প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

নদ-নদীর পানি কমছে, বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে

ডেস্ক রিপোর্ট: দেশের প্রধান নদ নদীর পানি স্থিতিশীল থাকায় দেশের বিভিন্ন এলাকার বন্যা পারিস্থতি উন্নতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। গঙ্গা-পদ্মা নদীর পানি সমতল বৃদ্ধি পেলেও ব্রহ্মপুত্র-যমুনা নদীর পানি সমতলে স্থিতিশীল রয়েছে। উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সুরমা ও কুশিয়ারার পানি হ্রাস পাওয়ায় সিলেট জেলার বন্যা পরিস্থিতি উন্নতি হতে পারে বলে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে। এছাড়া উত্তর-পূর্বাঞ্চলের মেঘনা ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়ী অববাহিকার নদী সমূহের পানি সমতলে হ্রাস পাচ্ছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস কেন্দ্র এবং আবহাওয়া অধিদপ্তরের ঝড় সতর্কীকরণ কেন্দ্র এ তথ্য জানিয়েছে।

বন্যা পূর্বাবাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র ও আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় সুরমা নদীর কানাইঘাট পয়েন্টে ২৫ সেন্টিমিটার, কুশিয়ারা নদীর মৌলভীবাজারের শেরপুর পয়েন্টে ৩ সেন্টিমিটার ও পুরাতন সুরমা নদীর দিরাই পয়েন্টে ১ সেন্টিমিটার পানি কমেছে। গতকাল বুধবার সুরমা নদীর কানাইঘাট পয়েন্টে বিপদসীমার ১৮ সেন্টিমিটার, কুশিয়ারা নদীর মৌলভীবাজারের শেরপুর পয়েন্টে বিপদসীমার ১৩ সেন্টিমিটার ও পুরাতন সুরমা নদীর দিরাই পয়েন্টে বিপদসীমার ৩৭ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় শেওলায় ৩০ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ২৯ মিলি লিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

গতকাল সন্ধ্যা ৬টা থেকে আগামী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্ববাসে বলা হয়েছে, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিজলী চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারী ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ সহ বৃষ্টি হতে পারে। সেইসাথে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারী ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। আজ বৃহস্পতিবার সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা সামান হারে বৃদ্ধি পেতে পারে। গতকাল সন্ধ্যায় ঢাকায় বাতাসের গতি দক্ষিণ/দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় (১০-১৫) কিলোমিটার ছিল।  যা অস্থায়ীভাবে দমকায় ঘণ্টায় ২৫-৩৫ কি.মি.। গতকাল সন্ধ্যা ৬টায় ঢাকায় বাতাসের আপেক্ষিক আদ্রতা ছিল ৭৪%। আজ ঢাকায় সূর্যোদয় ভোর ০৫টা ১৪ মিনিটে ও সূর্যাস্ত সন্ধ্যা ৬টা ৫০ মিনিটে। পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টার আবহাওয়ার অবস্থা সামান্য পরিবর্তন হতে পারে। বর্ধিত ৫ দিনের আবহাওয়ার অবস্থা বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টিপাতের প্রবণতা বৃদ্ধি পেতে পারে। সূত্র: ইত্তেফাক

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত