প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

এরশাদের জীবনের শেষ নির্বাচন, সুযোগ হাতছাড়া করবে না জাতীয় পার্টি!

নিজস্ব প্রতিবেদক : জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে বড় রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে নিজেদের দর বাড়াতে চায় সাবেক রাষ্ট্রপতি এইচ এম এরশাদের নেতৃত্বাধীন জাতীয় পার্টি (জাপা)। এজন্য ৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে দলটি। দলীয় প্রার্থী যাচাই-বাছাই করে আগামী ৭ জুলাই রাজধানীতে যৌথসভা ডাকা হয়েছে। এ সভায় মহানগর, জেলা, উপজেলা, পৌর ও ইউনিয়ন কমিটির নেতাদের অংশ নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ২৪ মার্চ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মহাসমাবেশ করে দলটি।

খুলনা সিটি নির্বাচনে জাতীয় পার্টির প্রার্থীর চরম ভরাডুবি হলেও বরিশাল ও রাজশাহী সিটি করপোরেশন নির্বাচনে দলীয় মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে। একাদশ সংসদ নির্বাচনকে জীবনের শেষ নির্বাচন বিবেচনায় নিয়ে এইচ এম এরশাদ আগামীতে ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে যেতে চান। জানতে চাইলে জাতীয় পার্টির মহাসচিব এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার বলেন, ৭ জুলাই রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে যৌথসভা ডাকা হয়েছে। সভায় আগামী জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে এইচ এম এরশাদ দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেবেন। খবর বাংলাদেশ প্রতিদিন’র।

তিনি বলেন, দেশের মানুষ দুটি দলের শাসনব্যবস্থার সঙ্গে জাতীয় পার্টির শাসনামল তুলনা করে আবারও এরশাদ জমানায় ফিরতে চায়। আমরা সেভাবেই প্রস্তুতি নিচ্ছি। আর জাতীয় পার্টি একক না জোটবদ্ধ নির্বাচনে যাবে সে বিষয়ে জাতীয় নির্বাচনের আগে পার্টি চেয়ারম্যান সিদ্ধান্ত নেবেন।

জানা যায়, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতি ও প্রার্থী জরিপের জন্য ৭ জুলাই যৌথসভা ডাকা হয়েছে। সভায় জেলা নেতাদের কাছ থেকে মতামত নেওয়া হবে। আগামী নির্বাচন একক নাকি জোটবদ্ধ, কোন কোন আসনে জনপ্রিয় ও শক্তিশালী প্রার্থী আছে, সম্ভাব্য আসনগুলোয় বিপক্ষ দলের প্রার্থীদের অবস্থান কী, বিএনপি ভোটে এলে নির্বাচনী জোট পরিকল্পনা কেমন হবে এবং নির্বাচনকালীন সরকারে দলের অংশগ্রহণ কেমন হবে— এসব বিষয়ে তৃণমূল নেতাদের মতামত নেওয়া হবে। এ ছাড়া আগামীতে দল পরিচালনায় করণীয় বিষয় নিয়েও আলোচনা হবে।

জাপা নেতারা মনে করেন, এ নির্বাচনে সর্বোচ্চ ছাড় দিতে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের পরিকল্পনা আছে। এ সুযোগ হাতছাড়া করতে চান না তারা। এ ছাড়া দলের কাছে বিকল্প জোটের প্রস্তাবও আছে। তবে সবকিছু নির্ভর করছে একাদশ নির্বাচনের পথে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির ওপর।

নেতা-কর্মীরা জানান, বাজারদর বাড়ানোর জন্য আগামী নির্বাচনে অনেক হেভিওয়েট মুখ দেখা যাবে জাতীয় পার্টিতে। এরই মধ্যে বিএনপিসহ বেশকিছু দলের অনেক গুরুতপূর্ণ নেতা এইচ এম এরশাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। এর মধ্যে অনেকেই নবম সংসদের নির্বাচিত এমপি ছিলেন। রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের কারণে দশম সংসদে আসতে পারেননি এমন অনেক নেতা এখন দল বদল করে অথবা নির্বাচনী সমঝোতার মাধ্যমে লাঙ্গল প্রতীকে এমপি হতে চান। এ তালিকায় বিএনপি ও তাদের জোটের অনেক শীর্ষ নেতাও রয়েছেন।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত