন না।’

“তবে আওয়ামী মহলে এখন সবচেয়ে আলোচিত বহিরাগত ইস্যু। আওয়ামী লীগাররা আদর করে তাদের হাইব্রিড, কাউয়া, মুরগি ইত্যাদি নামে ডাকেন। আওয়ামী লীগের সবচেয়ে বড় শক্তি তাদের তৃণমূলের নেতাকর্মীরা। ৭৫’র পর ২১ বছর নানা ঝড়-ঝাপটা, দমন-পীড়ন সত্ত্বেও দলটি রাজপথে টিকে ছিল এই তৃণমূলের ভর করেই। ক্ষমতার লোভে নানা মহলের লোকজন ক্ষমতাসীন দলে ভিড়ে যায়। আওয়ামী লীগের ক্ষেত্রেও তার ব্যতিক্রম হয়নি। নতুন নতুন স্মার্ট লোকজন এখনও আওয়ামী লীগের চারপাশে। আনস্মার্ট, খ্যাত তৃণমূলের কর্মীরা এখন পেছনের সারিতে।”

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত